বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

নিজের ইচ্ছায় মাংস বিক্রির পেশা বেছে নিয়েছেন লক্ষ্মী রানী শর্মা। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৪ নং শহরগ্রাম ইউনিয়নের ফুলবাড়ী বাজারে তাঁর মাংসের দোকান। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০টি খাসির মাংস বিক্রি করেন বলে জানান লক্ষ্মী রানী।
স্থানীয় লোকজন তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকেও সনাতন ধর্মের মানুষেরা মাংস কিনতে আসেন তাঁর দোকানে। চাহিদা এতই বেশি যে অনুষ্ঠানের জন্য মাংস কিনতে চাইলে অর্ডার করতে হয় কয়েক দিন আগে।
দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ফুলবাড়ী বাজারের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে প্রায় আট বছর ধরে খাসির মাংস বিক্রি করে আসছেন লক্ষ্মী রানী শর্মা। শুধু বিক্রি নয় চামড়া ছাড়ানো, মাংস কাটাসহ কসাইয়ের সব কাজ নিজেই তত্ত্বাবধান করেন তিনি। স্বামী উষা দেব শর্মা বিভিন্ন হাটে ঘুরে খাসি সংগ্রহ করেন। দৈনিক ভোর থেকে কাজ শুরু করেন তিনি।
পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে স্বামীর উৎসাহে এমন কঠিন কাজ অনায়াসে করে যাচ্ছেন লক্ষ্মী রানী। দুই সন্তান ও পরিবার নিয়ে বর্তমানে বেশ সুখেই আছেন তিনি।
বোচাগঞ্জ উপজেলা থেকে মাংস কিনতে আসা সুধীর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্মী রানীর দোকান থেকে মাংস কিনি। এখানে সঠিক ওজন এবং পানি ছাড়া মাংস পাওয়া যায়। যেভাবে চাই সেভাবেই তিনি মাংস দেন। এ জন্য আমি শুধু নই, এই দূর-দূরান্ত থেকে সনাতন ধর্মের মানুষ সকাল থেকেই মাংস কিনতে লক্ষ্মী রানীর দোকানে ভিড় করেন।’
লক্ষ্মীর মাংসের দোকানের কর্মচারী প্রাণ নাথ বলেন, ‘আমরা দুইজন কর্মচারী আছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা লক্ষ্মী রানীর সঙ্গে কাজ করি। বিভিন্ন উপজেলার লোক এসে এখানে মাংস কেনে। প্রতি সপ্তাহের শুক্র, সোম ও বুধবার প্রচুর ভিড় থাকে। লক্ষ্মী রানীর সঙ্গে থেকে আমাদের সংসার ভালোই চলে।’
বিরল উপজেলার শহরগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘লক্ষ্মী রানী একজন সাধারণ নারী। প্রতিদিন বাজারে খাসির মাংস বিক্রি করেন। আমি তাঁকে বহুদিন ধরে এ কাজে দেখছি। একজন নারী হয়ে ব্যবসা করেন এর জন্য সবাই তাঁর প্রশংসা করেন।’
শহরগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদ আলী বলেন, ‘খুব পরিষ্কার ও যত্ন সহকারে লক্ষ্মী রানী মাংস বিক্রি করেন। ধীরে ধীরে সে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এবং নারী কসাই এই অঞ্চলে বিরল। একজন নারী হয়ে সে পুরুষের থেকেও বেশি কাজ করতে পারেন এটি আমাদের এলাকার জন্য পাওয়া।’
লক্ষ্মী রানী জানান, এক দিনে সর্বোচ্চ ৩১টি খাসির মাংস বিক্রির রেকর্ড রয়েছে তাঁর। অর্থাৎ এক দিনে ১০ থেকে ১২ মণ মাংস বিক্রি করেছেন তিনি।
নারী উদ্যোক্তা সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

নিজের ইচ্ছায় মাংস বিক্রির পেশা বেছে নিয়েছেন লক্ষ্মী রানী শর্মা। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৪ নং শহরগ্রাম ইউনিয়নের ফুলবাড়ী বাজারে তাঁর মাংসের দোকান। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০টি খাসির মাংস বিক্রি করেন বলে জানান লক্ষ্মী রানী।
স্থানীয় লোকজন তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকেও সনাতন ধর্মের মানুষেরা মাংস কিনতে আসেন তাঁর দোকানে। চাহিদা এতই বেশি যে অনুষ্ঠানের জন্য মাংস কিনতে চাইলে অর্ডার করতে হয় কয়েক দিন আগে।
দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ফুলবাড়ী বাজারের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে প্রায় আট বছর ধরে খাসির মাংস বিক্রি করে আসছেন লক্ষ্মী রানী শর্মা। শুধু বিক্রি নয় চামড়া ছাড়ানো, মাংস কাটাসহ কসাইয়ের সব কাজ নিজেই তত্ত্বাবধান করেন তিনি। স্বামী উষা দেব শর্মা বিভিন্ন হাটে ঘুরে খাসি সংগ্রহ করেন। দৈনিক ভোর থেকে কাজ শুরু করেন তিনি।
পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে স্বামীর উৎসাহে এমন কঠিন কাজ অনায়াসে করে যাচ্ছেন লক্ষ্মী রানী। দুই সন্তান ও পরিবার নিয়ে বর্তমানে বেশ সুখেই আছেন তিনি।
বোচাগঞ্জ উপজেলা থেকে মাংস কিনতে আসা সুধীর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্মী রানীর দোকান থেকে মাংস কিনি। এখানে সঠিক ওজন এবং পানি ছাড়া মাংস পাওয়া যায়। যেভাবে চাই সেভাবেই তিনি মাংস দেন। এ জন্য আমি শুধু নই, এই দূর-দূরান্ত থেকে সনাতন ধর্মের মানুষ সকাল থেকেই মাংস কিনতে লক্ষ্মী রানীর দোকানে ভিড় করেন।’
লক্ষ্মীর মাংসের দোকানের কর্মচারী প্রাণ নাথ বলেন, ‘আমরা দুইজন কর্মচারী আছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা লক্ষ্মী রানীর সঙ্গে কাজ করি। বিভিন্ন উপজেলার লোক এসে এখানে মাংস কেনে। প্রতি সপ্তাহের শুক্র, সোম ও বুধবার প্রচুর ভিড় থাকে। লক্ষ্মী রানীর সঙ্গে থেকে আমাদের সংসার ভালোই চলে।’
বিরল উপজেলার শহরগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘লক্ষ্মী রানী একজন সাধারণ নারী। প্রতিদিন বাজারে খাসির মাংস বিক্রি করেন। আমি তাঁকে বহুদিন ধরে এ কাজে দেখছি। একজন নারী হয়ে ব্যবসা করেন এর জন্য সবাই তাঁর প্রশংসা করেন।’
শহরগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদ আলী বলেন, ‘খুব পরিষ্কার ও যত্ন সহকারে লক্ষ্মী রানী মাংস বিক্রি করেন। ধীরে ধীরে সে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এবং নারী কসাই এই অঞ্চলে বিরল। একজন নারী হয়ে সে পুরুষের থেকেও বেশি কাজ করতে পারেন এটি আমাদের এলাকার জন্য পাওয়া।’
লক্ষ্মী রানী জানান, এক দিনে সর্বোচ্চ ৩১টি খাসির মাংস বিক্রির রেকর্ড রয়েছে তাঁর। অর্থাৎ এক দিনে ১০ থেকে ১২ মণ মাংস বিক্রি করেছেন তিনি।
নারী উদ্যোক্তা সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে