নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথায় নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে হেদায়েত মুন্সী (০৬) এক বাক্প্রতিবন্ধী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হেদায়েত উপজেলার ফুকরা গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী ইনামুল মন্সীর ছেলে। চার সন্তানের মধ্যে হেদায়েত ছিল মেজো। সে কথা বলতে পারত না।
নিহত শিশুর চাচা হাফেজ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রোববার সকাল ৮টার দিকে মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী আক্তার মোল্যার বাড়িতে আসে হেদায়েত। তখন আক্তার বাড়ির উঠানে বসে রুটি খাচ্ছিল। এ সময় হেদায়েতের হাতে একটি রুটি তুলে দেন তিনি। সবার অজান্তে ওই রুটি খেতে খেতে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ের দিকে চলে যায় সে। তারপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আমরা তাকে খুঁজতে প্রথমে এলাকায় মাইকিং করি। পরে আমরা পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখি রুটিটা পানিতে ভাসছে, কিন্তু হেদায়েত কোথাও নেই। আমরা কয়েকজন পানিতে নেমে জাল ফেলে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। তাও তাকে খুঁজে না পেয়ে সালথার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও পানিতে নেমে তাকে খুঁজে পায়নি। পরে দুপুর দেড়টা দিকে মাদারীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে হেদায়েতের মরদেহ উদ্ধার করে।’
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের সময় পুকুর পাড়ে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। মরদেহ উদ্ধারের পরেই স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ।
সালথা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে শিশুটি উদ্ধারে ওই পুকুরে তল্লাশি চালাই। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে জাল ফেলেও তল্লাশি করা হয়। এতেও তাকে খুঁজে না পেয়ে মাদারীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল খবর দিয়ে এনে মরদেহ উদ্ধার করি।’
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব অফিসার মাহাতাব উদ্দীন বলেন, ‘খবর পেয়ে মাদারীপুর থেকে আমরা ডুবুরি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছি। মরদেহ এখন তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ফরিদপুরের সালথায় নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে হেদায়েত মুন্সী (০৬) এক বাক্প্রতিবন্ধী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হেদায়েত উপজেলার ফুকরা গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী ইনামুল মন্সীর ছেলে। চার সন্তানের মধ্যে হেদায়েত ছিল মেজো। সে কথা বলতে পারত না।
নিহত শিশুর চাচা হাফেজ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রোববার সকাল ৮টার দিকে মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী আক্তার মোল্যার বাড়িতে আসে হেদায়েত। তখন আক্তার বাড়ির উঠানে বসে রুটি খাচ্ছিল। এ সময় হেদায়েতের হাতে একটি রুটি তুলে দেন তিনি। সবার অজান্তে ওই রুটি খেতে খেতে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ের দিকে চলে যায় সে। তারপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আমরা তাকে খুঁজতে প্রথমে এলাকায় মাইকিং করি। পরে আমরা পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখি রুটিটা পানিতে ভাসছে, কিন্তু হেদায়েত কোথাও নেই। আমরা কয়েকজন পানিতে নেমে জাল ফেলে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। তাও তাকে খুঁজে না পেয়ে সালথার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও পানিতে নেমে তাকে খুঁজে পায়নি। পরে দুপুর দেড়টা দিকে মাদারীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে হেদায়েতের মরদেহ উদ্ধার করে।’
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের সময় পুকুর পাড়ে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। মরদেহ উদ্ধারের পরেই স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ।
সালথা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে শিশুটি উদ্ধারে ওই পুকুরে তল্লাশি চালাই। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে জাল ফেলেও তল্লাশি করা হয়। এতেও তাকে খুঁজে না পেয়ে মাদারীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল খবর দিয়ে এনে মরদেহ উদ্ধার করি।’
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব অফিসার মাহাতাব উদ্দীন বলেন, ‘খবর পেয়ে মাদারীপুর থেকে আমরা ডুবুরি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছি। মরদেহ এখন তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পাঁচজন এবং গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে রয়েছেন তিনজন।
৫ মিনিট আগে
দুই বছরের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের নগদ অর্থ ও মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকা কমেছে।
৮ মিনিট আগে
যাচাই করে দেখেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান এই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে কাবিননামার কাগজ এখনো পাননি। কিন্তু সীমা যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটকে ভিডিও দেন, সে অভিযোগ সত্য।
৩১ মিনিট আগে
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার আবেদনের দাবি করলেও এর কোনো প্রমাণ জমা দেননি। দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকায় তাই তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে