নাজমুল হাসান সাগর, গাজীপুর থেকে

স্মার্টফোনে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ইভিএমে ভোট দিলেন ৯৬ বছর বয়সী বৃদ্ধা ছকিনা বেগম। প্রায় শতবর্ষী এই নারী জীবনের প্রতিটি নির্বাচনে তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভোট দিয়ে এসেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও এসেছেন ভোট দিতে। ব্যালট থেকে ইভিএম পদ্ধতি—দুভাবেই ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা নিতে পেরে আনন্দিত ছকিনা বেগম।
বয়সের ভারে ন্যুব্জ হলেও মনের জোরে ভোট দিতে এসে ছকিনা বেগম জানালেন, ‘ভালো লাগছে! মেশিনে ভোট দিছি, ভালো লাগছে।’
বর্তমান প্রজন্মের এগিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী যখন ইভিএম নিয়ে ভীতিতে থাকেন, তখন শতক ছুঁই ছুঁই এই নারী ইভিএমে ভোট দেওয়ার প্রেরণা পেলেন কীভাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তাঁর সঙ্গে আসা নাতি এমডি রুবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটের ব্যাপারে দাদির আগ্রহ অনেক। এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগ্রহ আগেই তিনি আমাদের জানিয়ে রেখেছিলেন। আমরা স্মার্ট ফোনে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখিয়ে তাঁকে ইভিএমে ভোট দেওয়ার বিষয়ে বুঝিয়েছি। সেটা দেখেই তিনি আজ এসে ভোট দিয়েছেন।’
এক হাতে লাঠি আর দুপাশে দুই নাতিকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে আসা ছকিনা তিন সন্তানের জননী। জীবদ্দশায় প্রতিটি ভোট তিনি দিয়ে যেতে চান।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোট কক্ষ রয়েছে। এখানে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৭ এবং নারী ভোটার ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৮ আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৮ জন।
এবারের নির্বাচনে ৪৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে কাশিমপুর থানায় ৪৭টি, কোনাবাড়ী থানায় ৪৩টি, বাসন থানায় ৪২টি, সদর থানায় ৯৬টি, গাছা থানায় ৫৭টি, পুবাইল থানায় ৩২টি, টঙ্গী পূর্ব থানায় ১১১টি ও টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৫২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব ভোটকেন্দ্রে ৩৫১টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১২৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের সূত্রমতে, নানা দিক বিবেচনায় তারা কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মূলত গুরুত্বপূর্ণ বলতে এখানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

স্মার্টফোনে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ইভিএমে ভোট দিলেন ৯৬ বছর বয়সী বৃদ্ধা ছকিনা বেগম। প্রায় শতবর্ষী এই নারী জীবনের প্রতিটি নির্বাচনে তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভোট দিয়ে এসেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও এসেছেন ভোট দিতে। ব্যালট থেকে ইভিএম পদ্ধতি—দুভাবেই ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা নিতে পেরে আনন্দিত ছকিনা বেগম।
বয়সের ভারে ন্যুব্জ হলেও মনের জোরে ভোট দিতে এসে ছকিনা বেগম জানালেন, ‘ভালো লাগছে! মেশিনে ভোট দিছি, ভালো লাগছে।’
বর্তমান প্রজন্মের এগিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী যখন ইভিএম নিয়ে ভীতিতে থাকেন, তখন শতক ছুঁই ছুঁই এই নারী ইভিএমে ভোট দেওয়ার প্রেরণা পেলেন কীভাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তাঁর সঙ্গে আসা নাতি এমডি রুবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটের ব্যাপারে দাদির আগ্রহ অনেক। এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগ্রহ আগেই তিনি আমাদের জানিয়ে রেখেছিলেন। আমরা স্মার্ট ফোনে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখিয়ে তাঁকে ইভিএমে ভোট দেওয়ার বিষয়ে বুঝিয়েছি। সেটা দেখেই তিনি আজ এসে ভোট দিয়েছেন।’
এক হাতে লাঠি আর দুপাশে দুই নাতিকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে আসা ছকিনা তিন সন্তানের জননী। জীবদ্দশায় প্রতিটি ভোট তিনি দিয়ে যেতে চান।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোট কক্ষ রয়েছে। এখানে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৭ এবং নারী ভোটার ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৮ আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৮ জন।
এবারের নির্বাচনে ৪৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে কাশিমপুর থানায় ৪৭টি, কোনাবাড়ী থানায় ৪৩টি, বাসন থানায় ৪২টি, সদর থানায় ৯৬টি, গাছা থানায় ৫৭টি, পুবাইল থানায় ৩২টি, টঙ্গী পূর্ব থানায় ১১১টি ও টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৫২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব ভোটকেন্দ্রে ৩৫১টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১২৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের সূত্রমতে, নানা দিক বিবেচনায় তারা কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মূলত গুরুত্বপূর্ণ বলতে এখানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে