
গাজীপুরের শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করার পরদিন শ্রমিক লীগ নেতা মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫) পালিয়ে যান। থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার এ ঘটনার পর পুলিশ তাঁর ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে। গত বুধবার রাতে পুলিশ তাঁদের আটক করে। এদিকে রফিকুলের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের মানসিকভাবে নির্যাতন করছে।
থানা হেফাজত থেকে পলাতক মো. রফিকুল ইসলাম শ্রীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি। পরে আটক তিনজন হলেন তাঁর ছেলে জাহিদ হাসান, জাহিদের মামির ভাইয়ের ছেলে সিয়াম ও সিয়ামের প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম।
রফিকুল ইসলামের বড় ভাই জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার ভাই ধানখেত দেখতে যায়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। পরদিন বুধবার সকালে খাবার নিয়ে থানায় যাই। তখন পুলিশ বলে, তাদের কাছে দিতে, তারা পৌঁছে দেবে। পরে পুলিশ আমাদের থানা থেকে বিদায় করে দেয়।’
জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বুধবার রাত ৯টার দিকে রফিকুলের ছেলে জাহিদ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে খাবার দিতে যাই। রাত ১০টা পর্যন্ত থানায় বসে থেকে জাহিদের কাছে খাবার রেখে চলে আসি। রাত ১১টার দিকে জাহিদ বাড়ি আসে। রাত ১২টার সময় ১২ জন পুলিশ এসে পরিবারের সাতজনকে একটি ঘরে আটকে রেখে সব ঘরে তল্লাশি চালায়। কিন্তু কিছু না পেয়ে পুলিশ বলে, থানা থেকে রফিকুল পালিয়েছে। পালিয়ে সে নাকি বাড়িতে এসেছে। এখন দ্রুত তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে। তারা মরলে নাকি আমাদের সবাইকে নিয়ে মরবে। পুলিশ বলে, “তাকে তো আমরা টর্চার করিনি। তাহলে কেন থানা থেকে পালাল?”
রফিকুল ইসলামের বড় ভাই বলেন, ‘এরপর ভাতিজা জাহিদ হাসানকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। জাহিদকে নিয়ে পাশের বরমী ইউনিয়নের তাঁতীসুতা গ্রামে তার নানার বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে রফিকুলকে না পেয়ে প্রবাসী রুহুল আমিনের স্ত্রী জাহিদের মামি জেসমিনকে হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তুলে তাঁর ভাই সাইফুল ইসলামের ছেলে সিয়াম (১৮) ও প্রতিবেশী বিল্লাল হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলামকে (২৫) আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাঁতীসুতা নতুন বাজার এলাকায় এসে জাহিদের মামি জেসমিনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘গোলাগুলির ঘটনার পর থেকে পুলিশ খুবই মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের পরিবারের সদস্যদের চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করে নিয়ে গেছে।’
রফিকের ভাইয়ের মেয়ে ফাতেমা খাতুন বলেন, ‘রাত ১২টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত আমাদের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ হুমকি দিয়ে গেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন চাচাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ চাচাকে আটক করে নিয়ে গেছে। এরপর থেকে চাচা কী অবস্থায় আছে কোথায় আছে আমরা জানি না।’
আটক জাহিদের মামি জেসমিন আক্তার বলেন, ‘রাত ১টার কিছু পরে পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাড়ির গেট খুলতে বলা হয়। বাড়ির গেট খোলার পর রফিকুল ইসলামের বিষয়ে জানতে চেয়ে আমাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। রাত ৩টার সময় আমাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।’
আটক সিয়ামের চাচা রায়হান বলেন, ‘মূল অভিযুক্ত আমাদের কেউ না, আমরা তাকে চিনিও না। সিয়াম রাতে তার ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় পুলিশ পরিচয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলে। এত রাতে পুলিশ পরিচয় দেওয়ায় সিয়াম ভয় পেয়ে পাশের বাড়ির চাচাকে ফোনে বিষয়টি জানায়। পরে চাচা প্রশাসনের লোক হলে দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুললে সিয়ামকে পুলিশ বলে, সে নাকি ফোন করে মূল অভিযুক্তকে সরিয়ে দিয়েছে। এখন তার আত্মীয়ের বাড়ি নিয়ে যেতে বলে। এই কথা বলে সিয়ামকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।’
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলির ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করবেন না প্লিজ!’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী সফিকুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া থানা থেকে আসামি পালানোর কোনো সুযোগ নেই। এমন হয়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ৩টার দিকে মোটরসাইকেলযোগে পাঁচজন দুর্বৃত্ত এসে আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম মোল্লার বাড়িতে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

গাজীপুরের শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করার পরদিন শ্রমিক লীগ নেতা মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫) পালিয়ে যান। থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার এ ঘটনার পর পুলিশ তাঁর ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে। গত বুধবার রাতে পুলিশ তাঁদের আটক করে। এদিকে রফিকুলের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের মানসিকভাবে নির্যাতন করছে।
থানা হেফাজত থেকে পলাতক মো. রফিকুল ইসলাম শ্রীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি। পরে আটক তিনজন হলেন তাঁর ছেলে জাহিদ হাসান, জাহিদের মামির ভাইয়ের ছেলে সিয়াম ও সিয়ামের প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম।
রফিকুল ইসলামের বড় ভাই জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার ভাই ধানখেত দেখতে যায়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। পরদিন বুধবার সকালে খাবার নিয়ে থানায় যাই। তখন পুলিশ বলে, তাদের কাছে দিতে, তারা পৌঁছে দেবে। পরে পুলিশ আমাদের থানা থেকে বিদায় করে দেয়।’
জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বুধবার রাত ৯টার দিকে রফিকুলের ছেলে জাহিদ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে খাবার দিতে যাই। রাত ১০টা পর্যন্ত থানায় বসে থেকে জাহিদের কাছে খাবার রেখে চলে আসি। রাত ১১টার দিকে জাহিদ বাড়ি আসে। রাত ১২টার সময় ১২ জন পুলিশ এসে পরিবারের সাতজনকে একটি ঘরে আটকে রেখে সব ঘরে তল্লাশি চালায়। কিন্তু কিছু না পেয়ে পুলিশ বলে, থানা থেকে রফিকুল পালিয়েছে। পালিয়ে সে নাকি বাড়িতে এসেছে। এখন দ্রুত তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে। তারা মরলে নাকি আমাদের সবাইকে নিয়ে মরবে। পুলিশ বলে, “তাকে তো আমরা টর্চার করিনি। তাহলে কেন থানা থেকে পালাল?”
রফিকুল ইসলামের বড় ভাই বলেন, ‘এরপর ভাতিজা জাহিদ হাসানকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। জাহিদকে নিয়ে পাশের বরমী ইউনিয়নের তাঁতীসুতা গ্রামে তার নানার বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে রফিকুলকে না পেয়ে প্রবাসী রুহুল আমিনের স্ত্রী জাহিদের মামি জেসমিনকে হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তুলে তাঁর ভাই সাইফুল ইসলামের ছেলে সিয়াম (১৮) ও প্রতিবেশী বিল্লাল হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলামকে (২৫) আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাঁতীসুতা নতুন বাজার এলাকায় এসে জাহিদের মামি জেসমিনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘গোলাগুলির ঘটনার পর থেকে পুলিশ খুবই মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের পরিবারের সদস্যদের চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করে নিয়ে গেছে।’
রফিকের ভাইয়ের মেয়ে ফাতেমা খাতুন বলেন, ‘রাত ১২টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত আমাদের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ হুমকি দিয়ে গেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন চাচাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ চাচাকে আটক করে নিয়ে গেছে। এরপর থেকে চাচা কী অবস্থায় আছে কোথায় আছে আমরা জানি না।’
আটক জাহিদের মামি জেসমিন আক্তার বলেন, ‘রাত ১টার কিছু পরে পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাড়ির গেট খুলতে বলা হয়। বাড়ির গেট খোলার পর রফিকুল ইসলামের বিষয়ে জানতে চেয়ে আমাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। রাত ৩টার সময় আমাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।’
আটক সিয়ামের চাচা রায়হান বলেন, ‘মূল অভিযুক্ত আমাদের কেউ না, আমরা তাকে চিনিও না। সিয়াম রাতে তার ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় পুলিশ পরিচয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলে। এত রাতে পুলিশ পরিচয় দেওয়ায় সিয়াম ভয় পেয়ে পাশের বাড়ির চাচাকে ফোনে বিষয়টি জানায়। পরে চাচা প্রশাসনের লোক হলে দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুললে সিয়ামকে পুলিশ বলে, সে নাকি ফোন করে মূল অভিযুক্তকে সরিয়ে দিয়েছে। এখন তার আত্মীয়ের বাড়ি নিয়ে যেতে বলে। এই কথা বলে সিয়ামকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।’
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলির ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করবেন না প্লিজ!’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী সফিকুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া থানা থেকে আসামি পালানোর কোনো সুযোগ নেই। এমন হয়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ৩টার দিকে মোটরসাইকেলযোগে পাঁচজন দুর্বৃত্ত এসে আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম মোল্লার বাড়িতে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
২৫ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে