ফেনী প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার পরিকল্পনা, রাখাইনের জন্য মানবিক করিডর চালুর চেষ্টা এবং স্টারলিংকের মাধ্যমে ‘সাম্রাজ্যবাদী চক্রের’ আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে বাম গণতান্ত্রিক জোটের রোডমার্চ শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে ফেনী শহরে পৌঁছেছে। এতে অংশ নেওয়া ছয় শতাধিক নেতা-কর্মী ফেনীতে রাতযাপন করছেন।
সকাল ১০টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ‘সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দেশপ্রেমিক জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ হয়ে রাত ৮টার পর কুমিল্লার টাউন হল ময়দানে সমাবেশ হয়। এরপর ফেনীতে গিয়ে প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।
রোডমার্চে সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক পার্টিসহ ছোটবড় অর্ধশতাধিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে রোডমার্চ ফেনী শহরের হাজারী রোডে আমেনা-সিরাজ কনভেনশন হলে পৌঁছায়। সেখানেই রাতযাপন, খাবার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে নেতা-কর্মীরা চট্টগ্রামের দিকে পদযাত্রা শুরু করবেন।
বাসদের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য জয়দেব ভট্টাচার্য বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি। রাখাইন করিডরও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।’
ফেনীর বাসদের সমন্বয়ক জসিম উদ্দিন বলেন, সরকারের দমননীতি ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে এই লংমার্চ দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতিবাদ।
ফেনীতে রোডমার্চ পৌঁছালে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ফুল ও ব্যানার নিয়ে তাঁদের বরণ করে নেন। আমেনা-সিরাজ হলে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন স্থানীয় বাম নেতারা।

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার পরিকল্পনা, রাখাইনের জন্য মানবিক করিডর চালুর চেষ্টা এবং স্টারলিংকের মাধ্যমে ‘সাম্রাজ্যবাদী চক্রের’ আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে বাম গণতান্ত্রিক জোটের রোডমার্চ শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে ফেনী শহরে পৌঁছেছে। এতে অংশ নেওয়া ছয় শতাধিক নেতা-কর্মী ফেনীতে রাতযাপন করছেন।
সকাল ১০টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ‘সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দেশপ্রেমিক জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ হয়ে রাত ৮টার পর কুমিল্লার টাউন হল ময়দানে সমাবেশ হয়। এরপর ফেনীতে গিয়ে প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।
রোডমার্চে সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক পার্টিসহ ছোটবড় অর্ধশতাধিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে রোডমার্চ ফেনী শহরের হাজারী রোডে আমেনা-সিরাজ কনভেনশন হলে পৌঁছায়। সেখানেই রাতযাপন, খাবার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে নেতা-কর্মীরা চট্টগ্রামের দিকে পদযাত্রা শুরু করবেন।
বাসদের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য জয়দেব ভট্টাচার্য বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি। রাখাইন করিডরও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।’
ফেনীর বাসদের সমন্বয়ক জসিম উদ্দিন বলেন, সরকারের দমননীতি ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে এই লংমার্চ দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতিবাদ।
ফেনীতে রোডমার্চ পৌঁছালে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ফুল ও ব্যানার নিয়ে তাঁদের বরণ করে নেন। আমেনা-সিরাজ হলে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন স্থানীয় বাম নেতারা।

চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার–দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
১৮ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৫ ঘণ্টা আগে