ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

সারা দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবার দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা। বছরের শুরুতেই তাঁদের সন্তানদের হাতে নতুন বই পৌঁছানোর কথা থাকলেও এখনো বই পায়নি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছাপাখানা থেকে বই না পাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে পড়ালেখা থেকে এবং অভিভাবকেরা রয়েছেন বিপাকে।
জানা যায়, নতুন শিক্ষাবর্ষের এক মাস অতিবাহিত হতে চললেও ফুলছড়ি উপজেলার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখনো নতুন বছরের কোনো বই পায়নি। পঞ্চম শ্রেণি ছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ইংরেজি, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা গণিত ও বিজ্ঞান বই হাতে পায়নি। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ১৪টি বইয়ের মধ্যে একটি, সপ্তম শ্রেণির ১৪টি বইয়ের মধ্যে ৭টি ছাড়া অন্য বইগুলো এখনো শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয়নি।
এ বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, ছাপাখানা থেকে বই সরবরাহ না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বই সরবরাহ করা হলে যেভাবেই হোক শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এসএম কামরুজ্জামান বলেন, ‘ছাপাখানা থেকে বই পেতে বিলম্ব হওয়ায় কিছু শিক্ষার্থী বই পায়নি। আমরা ছাপাখানার লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। বই সরবরাহ পেলে যেভাবেই হোক শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে।’
উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক অফিস সূত্রে জানা যায়, ফুলছড়ি উপজেলার ১২৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৮টি কিন্ডারগার্টেন,২টি এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয় ও ১৯টি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মনিরুল হাসান বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী নতুন বই না পাওয়ায় বই দিতে বিলম্ব হচ্ছে। এরই মধ্যে আরও কিছু বই এসেছে, যেগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

সারা দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবার দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা। বছরের শুরুতেই তাঁদের সন্তানদের হাতে নতুন বই পৌঁছানোর কথা থাকলেও এখনো বই পায়নি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছাপাখানা থেকে বই না পাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে পড়ালেখা থেকে এবং অভিভাবকেরা রয়েছেন বিপাকে।
জানা যায়, নতুন শিক্ষাবর্ষের এক মাস অতিবাহিত হতে চললেও ফুলছড়ি উপজেলার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখনো নতুন বছরের কোনো বই পায়নি। পঞ্চম শ্রেণি ছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ইংরেজি, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা গণিত ও বিজ্ঞান বই হাতে পায়নি। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ১৪টি বইয়ের মধ্যে একটি, সপ্তম শ্রেণির ১৪টি বইয়ের মধ্যে ৭টি ছাড়া অন্য বইগুলো এখনো শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয়নি।
এ বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, ছাপাখানা থেকে বই সরবরাহ না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বই সরবরাহ করা হলে যেভাবেই হোক শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এসএম কামরুজ্জামান বলেন, ‘ছাপাখানা থেকে বই পেতে বিলম্ব হওয়ায় কিছু শিক্ষার্থী বই পায়নি। আমরা ছাপাখানার লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। বই সরবরাহ পেলে যেভাবেই হোক শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে।’
উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক অফিস সূত্রে জানা যায়, ফুলছড়ি উপজেলার ১২৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৮টি কিন্ডারগার্টেন,২টি এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয় ও ১৯টি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মনিরুল হাসান বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী নতুন বই না পাওয়ায় বই দিতে বিলম্ব হচ্ছে। এরই মধ্যে আরও কিছু বই এসেছে, যেগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে