পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

খেলতে গিয়ে নিখোঁজের চব্বিশ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা বালুখোলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী তাহারুল ব্যাপারীর চার বছরের ছেলে বায়োজিদের। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বায়োজিদের সন্ধানে পলাশবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার মা রায়হানা বেগম। এর আগে গতকাল সোমবার বিকেল ৩টার দিকে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে।
এদিকে শিশু বায়োজিদকে ফিরে পেতে তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নে মাইকিং করা হয়েছে। শিশু বায়োজিদকে খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার। এমন ছোট শিশুর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না পরিবারসহ এলাকাবাসী। মা রায়হানা বেগমও ছেলে হারানোর শোকে কাতর হয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
পরিবার জানিয়েছে, গতকাল বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে যায় শিশু বায়োজিদ। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরে না আসায় আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য স্থানগুলোতে খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গতকালই হরিনাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানো হয়েছে। পরে রাতে পুলিশ এসে সম্ভাব্য স্থানগুলোতে খুঁজে দেখে। আজ এ ঘটনায় দুপুরে গিয়ে পলাশবাড়ী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে।
নিখোঁজ বায়োজিদের মা রায়হানা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বায়োজিদ প্রতিদিনই বাড়ির পাশে খেলতে যেত। আবার কিছুক্ষণ পর ফিরে আসত। কিন্তু গতকাল আর ফেরেনি। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও আমার বায়োজিদের কোনো সন্ধান পাইনি আমরা। দুশ্চিন্তায় আমাদের সবার খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়েছে। আত্মীয়স্বজন সবাই বিভিন্নভাবে তার খোঁজ করছে। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।’
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) দিবাকর অধিকারী বলেন, ‘গতকালই আমরা শিশু নিখোঁজের বিষয়টি শুনেছি। আজ নিখোঁজ ডায়েরি পেয়েছি। শিশু বায়োজিদের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হচ্ছে।’

খেলতে গিয়ে নিখোঁজের চব্বিশ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা বালুখোলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী তাহারুল ব্যাপারীর চার বছরের ছেলে বায়োজিদের। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বায়োজিদের সন্ধানে পলাশবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার মা রায়হানা বেগম। এর আগে গতকাল সোমবার বিকেল ৩টার দিকে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে।
এদিকে শিশু বায়োজিদকে ফিরে পেতে তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নে মাইকিং করা হয়েছে। শিশু বায়োজিদকে খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার। এমন ছোট শিশুর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না পরিবারসহ এলাকাবাসী। মা রায়হানা বেগমও ছেলে হারানোর শোকে কাতর হয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
পরিবার জানিয়েছে, গতকাল বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে যায় শিশু বায়োজিদ। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরে না আসায় আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য স্থানগুলোতে খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গতকালই হরিনাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানো হয়েছে। পরে রাতে পুলিশ এসে সম্ভাব্য স্থানগুলোতে খুঁজে দেখে। আজ এ ঘটনায় দুপুরে গিয়ে পলাশবাড়ী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে।
নিখোঁজ বায়োজিদের মা রায়হানা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বায়োজিদ প্রতিদিনই বাড়ির পাশে খেলতে যেত। আবার কিছুক্ষণ পর ফিরে আসত। কিন্তু গতকাল আর ফেরেনি। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও আমার বায়োজিদের কোনো সন্ধান পাইনি আমরা। দুশ্চিন্তায় আমাদের সবার খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়েছে। আত্মীয়স্বজন সবাই বিভিন্নভাবে তার খোঁজ করছে। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।’
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) দিবাকর অধিকারী বলেন, ‘গতকালই আমরা শিশু নিখোঁজের বিষয়টি শুনেছি। আজ নিখোঁজ ডায়েরি পেয়েছি। শিশু বায়োজিদের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হচ্ছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে