ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের ১৪ বিঘা জমিতে বর্গায় ভুট্টার আবাদ করেছিলেন লুৎফর মৃধা নামে এক কৃষক। প্রয়োজনীয় সাড় ও কীটনাশক বাকিতে কিনে চাষাবাদ করেছেন। কিন্তু ফসল উঠতে না উঠতেই তার সর্বস্ব শেষ হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারে পুরো জমির প্রায় ৬০০ মণ ভুট্টা কেটে নিয়েছেন পাওনাদার ওই দোকানদার! যার বাজার মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা।
পাওনাদারের এমন কাণ্ডে পরিবার নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি! ঘটনাটি ঘটেছে জেলা সদরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের টেপুরার চরে। গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে গতকাল রোববার বিকেলে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে পুরো ঘটনা জেনে তারপর জানাতে পারব।’
ভুক্তভোগী ওই কৃষক হলেন দুদুমাতুব্বরের ডাঙ্গী এলাকার মৃত সামাদ মৃধার ছেলে লুৎফর মৃধা (৪৫)। পাওনা টাকা ফেরত দিয়ে নিজের ফসল পেতে চান ওই ভুক্তভোগী।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ চরজুড়ে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। যেদিকেই দুচোখ যায় শুধু ভুট্টার খেত। ভুট্টাগুলো ঘরে তোলার জন্য ব্যস্ত কৃষকেরা, কেউ বা ব্যস্ত পরিচর্যায়। এই চরে ১৪ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ভুট্টার চাষ করেছেন কৃষক লুৎফর মৃধা। কিন্তু ঘরে ভুট্টা তোলার পরিবর্তে জমিতে বসে আহাজারি করতে দেখা যায় তাঁর মা জরিনা বেগমকে। তাদের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছেন ওই ইউনিয়নের ফাকেরেরহাট বাজারের সাড় ও কীটনাশক ব্যবসায়ী হবি সরদারসহ (৭৫) তাঁর তিন ছেলে। রাতের অন্ধকারে হারভেস্টর মেশিন দিয়ে এসব ভুট্টা কেটে নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা বলছে, পাঁচ বছর আগে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে একটি ট্রলার কেনেন লুৎফর মৃধা। তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু এ বছরে ট্রলারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পুনরায় প্রায় ছয় লাখ টাকা দিয়ে তা মেরামত করতে হয়। আর এতেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন কৃষক লুৎফর মৃধা। এই ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য বর্গায় ভুট্টা চাষ শুরু করেন। ছেলে ট্রলার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এসব ভুট্টার খেত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করতেন তাঁর বৃদ্ধ মা জরিনা বেগম। এ জন্য এলাকার পরিচিত হবি সরদারের দোকান থেকে বাকিতে সার ও কীটনাশক নেন। তাতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ভুট্টা বিক্রি করেই এসব টাকা পরিশোধ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হবি সরদার ও তাঁর তিন ছেলে এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় টাকার পরিবর্তে খেত থেকে ভুট্টা কেটে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক লুৎফর মৃধা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভুট্টা খেতের জন্য হবি সরদারের দোকান থেকে সাড় ও ওষুধ আনায় আমার কাছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকার মতো পাবে। আমি ভুট্টা বিক্রি করে সেই টাকা পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম। ভুট্টা কাটার জন্য গতকাল রোববার সকালে এসে দেখি আমার কোনো খেতেই ভুট্টা গাছ নাই। পরে জানতে পারি, হবি সরদার ও তাঁর তিন ছেলে লুৎফর সরদার, রুবেল সরদার ও জুলহাস সরদার হারভেস্টর মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের মতো গরিবের ক্ষতি করতে তাদের বুক কাঁপে না। সে টাকা পাবে, টাকা নিবে। আমার এমন ক্ষতি করল কেন? এই অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে। এখন আমি পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচব! আর যার কাছ থেকে বর্গা নিয়েছিলাম, তাকে কী বলব?’
