ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার একটি সিসি সড়ক নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের নবগ্রামে ওই সড়কটিতে ঢালাই দেওয়া হয়। পরদিন গতকাল সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে সিমেন্ট ধুয়ে খোয়াগুলো বেরিয়ে রয়েছে। একটুতেই তা উঠে যাচ্ছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা বলছেন, এই সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ঢালাই কাজে সিমেন্টের পরিমাণ ছিল খুবই কম এবং বালুর পরিমাণ ছিল বেশি। বৃষ্টির মধ্যেই সড়কটিতে ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। কাজে বাধা দেওয়া হলেও তাঁরা কর্ণপাত না করে রাত পর্যন্ত তড়িঘড়ি করে ঢালাইকাজ শেষ করেছেন।
নবগ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কের মাটি না খুঁড়েই আগের রাস্তা কোনো রকমে সমান করে হালকা বালু ছড়িয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সড়কে ব্যবহৃত ইটের খোয়াগুলো নিম্নমানের। অর্ধেক ঢালাইয়ের পরই ভারী বৃষ্টি শুরু হলেও তাঁরা রাত ১০টা পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যেই তড়িঘড়ি ঢালাইকাজ সম্পন্ন করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপি প্রকল্পের আওতায় একটি প্যাকেজে চারটি কাজের জন্য মোট ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ২০৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্যাকেজেরে মধ্যে এলুয়াড়ী ইউনিয়নের নবগ্রামের ৮২ মিটার সড়কে সিসি ঢালাইয়ের জন্য ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯০ টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। সড়কটির প্রস্থ ধরা হয়েছে ৩ মিটার এবং উচ্চতা ৫ ইঞ্চি। টেন্ডারের মাধ্যমে সড়কটির কাজ পেয়েছে বীরগঞ্জ উপজেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শাহিন চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন চৌধুরী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে একটু কমবেশি হতেই পারে। ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা হয়েছে, সিমেন্ট দিয়ে ঘোলা মেরে ঠিক করে দেব।’
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কোনো নিয়ম নেই এবং সন্ধ্যার পর কোনোভাবেই কাজ করা যাবে না।’ তিনি বলেন, ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার একটি সিসি সড়ক নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের নবগ্রামে ওই সড়কটিতে ঢালাই দেওয়া হয়। পরদিন গতকাল সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে সিমেন্ট ধুয়ে খোয়াগুলো বেরিয়ে রয়েছে। একটুতেই তা উঠে যাচ্ছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা বলছেন, এই সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ঢালাই কাজে সিমেন্টের পরিমাণ ছিল খুবই কম এবং বালুর পরিমাণ ছিল বেশি। বৃষ্টির মধ্যেই সড়কটিতে ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। কাজে বাধা দেওয়া হলেও তাঁরা কর্ণপাত না করে রাত পর্যন্ত তড়িঘড়ি করে ঢালাইকাজ শেষ করেছেন।
নবগ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কের মাটি না খুঁড়েই আগের রাস্তা কোনো রকমে সমান করে হালকা বালু ছড়িয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সড়কে ব্যবহৃত ইটের খোয়াগুলো নিম্নমানের। অর্ধেক ঢালাইয়ের পরই ভারী বৃষ্টি শুরু হলেও তাঁরা রাত ১০টা পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যেই তড়িঘড়ি ঢালাইকাজ সম্পন্ন করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপি প্রকল্পের আওতায় একটি প্যাকেজে চারটি কাজের জন্য মোট ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ২০৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্যাকেজেরে মধ্যে এলুয়াড়ী ইউনিয়নের নবগ্রামের ৮২ মিটার সড়কে সিসি ঢালাইয়ের জন্য ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯০ টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। সড়কটির প্রস্থ ধরা হয়েছে ৩ মিটার এবং উচ্চতা ৫ ইঞ্চি। টেন্ডারের মাধ্যমে সড়কটির কাজ পেয়েছে বীরগঞ্জ উপজেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শাহিন চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন চৌধুরী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে একটু কমবেশি হতেই পারে। ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা হয়েছে, সিমেন্ট দিয়ে ঘোলা মেরে ঠিক করে দেব।’
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কোনো নিয়ম নেই এবং সন্ধ্যার পর কোনোভাবেই কাজ করা যাবে না।’ তিনি বলেন, ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে