ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রয়োজনীয় সনদপত্র না থাকা এবং সরকারি অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করায় ফরিদপুর জেলা শহরের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আরামবাগ হাসপাতাল ও নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমাম রাজীব, ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম জানান, শুক্রবার দুপুর থেকে বেসরকারি ওই দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা কার্যকর হবে। তিনি আরও বলেন, মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮২ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ওই দুই হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেখানে ভর্তি রোগীদের অন্যত্র নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রয়োজনীয় সনদপত্র না থাকা এবং সরকারি অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করায় ফরিদপুর জেলা শহরের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আরামবাগ হাসপাতাল ও নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমাম রাজীব, ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম জানান, শুক্রবার দুপুর থেকে বেসরকারি ওই দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা কার্যকর হবে। তিনি আরও বলেন, মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮২ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ওই দুই হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেখানে ভর্তি রোগীদের অন্যত্র নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগেফরিদপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হলফনামা অনুযায়ী, জেলার প্রার্থীদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি-সমর্থিতরা।
ফরিদপুর-১
আসনটিতে সাত প্রার্থীর মধ্যে দুজন কোটিপতি। জেলার সবচেয়ে ধনী প্রার্থী তিনবারের সিআইপি, রাজ্জাক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল বাসার খান স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন। তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ৩১৬ টাকা। নগদ অর্থ আছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৭ হাজার ৭১১ টাকার। ১ হাজার ৬০০ শতক জমি রয়েছে। এগুলোর দাম দেখানো হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন একই আসনে জামায়াত-সমর্থিত ড. মো. ইলিয়াস মোল্যা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক এই চেয়ারম্যানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৪৬ লাখ ৫ হাজার এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা।
বিএনপির প্রার্থী কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যদিও হলফনামায় সম্পদের সঠিক তথ্য না থাকায় যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৭০ হাজার ১৪৯ টাকা। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মাদ শরাফাতের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৮০ টাকা।
ফরিদপুর-২
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এই আসনে বিএনপি-সমর্থিত শামা ওবায়েদ ইসলাম। ভোটে অংশ নিতে গত ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। তাঁর বার্ষিক আয় ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য ৩ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি টাকা। আয়কর রিটার্নে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ৮০৬ টাকা মূল্যের সম্পদ দেখিয়েছেন।
জামায়াত-সমর্থিত ইসলামী জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ মো. আকরাম আলীর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৩৮৮ শতক কৃষিজমি ও চারটি টিনশেড ঘর আছে। গণঅধিকার পরিষদের ফারুক ফকিরের ৫০ লাখ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়ার ২৪ লাখ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসানের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ আছে।
ফরিদপুর-৩
বিএনপির নায়াব ইউসুফ আহমেদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৪৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৬ টাকার। স্থাবর সম্পদ ৫ কোটি টাকার। জামায়াতের মো. আবদুত তাওয়াব আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৬ টাকার। বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মো. রফিকুজ্জামান মিয়া লায়েকের ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০ টাকা, ইসলামী আন্দোলনের কে এম ছারোয়ার হোসেনের ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ এবং জেএসডির আরিফা আক্তার বেবীর প্রায় ১৬ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।
ফরিদপুর-৪
বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসাইনের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৮২ হাজার ৪২২ টাকা। ইসলামী আন্দোলনের মো. ইসহাকের অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৯ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। জাতীয় পার্টির রায়হান জামিলের ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমানের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে শুধু সাড়ে ৬ লাখ টাকা নগদ এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে ৬ একর কৃষিজমি রয়েছে।
এই আসনে কোটিপতির তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যাও। পেশায় ব্যবসায়ী এই প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হলেও আপিলে ফিরে পেয়েছেন।
হলফনামার তথ্যানুযায়ী তাঁর বার্ষিক আয় ১৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৭ টাকা। এ ছাড়া তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৭ টাকা। তাঁর নগদ টাকা রয়েছে ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ২৭, ব্যবসায়ী পরিসম্পদ ৮০ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ও অন্যান্য ৮০ লাখ টাকার সম্পদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হলফনামা অনুযায়ী, জেলার প্রার্থীদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি-সমর্থিতরা।
ফরিদপুর-১
আসনটিতে সাত প্রার্থীর মধ্যে দুজন কোটিপতি। জেলার সবচেয়ে ধনী প্রার্থী তিনবারের সিআইপি, রাজ্জাক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল বাসার খান স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন। তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ৩১৬ টাকা। নগদ অর্থ আছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৭ হাজার ৭১১ টাকার। ১ হাজার ৬০০ শতক জমি রয়েছে। এগুলোর দাম দেখানো হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন একই আসনে জামায়াত-সমর্থিত ড. মো. ইলিয়াস মোল্যা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক এই চেয়ারম্যানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৬০ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৪৬ লাখ ৫ হাজার এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা।
বিএনপির প্রার্থী কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। যদিও হলফনামায় সম্পদের সঠিক তথ্য না থাকায় যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৭০ হাজার ১৪৯ টাকা। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মাদ শরাফাতের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৮০ টাকা।
ফরিদপুর-২
জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এই আসনে বিএনপি-সমর্থিত শামা ওবায়েদ ইসলাম। ভোটে অংশ নিতে গত ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। তাঁর বার্ষিক আয় ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য ৩ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৬ টাকা। স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি টাকা। আয়কর রিটার্নে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ৮০৬ টাকা মূল্যের সম্পদ দেখিয়েছেন।
জামায়াত-সমর্থিত ইসলামী জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ মো. আকরাম আলীর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৩৮৮ শতক কৃষিজমি ও চারটি টিনশেড ঘর আছে। গণঅধিকার পরিষদের ফারুক ফকিরের ৫০ লাখ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়ার ২৪ লাখ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসানের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ আছে।
ফরিদপুর-৩
বিএনপির নায়াব ইউসুফ আহমেদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৪৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৬ টাকার। স্থাবর সম্পদ ৫ কোটি টাকার। জামায়াতের মো. আবদুত তাওয়াব আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৬ টাকার। বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মো. রফিকুজ্জামান মিয়া লায়েকের ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০ টাকা, ইসলামী আন্দোলনের কে এম ছারোয়ার হোসেনের ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ এবং জেএসডির আরিফা আক্তার বেবীর প্রায় ১৬ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।
ফরিদপুর-৪
বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসাইনের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৮২ হাজার ৪২২ টাকা। ইসলামী আন্দোলনের মো. ইসহাকের অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৯ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। জাতীয় পার্টির রায়হান জামিলের ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমানের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে শুধু সাড়ে ৬ লাখ টাকা নগদ এবং স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে ৬ একর কৃষিজমি রয়েছে।
এই আসনে কোটিপতির তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যাও। পেশায় ব্যবসায়ী এই প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হলেও আপিলে ফিরে পেয়েছেন।
হলফনামার তথ্যানুযায়ী তাঁর বার্ষিক আয় ১৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৭ টাকা। এ ছাড়া তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৭ টাকা। তাঁর নগদ টাকা রয়েছে ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ২৭, ব্যবসায়ী পরিসম্পদ ৮০ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ও অন্যান্য ৮০ লাখ টাকার সম্পদ।

প্রয়োজনীয় সনদপত্র না থাকা ও সরকারি অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করায় ফরিদপুর জেলা শহরের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আরামবাগ হাসপাতাল ও নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগেএস বাসু দাশ, বান্দরবান

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)। ফলে এবারের নির্বাচনে বান্দরবান আসনে বিএনপির জয়ের পাল্লাই ভারী দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।
এবার নির্বাচনে বিএনপি থেকে সাচিং প্রু জেরী, এনসিপি থেকে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামী থেকে আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির (কাদের) আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলার ভোটের মাঠে সাতটি উপজেলায় বিএনপির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে এনসিপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রভাব না থাকলেও জেএসএস ও জামায়াতের প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচিসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে জেএসএসের জনসর্মথন রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়িতে সবচেয়ে বেশি জনসমর্থন রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর।
এদিকে জেলার আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) থেকে কেএসমংয়ের নাম শোনা গেলেও দলটি এবার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের সমর্থন থাকছে বিএনপি প্রার্থীর দিকে। অপরদিকে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত জোটকে ঠেকাতে আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীকে অপ্রকাশ্যে সমর্থন দিতে পারে। তাই সব দিক বিবেচনায় বিএনপির পাল্লাই ভারী দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন মাস ধরে জেএসএস নেতারা ঘরোয়া সভা, বৈঠক এবং পাহাড়ি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কার্য়ক্রম চালিয়ে আসছিল। তবে গত ১০ ডিসেম্বরের পর দলটির শীর্ষপর্যায়ের একাধিক বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, এবার বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে আঞ্চলিক সংগঠনটি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে। খাগড়াছড়ি আসনে তারা প্রার্থী দেওয়া ও কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে জেএসএসের এবার প্রার্থী থাকবে না, কৌশলগত কারণে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম বলেন, ‘জেএসএস বা অন্য দল বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে কি না, তা আমার জানা নেই। সবার জন্য কাজ করেছি, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদেরও সমর্থন আশা করছি।’
বান্দরবান আসনের এনসিপির প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জোটগতভাবে জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান আসন আমাদের (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে, তাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে আমাদের সমর্থন দেবে।’
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলের বাইরেও বিভিন্ন দলের সমর্থনের কারণে বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)। ফলে এবারের নির্বাচনে বান্দরবান আসনে বিএনপির জয়ের পাল্লাই ভারী দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।
এবার নির্বাচনে বিএনপি থেকে সাচিং প্রু জেরী, এনসিপি থেকে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামী থেকে আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির (কাদের) আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলার ভোটের মাঠে সাতটি উপজেলায় বিএনপির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে এনসিপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রভাব না থাকলেও জেএসএস ও জামায়াতের প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচিসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে জেএসএসের জনসর্মথন রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়িতে সবচেয়ে বেশি জনসমর্থন রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর।
এদিকে জেলার আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) থেকে কেএসমংয়ের নাম শোনা গেলেও দলটি এবার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের সমর্থন থাকছে বিএনপি প্রার্থীর দিকে। অপরদিকে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত জোটকে ঠেকাতে আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীকে অপ্রকাশ্যে সমর্থন দিতে পারে। তাই সব দিক বিবেচনায় বিএনপির পাল্লাই ভারী দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন মাস ধরে জেএসএস নেতারা ঘরোয়া সভা, বৈঠক এবং পাহাড়ি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কার্য়ক্রম চালিয়ে আসছিল। তবে গত ১০ ডিসেম্বরের পর দলটির শীর্ষপর্যায়ের একাধিক বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, এবার বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে আঞ্চলিক সংগঠনটি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে। খাগড়াছড়ি আসনে তারা প্রার্থী দেওয়া ও কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে জেএসএসের এবার প্রার্থী থাকবে না, কৌশলগত কারণে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম বলেন, ‘জেএসএস বা অন্য দল বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে কি না, তা আমার জানা নেই। সবার জন্য কাজ করেছি, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদেরও সমর্থন আশা করছি।’
বান্দরবান আসনের এনসিপির প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জোটগতভাবে জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান আসন আমাদের (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে, তাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে আমাদের সমর্থন দেবে।’
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলের বাইরেও বিভিন্ন দলের সমর্থনের কারণে বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবেন।

প্রয়োজনীয় সনদপত্র না থাকা ও সরকারি অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করায় ফরিদপুর জেলা শহরের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আরামবাগ হাসপাতাল ও নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
শুধু জাবেরুন নেছা নন খুলনা নগরের উপকণ্ঠে মাথাভাঙ্গা মৌজায় বসবাসকারী ৩২টি দরিদ্র পরিবারের আজ পথে বসার উপক্রম হয়েছে। এসব মানুষের অভিযোগ—তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে মো. আল মামুন নামের এক ব্যক্তি। ইতিমধ্যে তাঁদের জমি দখল নিতে ‘ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজ’ নামের একাধিক সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। জমির আশপাশে সার্বক্ষণিক লোক রাখা হয়েছে। তারা জমির প্রকৃত মালিকদের প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে লবণচরা থানায় লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি থানা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, রূপসা সেতুর কাছাকাছি এলাকায় হওয়ায় মাথাভাঙ্গা মৌজা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একসময়ের জলাভূমিটি এখন ভূমিদস্যুদের জন্য কোটি টাকার সম্পদ। অথচ ৫০ বছর আগে শ্রমজীবী মানুষ সেখানে পানির দরে এক টুকরো জমি ক্রয় করেছিল একটু মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের আশায়। দিনরাত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ছোট ছোট বাড়ি করে এখন তাঁরা বসবাস করতে পারছেন না।
এ মৌজায় প্রায় তিন একর পরিমাণ একখানি জমিতে দুই থেকে পাঁচ কাঠা করে জমি কিনেছেন ৩২ জন। কেউবা ৫০ বছর আগে, কেউ ১৭ বছর আগে জমি কিনে তাঁদের প্রায় সবাই সেখানে বাড়িঘর বানিয়ে বসবাস করছেন। জমির খাজনা-ট্যাক্স দিচ্ছেন। হঠাৎ সেখানে এক ভূমিদস্যুর আবির্ভাব হয়েছে। তাঁর দাবি সেখানকার সব জমি তিনি কিনে নিয়েছেন। বাসিন্দাদের চলে যেতে হবে। এটা শুনে বাসিন্দারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ঘটনায় মাথাভাঙ্গা মৌজার এস এ ১৬৫ খতিয়ানের ১ দশমিক ৪০৭৬২৫ একর জমির ৩২ জন প্লট মালিকের পক্ষে আবদুল মান্নান গত ৩১ ডিসেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯১ সালে একটি পক্ষ হাইকোর্ট থেকে একতরফা ডিক্রি নিয়েছিল জমির মালিকানার ব্যাপারে। সেটার ওপর হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন বিভাগ ২০২৪ সালের ২ জুন স্থগিতাদেশ এবং জমিজমার দখল বিষয় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। এই অবস্থায় ২৯ ডিসেম্বর ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজের মালিক আল মামুন ও তাঁর সহযোগী ৫৫-৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ওই জমিতে গিয়ে তাঁদের (অভিযোগকারী ৩২ জন) জীবননাশের হুমকি দেন।
সম্প্রতি ওই এলাকায় গেলে জমির মালিকেরা জানান, তাঁদের অধিকাংশ অন্য জায়গার জমিজমা এবং অন্য সম্পদ বিক্রি করে এখানে মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই করেছেন। তাঁরা প্রায় সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁদের কাছে জমির যেসব কাগজপত্র আছে, তা অনুযায়ী ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ১৬৫ খতিয়ানের ২ দশমিক ৯৮ একর জমির মালিক ছিলেন রামচরণ মন্ডল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশত্যাগের পর তিনি বা তাঁর ওয়ারিশরা ফিরে না আসায় জমি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়। ১৯৭২ সালে নাজির আহম্মেদ মোল্লা বন্দোবস্ত নেন। তারপর কয়েকবার হাতবদলের পর তাঁরা কিনেছেন। মাঝখানে ১৯৯১ সালে মর্জিনা সিদ্দিকী আদালতে মামলা করে একতরফা আদেশ নিয়ে মালিক হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। এ ছাড়া আর কোনো ঝামেলা হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজের মালিক খুলনা মহানগরীর গল্লামারী এলাকার বাসিন্দা আল মামুন আগে যুবলীগ করতেন। ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ও পরিবর্তন করে ফেলেছেন। খুলনার জিরো পয়েন্ট এলাকায় অফিস খুলে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।
নগরীর মিনারা মসজিদের মোয়াজ্জেম কেঁদে বলেন, ‘ডুমুরিয়া উপজেলার খলষী গ্রামের পৈতৃক ২৯ শতক জমি বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে ২০১৭ সালে মাথাভাঙ্গায় তিন কাঠা জমি কিনে বসবাস করছি। সম্প্রতি সেই জমিতে ভূমিদস্যু আল মামুন সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। এখন স্ত্রী, তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে কোথায় যাব।’
বাসাবাড়িতে কাজ করে ১০ কাঠা জমি কিনেছিলেন লাইলী বেগম। তিনি বলেন, ‘আমি এখন বিধবা। সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে জমি দখল নিতে চায়। জোর করে উঠিয়ে দিলে এই বয়সে কোথায় যাব।’
এ দিকে জমি জোর দখলের চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করে ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজের স্বত্বাধিকারী আল মামুন বলেন, ‘ওই এলাকায় জমি কেনা মানুষগুলো প্রতারণার শিকার হয়েছেন। জমির প্রকৃত মালিক আমি। তাঁদের যদি আসল দলিল থেকে থাকে তবে ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি ছেড়ে দেব।’
জানতে চাইলে লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, ‘৩২ জনের পক্ষে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা সেটি আদালতে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে নির্দেশ পেলে তদন্তে পাঠাব।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
শুধু জাবেরুন নেছা নন খুলনা নগরের উপকণ্ঠে মাথাভাঙ্গা মৌজায় বসবাসকারী ৩২টি দরিদ্র পরিবারের আজ পথে বসার উপক্রম হয়েছে। এসব মানুষের অভিযোগ—তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে মো. আল মামুন নামের এক ব্যক্তি। ইতিমধ্যে তাঁদের জমি দখল নিতে ‘ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজ’ নামের একাধিক সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। জমির আশপাশে সার্বক্ষণিক লোক রাখা হয়েছে। তারা জমির প্রকৃত মালিকদের প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে লবণচরা থানায় লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি থানা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, রূপসা সেতুর কাছাকাছি এলাকায় হওয়ায় মাথাভাঙ্গা মৌজা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একসময়ের জলাভূমিটি এখন ভূমিদস্যুদের জন্য কোটি টাকার সম্পদ। অথচ ৫০ বছর আগে শ্রমজীবী মানুষ সেখানে পানির দরে এক টুকরো জমি ক্রয় করেছিল একটু মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের আশায়। দিনরাত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ছোট ছোট বাড়ি করে এখন তাঁরা বসবাস করতে পারছেন না।
এ মৌজায় প্রায় তিন একর পরিমাণ একখানি জমিতে দুই থেকে পাঁচ কাঠা করে জমি কিনেছেন ৩২ জন। কেউবা ৫০ বছর আগে, কেউ ১৭ বছর আগে জমি কিনে তাঁদের প্রায় সবাই সেখানে বাড়িঘর বানিয়ে বসবাস করছেন। জমির খাজনা-ট্যাক্স দিচ্ছেন। হঠাৎ সেখানে এক ভূমিদস্যুর আবির্ভাব হয়েছে। তাঁর দাবি সেখানকার সব জমি তিনি কিনে নিয়েছেন। বাসিন্দাদের চলে যেতে হবে। এটা শুনে বাসিন্দারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ঘটনায় মাথাভাঙ্গা মৌজার এস এ ১৬৫ খতিয়ানের ১ দশমিক ৪০৭৬২৫ একর জমির ৩২ জন প্লট মালিকের পক্ষে আবদুল মান্নান গত ৩১ ডিসেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯১ সালে একটি পক্ষ হাইকোর্ট থেকে একতরফা ডিক্রি নিয়েছিল জমির মালিকানার ব্যাপারে। সেটার ওপর হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন বিভাগ ২০২৪ সালের ২ জুন স্থগিতাদেশ এবং জমিজমার দখল বিষয় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। এই অবস্থায় ২৯ ডিসেম্বর ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজের মালিক আল মামুন ও তাঁর সহযোগী ৫৫-৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ওই জমিতে গিয়ে তাঁদের (অভিযোগকারী ৩২ জন) জীবননাশের হুমকি দেন।
সম্প্রতি ওই এলাকায় গেলে জমির মালিকেরা জানান, তাঁদের অধিকাংশ অন্য জায়গার জমিজমা এবং অন্য সম্পদ বিক্রি করে এখানে মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই করেছেন। তাঁরা প্রায় সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁদের কাছে জমির যেসব কাগজপত্র আছে, তা অনুযায়ী ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ১৬৫ খতিয়ানের ২ দশমিক ৯৮ একর জমির মালিক ছিলেন রামচরণ মন্ডল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশত্যাগের পর তিনি বা তাঁর ওয়ারিশরা ফিরে না আসায় জমি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়। ১৯৭২ সালে নাজির আহম্মেদ মোল্লা বন্দোবস্ত নেন। তারপর কয়েকবার হাতবদলের পর তাঁরা কিনেছেন। মাঝখানে ১৯৯১ সালে মর্জিনা সিদ্দিকী আদালতে মামলা করে একতরফা আদেশ নিয়ে মালিক হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। এ ছাড়া আর কোনো ঝামেলা হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজের মালিক খুলনা মহানগরীর গল্লামারী এলাকার বাসিন্দা আল মামুন আগে যুবলীগ করতেন। ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ও পরিবর্তন করে ফেলেছেন। খুলনার জিরো পয়েন্ট এলাকায় অফিস খুলে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।
নগরীর মিনারা মসজিদের মোয়াজ্জেম কেঁদে বলেন, ‘ডুমুরিয়া উপজেলার খলষী গ্রামের পৈতৃক ২৯ শতক জমি বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে ২০১৭ সালে মাথাভাঙ্গায় তিন কাঠা জমি কিনে বসবাস করছি। সম্প্রতি সেই জমিতে ভূমিদস্যু আল মামুন সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। এখন স্ত্রী, তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে কোথায় যাব।’
বাসাবাড়িতে কাজ করে ১০ কাঠা জমি কিনেছিলেন লাইলী বেগম। তিনি বলেন, ‘আমি এখন বিধবা। সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে জমি দখল নিতে চায়। জোর করে উঠিয়ে দিলে এই বয়সে কোথায় যাব।’
এ দিকে জমি জোর দখলের চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করে ইউনিভার্সাল প্রোপার্টিজের স্বত্বাধিকারী আল মামুন বলেন, ‘ওই এলাকায় জমি কেনা মানুষগুলো প্রতারণার শিকার হয়েছেন। জমির প্রকৃত মালিক আমি। তাঁদের যদি আসল দলিল থেকে থাকে তবে ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি ছেড়ে দেব।’
জানতে চাইলে লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, ‘৩২ জনের পক্ষে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা সেটি আদালতে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে নির্দেশ পেলে তদন্তে পাঠাব।’

প্রয়োজনীয় সনদপত্র না থাকা ও সরকারি অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করায় ফরিদপুর জেলা শহরের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আরামবাগ হাসপাতাল ও নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগেগনেশ দাস, বগুড়া

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হয়ে কলেজে যাতায়াত করছেন। অতীতে এখানে একাধিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দখল ও ব্যবসার নেপথ্যে রেলওয়ে শ্রমিক দল, ছাত্রদল ও জামায়াতের কিছু নেতার প্রভাব রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনাগুলো টিকে আছে।
জানা গেছে, এই রেলপথ দিয়ে সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটে প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে কলেজে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীকে রেললাইন পার হতে হয়। অথচ এখানে কোনো স্থায়ী রেলগেট বা পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে দৃষ্টিসীমা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ গেটসংলগ্ন রেলের জায়গায় নির্মিত একটি মাচার ওপর দোকান চালান জেমস নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রেলের জায়গা ইজারা নিয়ে দোকান নির্মাণ করেছেন। সেখানে তিনি প্রতিদিন ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। তিনিও বলেন, রেললাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। এগুলো দ্রুত উচ্ছেদ করা জরুরি।
তবে সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি রেলওয়ের আইন মেনে এবং খাজনা পরিশোধ করে দোকান নির্মাণের ইজারা নিয়েছেন। তাঁর দখলে থাকা কোনো জায়গাই অবৈধ নয়। তিনি বলেন, শুক্রবার সকালে শ্রমিক দলের ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী আজিজুল হক কলেজ এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে রেললাইনসংলগ্ন ফাঁকা জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হলুদ রঙের দড়ি টানিয়ে দিয়ে যান।
জানতে চাইলে রেলওয়ে বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও রেলওয়ে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, জামায়াতের কিছু লোক রেলের জায়গা দখল শুরু করেছেন। ফাঁকা জায়গা কেউ যেন দখল করতে না পারে, সে জন্য খুঁটির সঙ্গে দড়ি টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক জামায়াত নেতা এরশাদুল বারী বলেন, রেললাইনসংলগ্ন জায়গা ইজারা দেওয়ার দায় রেলওয়ে বিভাগের। দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ও তাদের নিতে হবে। তাঁর জানামতে জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মী রেলের জায়গা দখলের সঙ্গে জড়িত নন। যাঁরা ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছেন, তাঁরাও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো দখলদারিকে প্রশ্রয় দেয় না।
আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে অরক্ষিত এই রেলগেট পার হতে গিয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন মোস্তাকিম ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারান। এ ছাড়া এখানে আরও একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবিধি অনুযায়ী লাইনের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে কোনো স্থাপনা বৈধ নয়। তবু এখানে বিদ্যুৎ-সংযোগসহ আধাপাকা দোকান বছরের পর বছর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘উচ্ছেদের নোটিশ দিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে চাপ আসে। ফলে আমাদের পক্ষে আর এগোনো সম্ভব হয় না।’
এ বিষয়ে রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম হোসাইন বলেন, ‘রেললাইনের ২০ ফুটের মধ্যে থাকা সব স্থাপনাই অবৈধ। এসব স্থাপনার কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ২০ ফুটের মধ্যে কীভাবে দোকান নির্মাণের জন্য ইজারা দেওয়া হচ্ছে, তা রহস্যজনক।’

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হয়ে কলেজে যাতায়াত করছেন। অতীতে এখানে একাধিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দখল ও ব্যবসার নেপথ্যে রেলওয়ে শ্রমিক দল, ছাত্রদল ও জামায়াতের কিছু নেতার প্রভাব রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনাগুলো টিকে আছে।
জানা গেছে, এই রেলপথ দিয়ে সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটে প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে কলেজে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীকে রেললাইন পার হতে হয়। অথচ এখানে কোনো স্থায়ী রেলগেট বা পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে দৃষ্টিসীমা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ গেটসংলগ্ন রেলের জায়গায় নির্মিত একটি মাচার ওপর দোকান চালান জেমস নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রেলের জায়গা ইজারা নিয়ে দোকান নির্মাণ করেছেন। সেখানে তিনি প্রতিদিন ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। তিনিও বলেন, রেললাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। এগুলো দ্রুত উচ্ছেদ করা জরুরি।
তবে সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি রেলওয়ের আইন মেনে এবং খাজনা পরিশোধ করে দোকান নির্মাণের ইজারা নিয়েছেন। তাঁর দখলে থাকা কোনো জায়গাই অবৈধ নয়। তিনি বলেন, শুক্রবার সকালে শ্রমিক দলের ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী আজিজুল হক কলেজ এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে রেললাইনসংলগ্ন ফাঁকা জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হলুদ রঙের দড়ি টানিয়ে দিয়ে যান।
জানতে চাইলে রেলওয়ে বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও রেলওয়ে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, জামায়াতের কিছু লোক রেলের জায়গা দখল শুরু করেছেন। ফাঁকা জায়গা কেউ যেন দখল করতে না পারে, সে জন্য খুঁটির সঙ্গে দড়ি টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক জামায়াত নেতা এরশাদুল বারী বলেন, রেললাইনসংলগ্ন জায়গা ইজারা দেওয়ার দায় রেলওয়ে বিভাগের। দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ও তাদের নিতে হবে। তাঁর জানামতে জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মী রেলের জায়গা দখলের সঙ্গে জড়িত নন। যাঁরা ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছেন, তাঁরাও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো দখলদারিকে প্রশ্রয় দেয় না।
আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে অরক্ষিত এই রেলগেট পার হতে গিয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন মোস্তাকিম ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারান। এ ছাড়া এখানে আরও একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবিধি অনুযায়ী লাইনের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে কোনো স্থাপনা বৈধ নয়। তবু এখানে বিদ্যুৎ-সংযোগসহ আধাপাকা দোকান বছরের পর বছর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘উচ্ছেদের নোটিশ দিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে চাপ আসে। ফলে আমাদের পক্ষে আর এগোনো সম্ভব হয় না।’
এ বিষয়ে রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম হোসাইন বলেন, ‘রেললাইনের ২০ ফুটের মধ্যে থাকা সব স্থাপনাই অবৈধ। এসব স্থাপনার কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ২০ ফুটের মধ্যে কীভাবে দোকান নির্মাণের জন্য ইজারা দেওয়া হচ্ছে, তা রহস্যজনক।’

প্রয়োজনীয় সনদপত্র না থাকা ও সরকারি অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করায় ফরিদপুর জেলা শহরের দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আরামবাগ হাসপাতাল ও নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে