দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ ১ জুন বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত কয়েক দিনের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৮-৩৯ ডিগ্রি থাকলেও আজ সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করে। বাতাসের আর্দ্রতা ২৪ শতাংশ।
এদিকে, তীব্র গরম আর চলমান তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জনজীবন। অতিরিক্ত গরম আর অব্যাহত লোডশেডিংয়ে মানুষ কাবু হয়ে পড়েছে। রাস্তায় কমে গেছে মানুষের চলাচল। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ। বিশেষ করে শিশু আর বৃদ্ধরা বেশি অসুস্থ হচ্ছে। চলমান তাপপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়।
পথচারী মোমিনুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকে যে তাপমাত্রা, মনে হচ্ছে গা পুড়ে যাচ্ছে। পাঁচ মিনিট রাস্তায় হাঁটলে মনে হচ্ছে সমস্ত শরীর ঘেমে যাচ্ছে। মনে হয় গায়ে আগুন ধরেছে।’
ভ্যানচালক সম্ভু মিয়া বলেন, ‘আল্লাহর গজব পড়িছে ভাই। মনে হছে জাহান্নামের আগুন দুনিয়াত চলি আইছে। এতা গরম তো সহ্য করা যাছে নাই। কিছুদূর পরপর ছিঁয়াত (ছায়ায়) বসি জিরাবা লাগেছে।’
অটোচালক সাজেদুর রহমান বলেন, ‘সূর্য থাকি আগুন ঝরেছে। রাস্তায় তো মানুষজন অনেক কম। ভাড়া ও তেমন নেই কষ্টে আছি।’
দিনাজপুর সিভিল সার্জন এ এইচ এম বোরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলনে, ‘তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। এ অবস্থায় জনসাধারণকে বাইরে চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে চলাচল করা যাবে না। বেশি করে পানি খেতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের বেলায় বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। কেউ অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।’

দিনাজপুরে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ ১ জুন বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত কয়েক দিনের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৮-৩৯ ডিগ্রি থাকলেও আজ সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করে। বাতাসের আর্দ্রতা ২৪ শতাংশ।
এদিকে, তীব্র গরম আর চলমান তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জনজীবন। অতিরিক্ত গরম আর অব্যাহত লোডশেডিংয়ে মানুষ কাবু হয়ে পড়েছে। রাস্তায় কমে গেছে মানুষের চলাচল। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ। বিশেষ করে শিশু আর বৃদ্ধরা বেশি অসুস্থ হচ্ছে। চলমান তাপপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়।
পথচারী মোমিনুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকে যে তাপমাত্রা, মনে হচ্ছে গা পুড়ে যাচ্ছে। পাঁচ মিনিট রাস্তায় হাঁটলে মনে হচ্ছে সমস্ত শরীর ঘেমে যাচ্ছে। মনে হয় গায়ে আগুন ধরেছে।’
ভ্যানচালক সম্ভু মিয়া বলেন, ‘আল্লাহর গজব পড়িছে ভাই। মনে হছে জাহান্নামের আগুন দুনিয়াত চলি আইছে। এতা গরম তো সহ্য করা যাছে নাই। কিছুদূর পরপর ছিঁয়াত (ছায়ায়) বসি জিরাবা লাগেছে।’
অটোচালক সাজেদুর রহমান বলেন, ‘সূর্য থাকি আগুন ঝরেছে। রাস্তায় তো মানুষজন অনেক কম। ভাড়া ও তেমন নেই কষ্টে আছি।’
দিনাজপুর সিভিল সার্জন এ এইচ এম বোরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলনে, ‘তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। এ অবস্থায় জনসাধারণকে বাইরে চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে চলাচল করা যাবে না। বেশি করে পানি খেতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের বেলায় বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। কেউ অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
৩৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
১ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
১ ঘণ্টা আগে