কৃষক লুৎফর বলেন, ‘আমি প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই এবং আমার কষ্টের ফসল ফিরে পেতে চাই। সে টাকা পাবে, আমি টাকা দিয়ে দেব। কিন্তু আমার ফসল ফেরত দিতে হবে।’
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে জরিনা বেগম বলেন, ‘আমার ছাওয়াল বোট বায় (ট্রলার চালায়)। তাঁর বোট সারতে এবার ৬ লাখ টাকা লাগছে। আমার ছাওয়ালকে বলছিলাম, তুই বোট নিয়ে নদীতে থাকবি আর আমি ভুট্টা দেখাশোনা করুম। এসব ভুঁইতে আমি নিজ হাতে সার ও ওষুধ বুনছি। এই রোদের ভেতর আমি অনেক কষ্ট করছি। আমার সব শেষ করে দিল ওরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে হবি সরদার বাড়িতে এসে বলে-আপনার ছাওয়াল আমার টাকা পয়সা দিবে না। আমি বলছিলাম, ভুট্টা বেইচ্যা আপনার ঋণ শোধ করে দিমু। তা না শুনেই আজ আমার এত বড় ক্ষতি করল। আমি এর বিচার চাই, আমার ছাওয়াল যেন বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে বাইচ্যা থাকতে পারে।’
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি হবি সরদারকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে উনি ভুট্টা কাটার কথা স্বীকার করেছেন। কারণ হিসেবে উনি বলছেন-লুৎফরের কাছ থেকে সার ও ওষুধের টাকা পেতেন, এ জন্য কেটে নিয়েছেন।’
এ বিষয়ে হবি সরদারের ছোট ছেলে জুলহাস সরদার ভুট্টা কেটে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তার (কৃষক লুৎফর) কাছে সাড়-ওষুধ ও ভুট্টার লাভের টাকা পাইতাম। আমাদের টাকা না দেওয়ায় তার ১০ বিঘা জমি থেকে ভুট্টা কেটে আনছি। দেখা যাক, এখন কী হয়!’

ফরিদপুর সদরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের ১৪ বিঘা জমিতে বর্গায় ভুট্টার আবাদ করেছিলেন লুৎফর মৃধা নামে এক কৃষক। প্রয়োজনীয় সাড় ও কীটনাশক বাকিতে কিনে চাষাবাদ করেছেন। কিন্তু ফসল উঠতে না উঠতেই তার সর্বস্ব শেষ হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারে পুরো জমির প্রায় ৬০০ মণ ভুট্টা কেটে নিয়েছেন পাওনাদার ওই দোকানদার! যার বাজার মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা।
পাওনাদারের এমন কাণ্ডে পরিবার নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি! ঘটনাটি ঘটেছে জেলা সদরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের টেপুরার চরে। গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে গতকাল রোববার বিকেলে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে পুরো ঘটনা জেনে তারপর জানাতে পারব।’
ভুক্তভোগী ওই কৃষক হলেন দুদুমাতুব্বরের ডাঙ্গী এলাকার মৃত সামাদ মৃধার ছেলে লুৎফর মৃধা (৪৫)। পাওনা টাকা ফেরত দিয়ে নিজের ফসল পেতে চান ওই ভুক্তভোগী।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ চরজুড়ে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। যেদিকেই দুচোখ যায় শুধু ভুট্টার খেত। ভুট্টাগুলো ঘরে তোলার জন্য ব্যস্ত কৃষকেরা, কেউ বা ব্যস্ত পরিচর্যায়। এই চরে ১৪ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ভুট্টার চাষ করেছেন কৃষক লুৎফর মৃধা। কিন্তু ঘরে ভুট্টা তোলার পরিবর্তে জমিতে বসে আহাজারি করতে দেখা যায় তাঁর মা জরিনা বেগমকে। তাদের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছেন ওই ইউনিয়নের ফাকেরেরহাট বাজারের সাড় ও কীটনাশক ব্যবসায়ী হবি সরদারসহ (৭৫) তাঁর তিন ছেলে। রাতের অন্ধকারে হারভেস্টর মেশিন দিয়ে এসব ভুট্টা কেটে নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা বলছে, পাঁচ বছর আগে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে একটি ট্রলার কেনেন লুৎফর মৃধা। তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু এ বছরে ট্রলারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পুনরায় প্রায় ছয় লাখ টাকা দিয়ে তা মেরামত করতে হয়। আর এতেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন কৃষক লুৎফর মৃধা। এই ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য বর্গায় ভুট্টা চাষ শুরু করেন। ছেলে ট্রলার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এসব ভুট্টার খেত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করতেন তাঁর বৃদ্ধ মা জরিনা বেগম। এ জন্য এলাকার পরিচিত হবি সরদারের দোকান থেকে বাকিতে সার ও কীটনাশক নেন। তাতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ভুট্টা বিক্রি করেই এসব টাকা পরিশোধ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হবি সরদার ও তাঁর তিন ছেলে এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় টাকার পরিবর্তে খেত থেকে ভুট্টা কেটে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক লুৎফর মৃধা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভুট্টা খেতের জন্য হবি সরদারের দোকান থেকে সাড় ও ওষুধ আনায় আমার কাছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকার মতো পাবে। আমি ভুট্টা বিক্রি করে সেই টাকা পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম। ভুট্টা কাটার জন্য গতকাল রোববার সকালে এসে দেখি আমার কোনো খেতেই ভুট্টা গাছ নাই। পরে জানতে পারি, হবি সরদার ও তাঁর তিন ছেলে লুৎফর সরদার, রুবেল সরদার ও জুলহাস সরদার হারভেস্টর মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের মতো গরিবের ক্ষতি করতে তাদের বুক কাঁপে না। সে টাকা পাবে, টাকা নিবে। আমার এমন ক্ষতি করল কেন? এই অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে। এখন আমি পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচব! আর যার কাছ থেকে বর্গা নিয়েছিলাম, তাকে কী বলব?’
কৃষক লুৎফর বলেন, ‘আমি প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই এবং আমার কষ্টের ফসল ফিরে পেতে চাই। সে টাকা পাবে, আমি টাকা দিয়ে দেব। কিন্তু আমার ফসল ফেরত দিতে হবে।’
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে জরিনা বেগম বলেন, ‘আমার ছাওয়াল বোট বায় (ট্রলার চালায়)। তাঁর বোট সারতে এবার ৬ লাখ টাকা লাগছে। আমার ছাওয়ালকে বলছিলাম, তুই বোট নিয়ে নদীতে থাকবি আর আমি ভুট্টা দেখাশোনা করুম। এসব ভুঁইতে আমি নিজ হাতে সার ও ওষুধ বুনছি। এই রোদের ভেতর আমি অনেক কষ্ট করছি। আমার সব শেষ করে দিল ওরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে হবি সরদার বাড়িতে এসে বলে-আপনার ছাওয়াল আমার টাকা পয়সা দিবে না। আমি বলছিলাম, ভুট্টা বেইচ্যা আপনার ঋণ শোধ করে দিমু। তা না শুনেই আজ আমার এত বড় ক্ষতি করল। আমি এর বিচার চাই, আমার ছাওয়াল যেন বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে বাইচ্যা থাকতে পারে।’
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি হবি সরদারকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে উনি ভুট্টা কাটার কথা স্বীকার করেছেন। কারণ হিসেবে উনি বলছেন-লুৎফরের কাছ থেকে সার ও ওষুধের টাকা পেতেন, এ জন্য কেটে নিয়েছেন।’
এ বিষয়ে হবি সরদারের ছোট ছেলে জুলহাস সরদার ভুট্টা কেটে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তার (কৃষক লুৎফর) কাছে সাড়-ওষুধ ও ভুট্টার লাভের টাকা পাইতাম। আমাদের টাকা না দেওয়ায় তার ১০ বিঘা জমি থেকে ভুট্টা কেটে আনছি। দেখা যাক, এখন কী হয়!’

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৯ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১৪ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৮ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে