পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শ্যামলী আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে জবরদখল, মামলা ও হামলার অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ভুক্তভোগী কয়েকটি সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত স্থানীয় চৌমাথা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সংগঠনগুলো হলো, গাইবান্ধা জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ, উপজেলা ছাত্রলীগ, তাঁতি লীগ, উপজেলা নর সুন্দর ও পার্লার শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলা ফুটবল কোচিং একাডেমি, উপজেলা লেবার শ্রমিক ইউনিয়নসহ অন্য সংগঠনগুলো।
এতে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সোবহান বিচ্চু, পলাশবাড়ী কোচিং একাডেমির কোচ সুরুজ হক লিটন, উপজেলা মহিলা লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উম্মে হানী, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি নির্মল মিত্র প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, পৌরশহরের নুনিয়াগাড়ি গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজার রহমানের মেয়ে শ্যামলী আক্তার একজন মামলাবাজ নারী। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিবেশী-সরকারি জমি জবরদখলসহ হামলা হামলা-ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করে আসছেন। বিষয়টি সবাই অবগত থাকলেও মান সম্মানের ভয়ে কেউ কিছু করার সাহস পান না। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
শেষে প্রায় ১৫ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন আন্দোলন কারীরা। এ সময় পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করেন তারা।
এ ব্যাপারে শ্যামলী আক্তার জানান, কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পরিকল্পিত ভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
পলাশবাড়ীর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রানা বলেন, ‘দ্রুত আন্দোলনকারীদের শান্ত করায় একটু পরেই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তাদের অভিযোগ সমূহ যাচাই-বাছাই করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শ্যামলী আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে জবরদখল, মামলা ও হামলার অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ভুক্তভোগী কয়েকটি সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত স্থানীয় চৌমাথা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সংগঠনগুলো হলো, গাইবান্ধা জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ, উপজেলা ছাত্রলীগ, তাঁতি লীগ, উপজেলা নর সুন্দর ও পার্লার শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলা ফুটবল কোচিং একাডেমি, উপজেলা লেবার শ্রমিক ইউনিয়নসহ অন্য সংগঠনগুলো।
এতে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সোবহান বিচ্চু, পলাশবাড়ী কোচিং একাডেমির কোচ সুরুজ হক লিটন, উপজেলা মহিলা লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উম্মে হানী, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি নির্মল মিত্র প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, পৌরশহরের নুনিয়াগাড়ি গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজার রহমানের মেয়ে শ্যামলী আক্তার একজন মামলাবাজ নারী। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিবেশী-সরকারি জমি জবরদখলসহ হামলা হামলা-ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করে আসছেন। বিষয়টি সবাই অবগত থাকলেও মান সম্মানের ভয়ে কেউ কিছু করার সাহস পান না। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
শেষে প্রায় ১৫ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন আন্দোলন কারীরা। এ সময় পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করেন তারা।
এ ব্যাপারে শ্যামলী আক্তার জানান, কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পরিকল্পিত ভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
পলাশবাড়ীর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রানা বলেন, ‘দ্রুত আন্দোলনকারীদের শান্ত করায় একটু পরেই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তাদের অভিযোগ সমূহ যাচাই-বাছাই করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে