ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যুবক শাকিল মিয়াকে (২২) ইতালি নেওয়ার কথা বলে লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতন করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শাকিল (২৮) উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের বাসিন্দা। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে সালথা থানায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সালথা থানায় জিম্মি শাকিলের বাবা মো. টুটুল মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন একই গ্রামের লিবিয়াপ্রবাসী মুকুল ঠাকুর, তাঁর স্ত্রী নাসি বেগম, মেয়ে জামাই শাকিল (ছাত্রলীগ নেতা) এবং চার ভাই, আকরাম ঠাকুর, বকুল ঠাকুর, জামান ঠাকুর ও মোকিবুল ঠাকুর। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ওসি বলেন, ‘শাকিলকে লিবিয়ায় জিম্মি করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনা চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর তাঁর বাবা গতকাল একটি মামলা করেছে। পরে মূল অভিযুক্ত মুকুল ঠাকুরের মেয়ের জামাই শাকিলকে আজ সকালে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
ওসি আরও বলেন, ‘আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি, সে অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি এবং শাকিলকে উদ্ধারের জন্য অতি শিগগিরই আমাদের জোর তৎপরতা শুরু হবে।’
এ নিয়ে ২৪ মার্চ ‘আব্বা আরও ১৫ লাখ টাকা দিতেই হবে, নাইলে মাইর্যা ফেলবে—মানব পাচারের শিকার ইতালিগামী যুবকের ফোন’ শিরোনামে আজকের পত্রিকায় অনলাইন ও প্রিন্টে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শাকিলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুকুল ঠাকুরের প্ররোচনায় ১২ লাখ টাকায় লিবিয়া হয়ে ইতালি যেতে চান শাকিল। পরে গত ৪ জানুয়ারি প্রথমে শাকিলকে ভারতে নেওয়া হয়। পরে দুবাই হয়ে ১৪ জানুয়ারি লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে একটি ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছিল। কয়েক দিন স্বাভাবিক কথাবার্তাও চলে। এরপর ১১ মার্চ থেকে তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন শুরু হয় এবং মুক্তিপণের জন্য আরও ১৫ লাখ টাকা দাবি করছে চক্রটি।
প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে টাকার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে আজ বিকেলে শাকিলের বাবা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। এমনকি মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, ‘ইতালি পাঠানোর উদ্দেশ্যে শাকিল মিয়াসহ মোট চারজনকে মুকুল ঠাকুর লিবিয়া নেয়। এর মধ্যে তিনজন লিবিয়াতে মুকুল ঠাকুরের বাসায় আছে এবং আমার ছেলে লিবিয়া থেকে ইতালিতে যাওয়ার গেমে লিবিয়া পুলিশের কাছে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে লিবিয়া পুলিশ মাফিয়া চক্রের কাছে আমার ছেলে শাকিল মিয়াকে হস্তান্তর করে দেয়। উক্ত মাফিয়া চক্র আমার ছেলের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মুকুলের মাধ্যমেই টাকা চাচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা মুকুলের ভাইয়েরা আমার কাছে সেই টাকা সংগ্রহ করে লিবিয়ায় পাঠানোর জন্য বারবার চাপ প্রয়োগ করছে।’
এজাহারে আরও উল্লেখ রয়েছে, ‘লিবিয়ার মাফিয়ারা আমার সঙ্গে ইমোতে যোগাযোগ করে আমার ছেলে শাকিলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। অন্যথায় তারা আমার ছেলেকে মারপিটসহ বড় ধরনের ক্ষতি করবে মর্মে হুমকি দেয় এবং দ্রুত টাকা পরিশোধ করার জন্য বারবার চাপ দিচ্ছে।’

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যুবক শাকিল মিয়াকে (২২) ইতালি নেওয়ার কথা বলে লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতন করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শাকিল (২৮) উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের বাসিন্দা। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে সালথা থানায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সালথা থানায় জিম্মি শাকিলের বাবা মো. টুটুল মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন একই গ্রামের লিবিয়াপ্রবাসী মুকুল ঠাকুর, তাঁর স্ত্রী নাসি বেগম, মেয়ে জামাই শাকিল (ছাত্রলীগ নেতা) এবং চার ভাই, আকরাম ঠাকুর, বকুল ঠাকুর, জামান ঠাকুর ও মোকিবুল ঠাকুর। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ওসি বলেন, ‘শাকিলকে লিবিয়ায় জিম্মি করে নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনা চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর তাঁর বাবা গতকাল একটি মামলা করেছে। পরে মূল অভিযুক্ত মুকুল ঠাকুরের মেয়ের জামাই শাকিলকে আজ সকালে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
ওসি আরও বলেন, ‘আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি, সে অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি এবং শাকিলকে উদ্ধারের জন্য অতি শিগগিরই আমাদের জোর তৎপরতা শুরু হবে।’
এ নিয়ে ২৪ মার্চ ‘আব্বা আরও ১৫ লাখ টাকা দিতেই হবে, নাইলে মাইর্যা ফেলবে—মানব পাচারের শিকার ইতালিগামী যুবকের ফোন’ শিরোনামে আজকের পত্রিকায় অনলাইন ও প্রিন্টে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শাকিলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুকুল ঠাকুরের প্ররোচনায় ১২ লাখ টাকায় লিবিয়া হয়ে ইতালি যেতে চান শাকিল। পরে গত ৪ জানুয়ারি প্রথমে শাকিলকে ভারতে নেওয়া হয়। পরে দুবাই হয়ে ১৪ জানুয়ারি লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে একটি ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছিল। কয়েক দিন স্বাভাবিক কথাবার্তাও চলে। এরপর ১১ মার্চ থেকে তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন শুরু হয় এবং মুক্তিপণের জন্য আরও ১৫ লাখ টাকা দাবি করছে চক্রটি।
প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে টাকার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে আজ বিকেলে শাকিলের বাবা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। এমনকি মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, ‘ইতালি পাঠানোর উদ্দেশ্যে শাকিল মিয়াসহ মোট চারজনকে মুকুল ঠাকুর লিবিয়া নেয়। এর মধ্যে তিনজন লিবিয়াতে মুকুল ঠাকুরের বাসায় আছে এবং আমার ছেলে লিবিয়া থেকে ইতালিতে যাওয়ার গেমে লিবিয়া পুলিশের কাছে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে লিবিয়া পুলিশ মাফিয়া চক্রের কাছে আমার ছেলে শাকিল মিয়াকে হস্তান্তর করে দেয়। উক্ত মাফিয়া চক্র আমার ছেলের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মুকুলের মাধ্যমেই টাকা চাচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা মুকুলের ভাইয়েরা আমার কাছে সেই টাকা সংগ্রহ করে লিবিয়ায় পাঠানোর জন্য বারবার চাপ প্রয়োগ করছে।’
এজাহারে আরও উল্লেখ রয়েছে, ‘লিবিয়ার মাফিয়ারা আমার সঙ্গে ইমোতে যোগাযোগ করে আমার ছেলে শাকিলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। অন্যথায় তারা আমার ছেলেকে মারপিটসহ বড় ধরনের ক্ষতি করবে মর্মে হুমকি দেয় এবং দ্রুত টাকা পরিশোধ করার জন্য বারবার চাপ দিচ্ছে।’

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৬ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১১ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৫ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে