নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার ৯ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীরা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ছুটে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও ভোট প্রার্থনা করছেন কর্মী-সমর্থকেরা।
জানা যায়, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে লড়ছেন উপজেলার ১ নম্বর জয়পুর ইউপির আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী মো. আইনুল হক চৌধুরী, ২ নম্বর বিনোদননগর ইউপির মো. ছানোয়ার রহমান, ৩ নম্বর গোলাপগঞ্জ ইউপির মো. মোশারফ হোসেন, ৪ নম্বর শালখুরিয়া ইউপির মো. মশিউর রহমান, ৫ নম্বর পুঁটিমারা ইউপির মো. সরোয়ার হোসেন, ৬ নম্বর ভাদুরিয়া ইউপির মো. বাবুল আহসানুল কবির শামীম, ৭ নম্বর দাউদপুর ইউপির আবদুল্লাহেল আজিম, ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউপির মো. আমির হোসেন ও ৯ নম্বর কুচদহ ইউনিয়নের প্রার্থী আবু শাহাদাত মো. সায়েম আলী।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিয়া বলেন, `৯ ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের ভোট প্রার্থনা করে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। দু-একটি ইউপি ছাড়া সব কয়টাতেই নৌকার অবস্থান ভালো। প্রচারণার শেষ দিন অবধি নেতাকর্মীরা এই ইমেজ ধরে রাখতে পারলে নৌকার বিজয় হবে বলে আশা করছি।'
নবাবগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, `এ উপজেলায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৯ ইউনিয়নে নৌকার ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই উপজেলায় আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ শিবলী সাদিক এবং আমি উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক হওয়া সত্ত্বেও দলের বেশ কিছু নেতাকর্মী নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে কাজ করছেন। এতে ৯ ইউনিয়নে নৌকার বিজয় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার পরও দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।'
মো. আতাউর রহমান আরও বলেন, `আমি নিজেও বিভিন্ন ইউনিয়নে নৌকার সমাবেশে ভোট প্রার্থনা করছি। আশা করি ভোটাররা উন্নয়নের প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করবেন।'

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার ৯ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীরা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ছুটে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও ভোট প্রার্থনা করছেন কর্মী-সমর্থকেরা।
জানা যায়, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে লড়ছেন উপজেলার ১ নম্বর জয়পুর ইউপির আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী মো. আইনুল হক চৌধুরী, ২ নম্বর বিনোদননগর ইউপির মো. ছানোয়ার রহমান, ৩ নম্বর গোলাপগঞ্জ ইউপির মো. মোশারফ হোসেন, ৪ নম্বর শালখুরিয়া ইউপির মো. মশিউর রহমান, ৫ নম্বর পুঁটিমারা ইউপির মো. সরোয়ার হোসেন, ৬ নম্বর ভাদুরিয়া ইউপির মো. বাবুল আহসানুল কবির শামীম, ৭ নম্বর দাউদপুর ইউপির আবদুল্লাহেল আজিম, ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউপির মো. আমির হোসেন ও ৯ নম্বর কুচদহ ইউনিয়নের প্রার্থী আবু শাহাদাত মো. সায়েম আলী।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিয়া বলেন, `৯ ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের ভোট প্রার্থনা করে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। দু-একটি ইউপি ছাড়া সব কয়টাতেই নৌকার অবস্থান ভালো। প্রচারণার শেষ দিন অবধি নেতাকর্মীরা এই ইমেজ ধরে রাখতে পারলে নৌকার বিজয় হবে বলে আশা করছি।'
নবাবগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, `এ উপজেলায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৯ ইউনিয়নে নৌকার ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই উপজেলায় আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ শিবলী সাদিক এবং আমি উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক হওয়া সত্ত্বেও দলের বেশ কিছু নেতাকর্মী নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে কাজ করছেন। এতে ৯ ইউনিয়নে নৌকার বিজয় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার পরও দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।'
মো. আতাউর রহমান আরও বলেন, `আমি নিজেও বিভিন্ন ইউনিয়নে নৌকার সমাবেশে ভোট প্রার্থনা করছি। আশা করি ভোটাররা উন্নয়নের প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করবেন।'

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে