
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ডোবায় পড়ে সিনহা (৫) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ভাদুরিয়ার দিঘীরত্না গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সিনহা ঐ গ্রামের সুজন মিয়ার মেয়ে এবং শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো. আনিছুর রহমান রাব্বু জানান, শিশু সিনহাসহ তিন শিশু বাড়ির পাশের বাগান থেকে আম কুড়িয়ে ধুতে পাশে থাকা ডোবায় যায়। আম ধুয়ে ডোবা থেকে উঠতে গিয়ে সিনহা পা পিছলে পড়ে যায়। পরে বাকি দুই শিশুর চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ডোবা থেকে সিনহাকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী দলারদরগা কে এইচ এম মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। কুড়িয়ে পাওয়া আম ধুতে গিয়ে বাড়ির পাশে থাকা ডোবায় পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। লাশ দাফনের জন্য পরিবারের নিকট দেওয়া হয়েছে।’

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে