গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদুর রহমান কিরণকে লক্ষ্য করে ডিম, জুতা ও ঝাড়ু নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ রোববার (৮ ডিসেম্বর) সকালে গাজীপুর আদালতের গারদ খানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে কড়া পুলিশ পাহারায় প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আইনজীবী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে গাজীপুর মহানগরীর রাজবাড়ী এলাকায় আদালতের গারদ খানায় আনা হয় কিরণকে। পরে সদর মেট্রো থানার পৃথক দুটি হত্যাচেষ্টার মামলায় আসাদুর রহমান কিরণকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
আদালত রিমান্ড আবেদন নিয়ে শুনানির জন্য তারিখ ঠিক করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আদালতপাড়ার গারদখানা থেকে ফের কারাগারে নিতে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় কিরণকে ডিম নিক্ষেপ করা হয় এবং ঝাড়ু দিয়ে প্রিজন ভ্যানে আঘাত করা হয়। পরে পুলিশ দ্রুত তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তুলে কারাগারের উদ্দেশ্যে চলে যায়।
গাজীপুর বারের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিক্ষুব্ধ জনতা জুতা ও ঝাড়ুপেটা করেছে।’
এদিকে, গাজীপুর সিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কিরণের বিচার দাবিতে মিছিল ও বিক্ষোভ করে বিএনপির একাংশ। বিক্ষোভ শেষে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আ ক ম মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগের দোসর কিরণের কারণে আমাদের নেতা প্রয়াত মান্নান (গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র) মেয়র নির্বাচিত হয়েও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। আমরা এই খুনি, দোসর কিরণের ফাঁসি চাই।’

গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনকারীদের হামলা ও হত্যাচেষ্টার পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড আবেদনসহ আসাদুর রহমান কিরণকে গাজীপুর মহানগর আদালত-৫-এ নিয়ে হাজির করা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ১২ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করে আসামিকে কারাগারে নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কড়া প্রহরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আসাদুর রহমান কিরণ গত ১৮ নভেম্বর যশোর জেলার সীমান্ত থেকে ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবির হাতে আটক হন। ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে যশোরে একটি মামলাও হয়। এ ছাড়া কিরণের নামে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী, সদর, গাছা থানা ও ঢাকার উত্তরাসহ বিভিন্ন থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে হামলা, খুন ও আহত করার ঘটনায় সাতটি মামলা রয়েছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদুর রহমান কিরণকে লক্ষ্য করে ডিম, জুতা ও ঝাড়ু নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ রোববার (৮ ডিসেম্বর) সকালে গাজীপুর আদালতের গারদ খানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে কড়া পুলিশ পাহারায় প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আইনজীবী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে গাজীপুর মহানগরীর রাজবাড়ী এলাকায় আদালতের গারদ খানায় আনা হয় কিরণকে। পরে সদর মেট্রো থানার পৃথক দুটি হত্যাচেষ্টার মামলায় আসাদুর রহমান কিরণকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
আদালত রিমান্ড আবেদন নিয়ে শুনানির জন্য তারিখ ঠিক করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আদালতপাড়ার গারদখানা থেকে ফের কারাগারে নিতে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় কিরণকে ডিম নিক্ষেপ করা হয় এবং ঝাড়ু দিয়ে প্রিজন ভ্যানে আঘাত করা হয়। পরে পুলিশ দ্রুত তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তুলে কারাগারের উদ্দেশ্যে চলে যায়।
গাজীপুর বারের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিক্ষুব্ধ জনতা জুতা ও ঝাড়ুপেটা করেছে।’
এদিকে, গাজীপুর সিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কিরণের বিচার দাবিতে মিছিল ও বিক্ষোভ করে বিএনপির একাংশ। বিক্ষোভ শেষে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আ ক ম মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগের দোসর কিরণের কারণে আমাদের নেতা প্রয়াত মান্নান (গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র) মেয়র নির্বাচিত হয়েও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। আমরা এই খুনি, দোসর কিরণের ফাঁসি চাই।’

গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনকারীদের হামলা ও হত্যাচেষ্টার পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড আবেদনসহ আসাদুর রহমান কিরণকে গাজীপুর মহানগর আদালত-৫-এ নিয়ে হাজির করা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ১২ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করে আসামিকে কারাগারে নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কড়া প্রহরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আসাদুর রহমান কিরণ গত ১৮ নভেম্বর যশোর জেলার সীমান্ত থেকে ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবির হাতে আটক হন। ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে যশোরে একটি মামলাও হয়। এ ছাড়া কিরণের নামে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী, সদর, গাছা থানা ও ঢাকার উত্তরাসহ বিভিন্ন থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে হামলা, খুন ও আহত করার ঘটনায় সাতটি মামলা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে