ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সেনহাটি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা বলছে, গ্রাম্য দলাদলি ও দলীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে উপজেলার সেনহাটি গ্রামের কবির মল্লিক ও তাঁর প্রতিপক্ষ একই গ্রামের দোলোয়ার মেম্বারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। কবির মল্লিক জেলে থাকায় তাঁর পক্ষে নেতৃত্ব দেয় বড় ভাই মোহাম্মদ মল্লিক। এই বিরোধের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দেলোয়ারের সমর্থক স্থানীয় গ্রাম্য মাতুব্বর, ফাগু মাতুব্বরের বাড়িতে দল পক্ষ নিয়ে মিটিং করা হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাগু মাতুব্বর ও ফরিদ নামের একজনকে আটক করে। ফাগু মাতুব্বর জামিনে আসলে এলাকা উত্তেজিত হয়।
সন্ধ্যায় পাশের গৌড়দিয়া বাজারে দুই পক্ষ একত্রিত হলে বাজার উত্তেজিত হয় সেখান দেলোয়ার মেম্বারের সমর্থক গোবিন্দপুর গ্রামের ওয়াজেদের ছেলে আফছারকে মারধর করে কবির মল্লিকের সমর্থক আবদুল মাতুব্বর গংরা। সারা রাত এলাকা উত্তেজিত থাকলেও পুলিশি টহলের কারণে সংঘর্ষ হয়নি। পরে আজ শুক্রবার সকালে দুই গ্রুপ ই পাল্টা পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়। এতে অন্তত দুই গ্রুপের ১৫ জন আহত হয় এবং ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষকারীদের ইটের আঘাতে ও হামলায় সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ সাদিক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকা এখন শান্ত রয়েছে।’
ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মো. সুমিনুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিবেশ শান্ত করে।’

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সেনহাটি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা বলছে, গ্রাম্য দলাদলি ও দলীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে উপজেলার সেনহাটি গ্রামের কবির মল্লিক ও তাঁর প্রতিপক্ষ একই গ্রামের দোলোয়ার মেম্বারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। কবির মল্লিক জেলে থাকায় তাঁর পক্ষে নেতৃত্ব দেয় বড় ভাই মোহাম্মদ মল্লিক। এই বিরোধের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দেলোয়ারের সমর্থক স্থানীয় গ্রাম্য মাতুব্বর, ফাগু মাতুব্বরের বাড়িতে দল পক্ষ নিয়ে মিটিং করা হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাগু মাতুব্বর ও ফরিদ নামের একজনকে আটক করে। ফাগু মাতুব্বর জামিনে আসলে এলাকা উত্তেজিত হয়।
সন্ধ্যায় পাশের গৌড়দিয়া বাজারে দুই পক্ষ একত্রিত হলে বাজার উত্তেজিত হয় সেখান দেলোয়ার মেম্বারের সমর্থক গোবিন্দপুর গ্রামের ওয়াজেদের ছেলে আফছারকে মারধর করে কবির মল্লিকের সমর্থক আবদুল মাতুব্বর গংরা। সারা রাত এলাকা উত্তেজিত থাকলেও পুলিশি টহলের কারণে সংঘর্ষ হয়নি। পরে আজ শুক্রবার সকালে দুই গ্রুপ ই পাল্টা পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়। এতে অন্তত দুই গ্রুপের ১৫ জন আহত হয় এবং ২০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষকারীদের ইটের আঘাতে ও হামলায় সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ সাদিক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকা এখন শান্ত রয়েছে।’
ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মো. সুমিনুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিবেশ শান্ত করে।’

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের দফায় দফায় সংঘর্ষে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদকসহ দুই পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় বিএনপি সমর্থকদের চারটি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের ধনিজকরা ও মুন্সিরহাট বাজারে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১ মিনিট আগে
তিস্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক চাপ নেই। এটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকল্প এবং চীন এতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আজ সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া সেতু পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
১৭ মিনিট আগে
নাটোর আদালত প্রাঙ্গণে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধজনিত মামলার জেরে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে আদালত চত্বরে এ সংঘর্ষ হয়।
২১ মিনিট আগে
পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা নদীর সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকার একটি টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গাজীর ঘাটে নদী পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
২১ মিনিট আগে