গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির জমির জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে এই জঘন্য কাজের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। সেই সঙ্গে ওই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে তার প্রাপ্য জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার কামালের পাড়া বাজারে এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নবজ আলী ওরফে নবর আলী নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধীর ১ একর ৩৬ শতক জমির সম্পাদিত জাল দলিল বাতিলসহ ওই দলিল সম্পাদনকারী সাব-রেজিস্ট্রার, দলিল লেখক, সাক্ষী ও শনাক্তকারীসহ ৬ জনের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
বক্তারা আরও বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাব-রেজিস্ট্রার, দলিল লেখক, সাক্ষী ও শনাক্তকারী মিলে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ওই জমির দলিল সম্পাদন করে অমানবিক, ন্যক্কারজনক ও জঘন্যতম ঘটনার উদ্ভব ঘটিয়েছে। এলাকাবাসী হিসেবে আমরা এর প্রতিকার চাই।
পাশাপাশি ওই জাল দলিল বাতিল ও দলিল সম্পাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
জাল দলিল সম্পাদনের ঘটনায় ফেব্রুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে গাইবান্ধা যুগ্ম জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন নবজ আলী ওরফে নবর আলীসহ তার ভাই-ভাতিজা চারজন।
মামলার আসামিরা হলেন—জমি গ্রহীতা হাফিজুর রহমান, রায়হান পারভেজ নয়ন, মো. আশরাফুল আলম, এমরান হোসেন, মাহমুদুল হাসান, সাব-রেজিস্ট্রার মিরাজ মোর্শেদ।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন—গাইবান্ধা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ, আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুল বাশার রুবেল, সাঘাটা উপজেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, আব্দুল মান্নান, জমি গ্রহীতার মা ফজিলাতুন্নেছাসহ অনেকেই।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির জমির জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে এই জঘন্য কাজের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। সেই সঙ্গে ওই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে তার প্রাপ্য জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার কামালের পাড়া বাজারে এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নবজ আলী ওরফে নবর আলী নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধীর ১ একর ৩৬ শতক জমির সম্পাদিত জাল দলিল বাতিলসহ ওই দলিল সম্পাদনকারী সাব-রেজিস্ট্রার, দলিল লেখক, সাক্ষী ও শনাক্তকারীসহ ৬ জনের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
বক্তারা আরও বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাব-রেজিস্ট্রার, দলিল লেখক, সাক্ষী ও শনাক্তকারী মিলে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ওই জমির দলিল সম্পাদন করে অমানবিক, ন্যক্কারজনক ও জঘন্যতম ঘটনার উদ্ভব ঘটিয়েছে। এলাকাবাসী হিসেবে আমরা এর প্রতিকার চাই।
পাশাপাশি ওই জাল দলিল বাতিল ও দলিল সম্পাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
জাল দলিল সম্পাদনের ঘটনায় ফেব্রুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে গাইবান্ধা যুগ্ম জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন নবজ আলী ওরফে নবর আলীসহ তার ভাই-ভাতিজা চারজন।
মামলার আসামিরা হলেন—জমি গ্রহীতা হাফিজুর রহমান, রায়হান পারভেজ নয়ন, মো. আশরাফুল আলম, এমরান হোসেন, মাহমুদুল হাসান, সাব-রেজিস্ট্রার মিরাজ মোর্শেদ।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন—গাইবান্ধা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ, আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুল বাশার রুবেল, সাঘাটা উপজেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, আব্দুল মান্নান, জমি গ্রহীতার মা ফজিলাতুন্নেছাসহ অনেকেই।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২২ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৬ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৩৭ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে