
১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের শ্রীপুরে বেড়েছে পুলিশি তল্লাশি। চেকপোস্ট বসিয়ে ছোট-বড় সব গণপরিবহন থামিয়ে তল্লাশি করছে পুলিশ। বাদ যাচ্ছে না ফেসবুক-মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপ তল্লাশিও। তাতে করে গাড়ির সাধারণ যাত্রীরা পড়েছে ভোগান্তিতে। ক্ষোভ প্রকাশ করছে ঢাকাগামী বিভিন্ন পরিবহনের সাধারণ যাত্রীরা।
কোনো ধরনের ঝামেলা এড়াতে সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন এখানকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য। এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন বিভিন্ন পয়েন্টে। মিছিল, মিটিং ও মোটরসাইকেলের মহড়া দিচ্ছে ছাত্রলীগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। চেকপোস্টে সব ধরনের গণপরিবহন থামিয়ে করা হচ্ছে তল্লাশি। গন্তব্যে যাওয়ার কারণসহ নানা ধরনের জেরার মুখে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেক যাত্রীর কাছ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে তাঁদের ফেসবুক-মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপও তল্লাশি করছে পুলিশ। সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করতে না পারলে অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে। অনেককেই নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহন থেকে। দেখা যায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গণপরিবহন থামানোর পরপরই মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে করতে উঠছে বাসে। এরপর এক এক করে সব যাত্রীর বিষয়ে ভালোভাবে তথ্য নিয়ে তারপর সেই পরিবহন ছাড়া হচ্ছে। তাতে করে সাধারণ যাত্রীরা পড়ছে ভোগান্তিতে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সোনার বাংলা পরিবহনের যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শেরপুর থেকে এ পর্যন্ত আসতে তিনবার তল্লাশি করেছে পুলিশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভাই অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি রয়েছে। শুক্রবার দোকান বন্ধ রেখে রওনা হয়েছি। কিন্তু রাস্তায় এত সমস্যা বুঝতে পারিনি। আমরা রাজনীতি বুঝি না। কাজ করি ভাত খাই, তাহলে আমাদের এমন ভোগান্তি হবে কেন?’
প্রাইভেট কারে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন সোহরাব হোসেন নামে এক যুবক। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য একটি প্রাইভেট কার ভাড়া নিয়েছেন। ময়মনসিংহ থেকে আসতে তিনটি চেকপোস্টে থামতে হয়েছে। সময় ব্যয় হয়েছে ঘণ্টাখানেক। তিনি বলেন, কী কারণে এ রকম ভোগান্তি বুঝতে পারছি না। কত প্রশ্ন, মনে হয় বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছি। তিনি বলেন, মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপও তল্লাশি করছে পুলিশ।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কংকন কুমার বিশ্বাস বলেন, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে পুলিশি তল্লাশি ও নজরদারি করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন মনে হলে শরীর, ব্যাগ, এমনকি মোবাইল ফোনও চেক করা হচ্ছে।
আমরা আমাদের রেগুলার ডিউটি করছি। শনিবার সমাবেশ ঘিরে যাতে কোনো রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা তৈরি না হয়, তার জন্য মহাসড়কে চলাচলরত যাত্রীদের তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে, তারা কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করছেন কি না। কিছু না থাকলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ভোগান্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে কোনো অসুবিধা বা ভোগান্তি হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের শ্রীপুরে বেড়েছে পুলিশি তল্লাশি। চেকপোস্ট বসিয়ে ছোট-বড় সব গণপরিবহন থামিয়ে তল্লাশি করছে পুলিশ। বাদ যাচ্ছে না ফেসবুক-মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপ তল্লাশিও। তাতে করে গাড়ির সাধারণ যাত্রীরা পড়েছে ভোগান্তিতে। ক্ষোভ প্রকাশ করছে ঢাকাগামী বিভিন্ন পরিবহনের সাধারণ যাত্রীরা।
কোনো ধরনের ঝামেলা এড়াতে সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন এখানকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য। এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন বিভিন্ন পয়েন্টে। মিছিল, মিটিং ও মোটরসাইকেলের মহড়া দিচ্ছে ছাত্রলীগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। চেকপোস্টে সব ধরনের গণপরিবহন থামিয়ে করা হচ্ছে তল্লাশি। গন্তব্যে যাওয়ার কারণসহ নানা ধরনের জেরার মুখে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেক যাত্রীর কাছ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে তাঁদের ফেসবুক-মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপও তল্লাশি করছে পুলিশ। সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করতে না পারলে অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে। অনেককেই নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহন থেকে। দেখা যায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গণপরিবহন থামানোর পরপরই মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে করতে উঠছে বাসে। এরপর এক এক করে সব যাত্রীর বিষয়ে ভালোভাবে তথ্য নিয়ে তারপর সেই পরিবহন ছাড়া হচ্ছে। তাতে করে সাধারণ যাত্রীরা পড়ছে ভোগান্তিতে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সোনার বাংলা পরিবহনের যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শেরপুর থেকে এ পর্যন্ত আসতে তিনবার তল্লাশি করেছে পুলিশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভাই অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি রয়েছে। শুক্রবার দোকান বন্ধ রেখে রওনা হয়েছি। কিন্তু রাস্তায় এত সমস্যা বুঝতে পারিনি। আমরা রাজনীতি বুঝি না। কাজ করি ভাত খাই, তাহলে আমাদের এমন ভোগান্তি হবে কেন?’
প্রাইভেট কারে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন সোহরাব হোসেন নামে এক যুবক। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য একটি প্রাইভেট কার ভাড়া নিয়েছেন। ময়মনসিংহ থেকে আসতে তিনটি চেকপোস্টে থামতে হয়েছে। সময় ব্যয় হয়েছে ঘণ্টাখানেক। তিনি বলেন, কী কারণে এ রকম ভোগান্তি বুঝতে পারছি না। কত প্রশ্ন, মনে হয় বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছি। তিনি বলেন, মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপও তল্লাশি করছে পুলিশ।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কংকন কুমার বিশ্বাস বলেন, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে পুলিশি তল্লাশি ও নজরদারি করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন মনে হলে শরীর, ব্যাগ, এমনকি মোবাইল ফোনও চেক করা হচ্ছে।
আমরা আমাদের রেগুলার ডিউটি করছি। শনিবার সমাবেশ ঘিরে যাতে কোনো রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা তৈরি না হয়, তার জন্য মহাসড়কে চলাচলরত যাত্রীদের তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে, তারা কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করছেন কি না। কিছু না থাকলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ভোগান্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে কোনো অসুবিধা বা ভোগান্তি হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শ্রীপুরে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের সহকারীর হাত বিচ্ছিন্ন ও এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবে তাঁদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
২০ মিনিট আগে
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা। এটি বাস্তবায়নের জন্য এখন চীনের সম্মতির অপেক্ষা। ইতিমধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র চীনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
২২ মিনিট আগে
এবার প্রাণনাশের হুমকির কথা জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। তিনি জানান, গতকাল শনিবার থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
৪২ মিনিট আগে
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, সুন্দর সমাজ চাইলে, নতুন প্রজন্মের সুরক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ চাইলে সংস্কারের পক্ষে থাকতে হবে। সংস্কারের পক্ষে থাকলেই দেশ বদলানো যাবে। দেশটাকে পাল্টে দিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে