
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বলেছেন, ‘আপনারা হলেন আমাদের প্রিয়জন, আমাদেরকে আপনাদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। আর আপনারা আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপনজন। আমরা যখন খোঁজ-খবর নেই, আপনাদের সুখ-দুঃখের খবর রাখি, তখন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আমরা খোঁজ-খবর নেই। পরবর্তীতে জানতে চান ওঁদের (আপনাদের) কী অবস্থা, ওঁরা কেমন আছে।’
আজ শনিবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ভাংনাহাটি গ্রামের রহমতনগর গুচ্ছগ্রামের ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ওনার বাবার মতোই আপনাদের পাশে থেকে, একটানা ক্ষমতায় থেকে এই উন্নয়নগুলো করে যাচ্ছেন। না হলে কিন্তু এ সব সম্ভব ছিল না। এই আপনারা যখন ঘর পান, ঘরের সঙ্গে সঙ্গে আপনাদের মালিকানা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে আপনাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভাতা দেওয়া হয়। আপনাদের বাচ্চারা যাতে ভালো থাকে, সুন্দর ভবিষ্যৎ যাতে তৈরি হয়, সে জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়ে দেন। যাঁরা আমরা সংসদ সদস্য আছি, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, এমনকি যাঁরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী হিসেবে কাজ করছেন, তাদের সবাইকে এ ধরনের নির্দেশনা দেন। হতদরিদ্র মানুষ কেমন আছে, তাঁরা কেমন করে ঈদ করছে, সেগুলোর খোঁজ-খবর নিতে বলেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র মো. আনিছুর রহমান, মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল আলম রবিন প্রমুখ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বলেছেন, ‘আপনারা হলেন আমাদের প্রিয়জন, আমাদেরকে আপনাদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। আর আপনারা আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপনজন। আমরা যখন খোঁজ-খবর নেই, আপনাদের সুখ-দুঃখের খবর রাখি, তখন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আমরা খোঁজ-খবর নেই। পরবর্তীতে জানতে চান ওঁদের (আপনাদের) কী অবস্থা, ওঁরা কেমন আছে।’
আজ শনিবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ভাংনাহাটি গ্রামের রহমতনগর গুচ্ছগ্রামের ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ওনার বাবার মতোই আপনাদের পাশে থেকে, একটানা ক্ষমতায় থেকে এই উন্নয়নগুলো করে যাচ্ছেন। না হলে কিন্তু এ সব সম্ভব ছিল না। এই আপনারা যখন ঘর পান, ঘরের সঙ্গে সঙ্গে আপনাদের মালিকানা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে আপনাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভাতা দেওয়া হয়। আপনাদের বাচ্চারা যাতে ভালো থাকে, সুন্দর ভবিষ্যৎ যাতে তৈরি হয়, সে জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের নির্দেশনা আমাদেরকে দিয়ে দেন। যাঁরা আমরা সংসদ সদস্য আছি, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, এমনকি যাঁরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী হিসেবে কাজ করছেন, তাদের সবাইকে এ ধরনের নির্দেশনা দেন। হতদরিদ্র মানুষ কেমন আছে, তাঁরা কেমন করে ঈদ করছে, সেগুলোর খোঁজ-খবর নিতে বলেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র মো. আনিছুর রহমান, মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল আলম রবিন প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে