গাজীপুর প্রতিনিধি

চলমান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর দ্বিতীয় দিনে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) ও জেলা পুলিশের হাতে সাবেক সংসদ সদস্যসহ (এমপি) আরও ১০০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ নিয়ে গত দুই দিনে জেলায় অপারেশন ডেভিল হান্টে মোট ১৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। তাঁদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুর মহানগর ও জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ এই অভিযান চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় দিনে গাজীপুর মহানগর পুলিশের ৮টি থানায় ৭৯ জন এবং জেলা পুলিশের ৫টি থানায় ২১ জন গ্রেপ্তার রয়েছে।
এর আগে, অপারেশন ডেভিল হান্টের প্রথম দিনে গাজীপুর জেলায় ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটি-এসবি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, জিএমপির ৮টি থানায় অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় দিন ৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে টঙ্গী পূর্ব থানায় ১১ জন, টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৮ জন, গাছায় ৬ জন, পুবাইল থানায় ৫ জনসহ মোট ৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আলমগীর হোসেন আরও জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের প্রথম দিনে জিএমপির মোট ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত দুই দিনে জিএমপির অভিযানে গাজীপুর মহানগর এলাকা থেকে মোট গ্রেপ্তার ১২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
অপর দিকে, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় দিনে গতকাল দিবাগত রাতে গাজীপুর জেলার পাঁচটি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একজন সাবেক এমপিসহ ২১ জন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাঁদের মধ্যে শ্রীপুর থানায় সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য চয়ন ইসলামসহ ৫ জন, কাপাসিয়া থানায় ৩ জন, কালীগঞ্জ থানায় ৪ জন, কালিয়াকৈর থানায় ৩ জন ও জয়দেবপুর থানায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে গত দুই দিনে জেলা পুলিশ মোট ৬১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

চলমান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর দ্বিতীয় দিনে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) ও জেলা পুলিশের হাতে সাবেক সংসদ সদস্যসহ (এমপি) আরও ১০০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ নিয়ে গত দুই দিনে জেলায় অপারেশন ডেভিল হান্টে মোট ১৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। তাঁদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুর মহানগর ও জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ এই অভিযান চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় দিনে গাজীপুর মহানগর পুলিশের ৮টি থানায় ৭৯ জন এবং জেলা পুলিশের ৫টি থানায় ২১ জন গ্রেপ্তার রয়েছে।
এর আগে, অপারেশন ডেভিল হান্টের প্রথম দিনে গাজীপুর জেলায় ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটি-এসবি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, জিএমপির ৮টি থানায় অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় দিন ৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে টঙ্গী পূর্ব থানায় ১১ জন, টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৮ জন, গাছায় ৬ জন, পুবাইল থানায় ৫ জনসহ মোট ৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আলমগীর হোসেন আরও জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের প্রথম দিনে জিএমপির মোট ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত দুই দিনে জিএমপির অভিযানে গাজীপুর মহানগর এলাকা থেকে মোট গ্রেপ্তার ১২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
অপর দিকে, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় দিনে গতকাল দিবাগত রাতে গাজীপুর জেলার পাঁচটি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একজন সাবেক এমপিসহ ২১ জন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাঁদের মধ্যে শ্রীপুর থানায় সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য চয়ন ইসলামসহ ৫ জন, কাপাসিয়া থানায় ৩ জন, কালীগঞ্জ থানায় ৪ জন, কালিয়াকৈর থানায় ৩ জন ও জয়দেবপুর থানায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে গত দুই দিনে জেলা পুলিশ মোট ৬১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে