ফেনী প্রতিনিধি

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রসূতিদের সংক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলে অস্ত্রোপচারকক্ষের (ওটি) পাশে নার্সদের রান্না ও খাওয়াদাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের ওই কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
আজ শুক্রবার ফেনী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সাইফুল ইসলাম এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. জামাল হোসেনকে। সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. শোয়েব ইমতিয়াজ এবং চিকিৎসা কর্মকর্তা আদনান আহমেদকে সদস্য করা হয়েছে।
এর আগে আজকের পত্রিকায় ‘ওটির পাশেই রান্না-খাওয়া নার্সদের, ঝুঁকিতে প্রসূতিরা’ শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের এক পাশে সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচারকক্ষ (ওটি) এবং অন্য পাশের একটি কক্ষে রাখা হয় প্রসূতিদের। কিন্তু প্রসূতি ও নবজাতকদের সংক্রমণঝুঁকিতে ফেলে স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডের মধ্যে নিয়মিত রান্নাবান্না ও খাওয়াদাওয়া করছেন হাসপাতালের নার্সরা। তাঁরা অস্ত্রোপচারকক্ষের পাশে থাকা একটি কক্ষে গ্যাসের চুলা, হাঁড়ি-পাতিল ও রান্নার সামগ্রী এনে রান্নাবান্না করছেন। তৈরি করে খাচ্ছেন শীতের পিঠাও। রান্নার সময় দরজা খোলা রেখে নার্সরা অবাধে যাতায়াত করছেন অস্ত্রোপচার ও প্রসূতিদের কক্ষে। হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার নুরজাহান, নার্স কল্পনা রানী, হ্যাপী রানী সূত্রধর, সীমা কর্মকার, রত্না বসাক, রানী বালা ও দেলোয়ারা বেগম এই নিয়মিতবহির্ভূত কাজ করে আসছেন।
এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা; যা কাম্য নয়। হাসপাতালের সুনাম ও প্রসূতিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘটনাটির তদন্ত প্রয়োজন। তদন্তে শুধু এ বিষয় নয়, আরও কোনো অনিয়ম আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হবে। কমিটি সঠিকভাবে কাজ করবে বলে আশা রাখছি।’

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রসূতিদের সংক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলে অস্ত্রোপচারকক্ষের (ওটি) পাশে নার্সদের রান্না ও খাওয়াদাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের ওই কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
আজ শুক্রবার ফেনী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সাইফুল ইসলাম এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. জামাল হোসেনকে। সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. শোয়েব ইমতিয়াজ এবং চিকিৎসা কর্মকর্তা আদনান আহমেদকে সদস্য করা হয়েছে।
এর আগে আজকের পত্রিকায় ‘ওটির পাশেই রান্না-খাওয়া নার্সদের, ঝুঁকিতে প্রসূতিরা’ শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের এক পাশে সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচারকক্ষ (ওটি) এবং অন্য পাশের একটি কক্ষে রাখা হয় প্রসূতিদের। কিন্তু প্রসূতি ও নবজাতকদের সংক্রমণঝুঁকিতে ফেলে স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডের মধ্যে নিয়মিত রান্নাবান্না ও খাওয়াদাওয়া করছেন হাসপাতালের নার্সরা। তাঁরা অস্ত্রোপচারকক্ষের পাশে থাকা একটি কক্ষে গ্যাসের চুলা, হাঁড়ি-পাতিল ও রান্নার সামগ্রী এনে রান্নাবান্না করছেন। তৈরি করে খাচ্ছেন শীতের পিঠাও। রান্নার সময় দরজা খোলা রেখে নার্সরা অবাধে যাতায়াত করছেন অস্ত্রোপচার ও প্রসূতিদের কক্ষে। হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার নুরজাহান, নার্স কল্পনা রানী, হ্যাপী রানী সূত্রধর, সীমা কর্মকার, রত্না বসাক, রানী বালা ও দেলোয়ারা বেগম এই নিয়মিতবহির্ভূত কাজ করে আসছেন।
এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা; যা কাম্য নয়। হাসপাতালের সুনাম ও প্রসূতিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘটনাটির তদন্ত প্রয়োজন। তদন্তে শুধু এ বিষয় নয়, আরও কোনো অনিয়ম আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হবে। কমিটি সঠিকভাবে কাজ করবে বলে আশা রাখছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৪ ঘণ্টা আগে
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ডে এক সপ্তাহ ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পানি না থাকায় ওয়ার্ডের কেবিন, ওয়াশরুম ও বাথরুম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে নিচতলা থেকে পানি এনে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হচ্ছে..
৪ ঘণ্টা আগে