সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা স্কাউটসের তিন দিনব্যাপী সমাবেশের সমাপনী অনুষ্ঠান বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন শুরু করে বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গানের প্রথম কলি শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন অতিথিরা। পরে তাঁরা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা স্কাউটের সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনা। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আয়োজকদের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বলে জানা গেছে।
স্কাউটসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ ডি এম মঞ্জুরুল আহসান, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি নাজমুল করিম দুলাল, ওসমানীয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি মোর্শেদ আলম সেলিম। এতে জেলা ও উপজেলা স্কাউটের কর্মকর্তা, শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে কী কারণে এমনটি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মঞ্জুরুল আহসানকে নির্দেশ দেন।
উপজেলা স্কাউটস সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, স্কুলে নৃত্য পরিবেশনা ছিল। গানের শেষ কলিতে ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ বেজে উঠলে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থল থেকে বেরিয়ে যান। পাশাপাশি কেন এমনটি হয়েছে, অতিথিরা সে বিষয়ে বারবার প্রশ্ন করেন।

বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি নাজমুল করিম দুলাল আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘আমাদের অনুষ্ঠান খুব ভালোভাবেই চলছিল। তখন বক্তব্যপর্ব শেষ হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানের চলছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। নৃত্যের শেষ কলিতে গানটি (জয় বাংলা বাংলার জয়) বেজে ওঠে। এত দিন শিক্ষার্থীরা রিহার্সেল (মহড়া) করেছে। বিষয়টি কেন কারও নজরে পড়েনি, সে জন্য দায়িত্বপ্রাপ্তদের বকাঝকা করা হয়।’
আরও খবর পড়ুন:

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা স্কাউটসের তিন দিনব্যাপী সমাবেশের সমাপনী অনুষ্ঠান বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন শুরু করে বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গানের প্রথম কলি শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন অতিথিরা। পরে তাঁরা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা স্কাউটের সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনা। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আয়োজকদের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বলে জানা গেছে।
স্কাউটসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ ডি এম মঞ্জুরুল আহসান, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি নাজমুল করিম দুলাল, ওসমানীয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি মোর্শেদ আলম সেলিম। এতে জেলা ও উপজেলা স্কাউটের কর্মকর্তা, শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে কী কারণে এমনটি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মঞ্জুরুল আহসানকে নির্দেশ দেন।
উপজেলা স্কাউটস সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, স্কুলে নৃত্য পরিবেশনা ছিল। গানের শেষ কলিতে ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ বেজে উঠলে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থল থেকে বেরিয়ে যান। পাশাপাশি কেন এমনটি হয়েছে, অতিথিরা সে বিষয়ে বারবার প্রশ্ন করেন।

বিষ্ণুপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি নাজমুল করিম দুলাল আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘আমাদের অনুষ্ঠান খুব ভালোভাবেই চলছিল। তখন বক্তব্যপর্ব শেষ হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানের চলছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। নৃত্যের শেষ কলিতে গানটি (জয় বাংলা বাংলার জয়) বেজে ওঠে। এত দিন শিক্ষার্থীরা রিহার্সেল (মহড়া) করেছে। বিষয়টি কেন কারও নজরে পড়েনি, সে জন্য দায়িত্বপ্রাপ্তদের বকাঝকা করা হয়।’
আরও খবর পড়ুন:

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৭ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৮ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪৩ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১ ঘণ্টা আগে