গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন আজকের পত্রিকার শ্রীপুর প্রতিনিধি রাতুল মন্ডল। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসিবাজার এলাকার জাবের-জোবায়ের স্পিনিং মিলের উত্তর পাশে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত রাতুল শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় রাতুল মন্ডল বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনকে আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
থানায় দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘আজ বেলা ১১টার দিকে এমসিবাজার এলাকার জাবের-জোবায়ের স্পিনিং মিলের উত্তর পাশে এক যুবককে কে বা কারা আটক করে রেখেছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যাই। যুবককে আটকের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় আসামিরা এসে আমার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। আমি নিজেকে একজন সংবাদকর্মী পরিচয় দিলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং উচ্চ স্বরে বলে “ওই শালা তুই সাংবাদিক, তোরে মেরে ফেললে কয় টাকা লাগবে।” এই বলে আসামিরা আমার ওপর হামলে পড়ে।
‘পরে বিবাদীরা গালিগালাজ শুরু করে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে টেনেহিঁচড়ে এক আসামির অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে পুনরায় মারধর করে। আমি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অসুস্থ এবং অপারেশনের রোগী, এ কথা বলার পরও আসামিরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এ সয় আসামিরা নগদ ১২ হাজার ৫০০ টাকা, মোবাইল ফোন, পত্রিকার পরিচয়পত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। তারা আমার গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে।’
অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘এ সময় আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা সুযোগ মতো পাইলে খুন করিয়া লাশ গুম করে ফেলবে হুমকি দেয়।’
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন আজকের পত্রিকার শ্রীপুর প্রতিনিধি রাতুল মন্ডল। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসিবাজার এলাকার জাবের-জোবায়ের স্পিনিং মিলের উত্তর পাশে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত রাতুল শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় রাতুল মন্ডল বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনকে আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
থানায় দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘আজ বেলা ১১টার দিকে এমসিবাজার এলাকার জাবের-জোবায়ের স্পিনিং মিলের উত্তর পাশে এক যুবককে কে বা কারা আটক করে রেখেছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যাই। যুবককে আটকের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় আসামিরা এসে আমার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। আমি নিজেকে একজন সংবাদকর্মী পরিচয় দিলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং উচ্চ স্বরে বলে “ওই শালা তুই সাংবাদিক, তোরে মেরে ফেললে কয় টাকা লাগবে।” এই বলে আসামিরা আমার ওপর হামলে পড়ে।
‘পরে বিবাদীরা গালিগালাজ শুরু করে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে টেনেহিঁচড়ে এক আসামির অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে পুনরায় মারধর করে। আমি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অসুস্থ এবং অপারেশনের রোগী, এ কথা বলার পরও আসামিরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এ সয় আসামিরা নগদ ১২ হাজার ৫০০ টাকা, মোবাইল ফোন, পত্রিকার পরিচয়পত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। তারা আমার গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে।’
অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘এ সময় আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা সুযোগ মতো পাইলে খুন করিয়া লাশ গুম করে ফেলবে হুমকি দেয়।’
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে