কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। হঠাৎ সিলিং ফ্যানটি বেঞ্চের ওপর পড়ে যায়। তাতে একজন পরীক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক আহত হন। গাজীপুরের কাপাসিয়া সদরের রাউৎকোনা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
ফ্যান পড়ে আহত দুজন হলেন ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী মোছা. জান্নাত এবং কেন্দ্র পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। জান্নাত কাপাসিয়ার খিলগাঁও বি কে দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মনির হোসেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। তিনি রাউৎকোনা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রাউৎকোনা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, দাখিল পরীক্ষা চলাকালে সিলিং ফ্যান পড়ে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। সে খুব বেশি আঘাত পায়নি। পরে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। আহত শিক্ষক ও কেন্দ্র পরিদর্শক মনির হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কেন্দ্র সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, টিনশেড ভবনের একটি কক্ষে দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। সকাল ৯টা ২৮ মিনিটে সিলিং ফ্যানটি নিচে পড়ে যায়। তাতে পাখার আঘাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন। ফ্যান ঝোলানোর রডটি জং ধরে দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ইলেকট্রিশিয়ান এনে ফ্যান ঝোলানো হয়। নিরাপত্তার জন্য বাকি ফ্যানগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে।
কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, সিলিং ফ্যান পড়ে আহত শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আহত শিক্ষকের পরিবর্তে অন্য এক শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কেন্দ্রের বৈদ্যুতিকসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সচিবদের বলা হয়েছিল। তবু এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। পরে আরও সচেতনভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। হঠাৎ সিলিং ফ্যানটি বেঞ্চের ওপর পড়ে যায়। তাতে একজন পরীক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক আহত হন। গাজীপুরের কাপাসিয়া সদরের রাউৎকোনা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
ফ্যান পড়ে আহত দুজন হলেন ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী মোছা. জান্নাত এবং কেন্দ্র পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। জান্নাত কাপাসিয়ার খিলগাঁও বি কে দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মনির হোসেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। তিনি রাউৎকোনা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রাউৎকোনা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, দাখিল পরীক্ষা চলাকালে সিলিং ফ্যান পড়ে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। সে খুব বেশি আঘাত পায়নি। পরে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। আহত শিক্ষক ও কেন্দ্র পরিদর্শক মনির হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কেন্দ্র সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, টিনশেড ভবনের একটি কক্ষে দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। সকাল ৯টা ২৮ মিনিটে সিলিং ফ্যানটি নিচে পড়ে যায়। তাতে পাখার আঘাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন। ফ্যান ঝোলানোর রডটি জং ধরে দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ইলেকট্রিশিয়ান এনে ফ্যান ঝোলানো হয়। নিরাপত্তার জন্য বাকি ফ্যানগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে।
কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, সিলিং ফ্যান পড়ে আহত শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আহত শিক্ষকের পরিবর্তে অন্য এক শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কেন্দ্রের বৈদ্যুতিকসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সচিবদের বলা হয়েছিল। তবু এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। পরে আরও সচেতনভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
২২ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
৩১ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
২ ঘণ্টা আগে