সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার শাখা নদীর ওপর নির্মাণাধীন এক সেতুর পিলার দেবে গেছে। ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে সেতুর মাঝখানের ৪টি সিসি পিলার দেবে গেছে। উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের বেলকা খেয়াঘাটে সেতুটির অবস্থান। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদার ও সেতু নির্মাণের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গাফিলতির কারণেই সেতুর এ অবস্থা।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্র জানায়, কাজটা ছিল ২০২২-২৩ অর্থ বছরের। ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য আর প্রস্থে ছিল ৬ মিটার। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দে ব্যয় ধরা আছে ৩০ লাখ টাকা। এ কাজের দায়িত্ব পায় জেলার সাঘাটা উপজেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছানা এন্টারপ্রাইজ। ২০২২ সালের আগস্ট মাসে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের মে মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
ওই ইউনিয়নের মধ্য বেলকা গ্রামের মৃত আবদুল খালেক সরকারের ছেলে মো. আবদুর রাজ্জাক মিয়া বলেন, ‘এ পথ দিয়েই যাতায়াত আমার। সে কারণে কাজটা কী ধরনের হয়েছে বিষয়গুলো আমার জানা আছে। ঠিকাদার ও তাঁর লোকজন পিলারের গোড়া মাটির খুব একটা গভীরে দেয়নি। সে কারণে পিলার দেবে গেছে।’
স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, ‘পিলারের গোড়া বেশি গভীরে দেয়নি। এ বিষয়ে বারবার তাঁদের বলাও হয়েছে। কিন্তু তাঁরা কাজ করেছেন মনগড়া। এ কারণে আজ এ অবস্থা। দুর্ভোগ আমাদের থেকেই গেল!’
বেলকা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ বলেন, ‘এখানে সেতু নির্মাণের দাবিটা ছিল দীর্ঘদিনের। নির্মাণকাজ দেখে খুশিও হয়েছিল নদীর দুপাশে লোকজন। কিন্তু হঠাৎ সেতুটি পিলার দেবে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেল।’
‘গত কয়েক দিন থেকে নদীতে প্রবল স্রোত দেখা দিয়েছে। সে কারণে খুঁটির নিচ থেকে বালু সরে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে খুঁটির গভীরতা বেশি দিলে হয়তো আজ এ অবস্থা হতো না।’ যুক্ত করেন চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ।
এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছানা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. ছানা মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মান্নাফ বলেন, ‘সিসি পিলার দেবে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। খোঁজ নিয়ে দেখছি। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার শাখা নদীর ওপর নির্মাণাধীন এক সেতুর পিলার দেবে গেছে। ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে সেতুর মাঝখানের ৪টি সিসি পিলার দেবে গেছে। উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের বেলকা খেয়াঘাটে সেতুটির অবস্থান। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদার ও সেতু নির্মাণের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গাফিলতির কারণেই সেতুর এ অবস্থা।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্র জানায়, কাজটা ছিল ২০২২-২৩ অর্থ বছরের। ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য আর প্রস্থে ছিল ৬ মিটার। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দে ব্যয় ধরা আছে ৩০ লাখ টাকা। এ কাজের দায়িত্ব পায় জেলার সাঘাটা উপজেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছানা এন্টারপ্রাইজ। ২০২২ সালের আগস্ট মাসে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের মে মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
ওই ইউনিয়নের মধ্য বেলকা গ্রামের মৃত আবদুল খালেক সরকারের ছেলে মো. আবদুর রাজ্জাক মিয়া বলেন, ‘এ পথ দিয়েই যাতায়াত আমার। সে কারণে কাজটা কী ধরনের হয়েছে বিষয়গুলো আমার জানা আছে। ঠিকাদার ও তাঁর লোকজন পিলারের গোড়া মাটির খুব একটা গভীরে দেয়নি। সে কারণে পিলার দেবে গেছে।’
স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, ‘পিলারের গোড়া বেশি গভীরে দেয়নি। এ বিষয়ে বারবার তাঁদের বলাও হয়েছে। কিন্তু তাঁরা কাজ করেছেন মনগড়া। এ কারণে আজ এ অবস্থা। দুর্ভোগ আমাদের থেকেই গেল!’
বেলকা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ বলেন, ‘এখানে সেতু নির্মাণের দাবিটা ছিল দীর্ঘদিনের। নির্মাণকাজ দেখে খুশিও হয়েছিল নদীর দুপাশে লোকজন। কিন্তু হঠাৎ সেতুটি পিলার দেবে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেল।’
‘গত কয়েক দিন থেকে নদীতে প্রবল স্রোত দেখা দিয়েছে। সে কারণে খুঁটির নিচ থেকে বালু সরে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে খুঁটির গভীরতা বেশি দিলে হয়তো আজ এ অবস্থা হতো না।’ যুক্ত করেন চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ।
এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছানা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. ছানা মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মান্নাফ বলেন, ‘সিসি পিলার দেবে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। খোঁজ নিয়ে দেখছি। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে