গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগর পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) তাঁদের আদালতে নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন হলেন বাবুল, মনিক ও কিবরিয়া। তাঁরা তিনজনই ওই অনুষ্ঠানে বেলুন সরবরাহ করেছিলেন।
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিস্ফোরণের ঘটনায় গত শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টায় উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোসাব্বির হোসেন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য গাজীপুর মেট্রো সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মহিউদ্দিন আহমেদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর জেলা পুলিশ লাইনস আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাদীর দায়িত্ব ছিল। ঘটনার দিন বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ওড়ানো বেলুনগুলো আকাশের দিকে না উড়ে পুলিশ লাইনসের ভেতরে অবস্থিত ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসংলগ্ন পাকা রাস্তায় পড়ে। এ সময় আবু হেনা রনিসহ সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ কনস্টেবল জিল্লুর রহমান, মোশাররফ হোসেন, রুবেল মিয়া আহত হন।
এজাহারে আরও বলা হয়, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করে জানা যায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বেলুন সরবরাহের দায়িত্বে ছিলেন আসামি বাবুল, মানিক ও কিবরিয়া। তাঁরা পরস্পর যোগসাজশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জননিরাপত্তা বিপন্ন হয় এরকম হীন উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত স্থানে বেলুনের মধ্যে কৌশলে ক্ষতিকারক দাহ্য পদার্থ/গ্যাস ব্যবহার করে সাপ্লাই দেওয়ার কারণে সেই বেলুনগুলো বিস্ফোরিত হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আবু হেনা রনিসহ দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী (পুলিশ কনস্টেবল) গুরুতর আহত হন। বেলুনগুলো যদি পার্শ্ববর্তী উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মঞ্চে বিস্ফোরিত হতো, তাহলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।
এদিকে সোমবার দুপুরে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবু হেনা রনি ও কনস্টেবল জিল্লুরকে দেখতে যান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।
বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। আবু হেনা রনি বলেছে, আগের চেয়ে ভালো বোধ করছে সে। তাদের দুজনের মানসিক শক্তির প্রশংসা করতে হয়। আশা করছি, তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। তাদের সব ধরনের সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।’
এই বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে শনিবার জিএমপির উপ-কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) আবু তোরাব মোহাম্মদ সামছুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত উপকমিশনার (অপরাধ-উত্তর) রেদওয়ান আহমেদ, সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) ফাহিম আশজাদ, মেট্রোপলিটন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ছিল গাজীপুর মহানগর পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে গাজীপুর পুলিশ লাইনসে নাগরিক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি। জিএমপি কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।
আরও পড়ুন:

গাজীপুর মহানগর পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) তাঁদের আদালতে নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন হলেন বাবুল, মনিক ও কিবরিয়া। তাঁরা তিনজনই ওই অনুষ্ঠানে বেলুন সরবরাহ করেছিলেন।
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিস্ফোরণের ঘটনায় গত শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টায় উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোসাব্বির হোসেন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য গাজীপুর মেট্রো সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মহিউদ্দিন আহমেদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর জেলা পুলিশ লাইনস আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাদীর দায়িত্ব ছিল। ঘটনার দিন বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ওড়ানো বেলুনগুলো আকাশের দিকে না উড়ে পুলিশ লাইনসের ভেতরে অবস্থিত ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসংলগ্ন পাকা রাস্তায় পড়ে। এ সময় আবু হেনা রনিসহ সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ কনস্টেবল জিল্লুর রহমান, মোশাররফ হোসেন, রুবেল মিয়া আহত হন।
এজাহারে আরও বলা হয়, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করে জানা যায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বেলুন সরবরাহের দায়িত্বে ছিলেন আসামি বাবুল, মানিক ও কিবরিয়া। তাঁরা পরস্পর যোগসাজশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জননিরাপত্তা বিপন্ন হয় এরকম হীন উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত স্থানে বেলুনের মধ্যে কৌশলে ক্ষতিকারক দাহ্য পদার্থ/গ্যাস ব্যবহার করে সাপ্লাই দেওয়ার কারণে সেই বেলুনগুলো বিস্ফোরিত হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আবু হেনা রনিসহ দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী (পুলিশ কনস্টেবল) গুরুতর আহত হন। বেলুনগুলো যদি পার্শ্ববর্তী উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মঞ্চে বিস্ফোরিত হতো, তাহলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।
এদিকে সোমবার দুপুরে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবু হেনা রনি ও কনস্টেবল জিল্লুরকে দেখতে যান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।
বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। আবু হেনা রনি বলেছে, আগের চেয়ে ভালো বোধ করছে সে। তাদের দুজনের মানসিক শক্তির প্রশংসা করতে হয়। আশা করছি, তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। তাদের সব ধরনের সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।’
এই বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে শনিবার জিএমপির উপ-কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) আবু তোরাব মোহাম্মদ সামছুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত উপকমিশনার (অপরাধ-উত্তর) রেদওয়ান আহমেদ, সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) ফাহিম আশজাদ, মেট্রোপলিটন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ছিল গাজীপুর মহানগর পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে গাজীপুর পুলিশ লাইনসে নাগরিক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি। জিএমপি কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।
আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে