বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

ভারত ট্রাকের স্লট বুকিং না দেওয়ায় দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে এই বন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ রেখেছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
হিলি কাস্টমস কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম বলেন, ‘ভারত থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর থেকে কোনো ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করেনি তবে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। তাতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি ট্রাক পণ্য নিয়ে দেশে ঢুকেছে। কী কারণে ভারত সরকার পণ্য রপ্তানি বন্ধ রেখেছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি।’
এদিকে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে আলু ও পেঁয়াজবাহী ভারতীয় ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত রোববার থেকে এই দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয়। ফলে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্যবাহী ভারতীয় কোনো ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেনি।
ভারতের ব্যবসায়ী পাপ্পু আগরওয়াল বলেন, বাংলাদেশে রপ্তানি না করার জন্য আলু ও পেঁয়াজবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এমন সিদ্ধান্তে শতাধিক আলু ও পেঁয়াজবাহী ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় সীমান্তের কাছে আটকা পড়ে। এসব ট্রাকে এই দুটি পণ্য লোড থাকায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আমরা পেঁয়াজবাহী একটি ট্রাক বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য বন্দরের গেটে পাঠাই। এ সময় পুলিশ আটকে দিলে ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে পেঁয়াজবাহী ট্রাকটি বন্দরের প্রবেশমুখে রেখে দেয়। তাতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়।
পাপ্পু আগরওয়াল আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার আলু ও পেঁয়াজবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং চালু না করা পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশে কোনো রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক যেতে দেব না। এ বিষয়ে আমরা আমাদের ব্যবসায়ী সংগঠনের মিটিং করেছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হলো অনলাইন স্লট বুকিং চালু করে রপ্তানি করতে দিতে হবে। অন্যথায় সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। বিষয়টি রাজ্যসহ কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

ভারত ট্রাকের স্লট বুকিং না দেওয়ায় দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে এই বন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ রেখেছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
হিলি কাস্টমস কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম বলেন, ‘ভারত থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর থেকে কোনো ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করেনি তবে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। তাতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি ট্রাক পণ্য নিয়ে দেশে ঢুকেছে। কী কারণে ভারত সরকার পণ্য রপ্তানি বন্ধ রেখেছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি।’
এদিকে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে আলু ও পেঁয়াজবাহী ভারতীয় ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত রোববার থেকে এই দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয়। ফলে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্যবাহী ভারতীয় কোনো ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেনি।
ভারতের ব্যবসায়ী পাপ্পু আগরওয়াল বলেন, বাংলাদেশে রপ্তানি না করার জন্য আলু ও পেঁয়াজবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এমন সিদ্ধান্তে শতাধিক আলু ও পেঁয়াজবাহী ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় সীমান্তের কাছে আটকা পড়ে। এসব ট্রাকে এই দুটি পণ্য লোড থাকায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আমরা পেঁয়াজবাহী একটি ট্রাক বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য বন্দরের গেটে পাঠাই। এ সময় পুলিশ আটকে দিলে ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে পেঁয়াজবাহী ট্রাকটি বন্দরের প্রবেশমুখে রেখে দেয়। তাতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়।
পাপ্পু আগরওয়াল আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার আলু ও পেঁয়াজবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং চালু না করা পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশে কোনো রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক যেতে দেব না। এ বিষয়ে আমরা আমাদের ব্যবসায়ী সংগঠনের মিটিং করেছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হলো অনলাইন স্লট বুকিং চালু করে রপ্তানি করতে দিতে হবে। অন্যথায় সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। বিষয়টি রাজ্যসহ কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে