
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের বেডে এক নবজাতক রেখে পালিয়ে গেছেন তার স্বজনেরা। এ সময় নবজাতকের বিছানার পাশে একটি বাজারের ব্যাগে চিরকুট পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি বর্তমানে পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছে। আজ শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা জানাজানি হলে নবজাতককে দত্তক নিতে অনেকেই হাসপাতালে ভিড় করছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নবজাতকটি কন্যাশিশু। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নবজাতকের কাছে রেখে যাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমি একজন হতোভাগি। পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে বাচ্চা রেখে গেলাম। দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন। বাচ্চার জন্ম তারিখ—৪-১১-২০২৫, রোজ-মঙ্গলবার। এগুলো সব বাচ্চার ওষুধ। আমি মুসলমান জাতির মেয়ে।’
আজ বিকেলে হাসপাতালে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক গোলাম আহাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পঞ্চাশোর্ধ্ব এক দম্পতি শিশুটিকে কোলে নিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকের কক্ষে এসে বাচ্চাটিকে ভর্তি করতে বলেন। তাঁরা নিজেদের পরিচয় দেন শিশুটির নানা-নানি হিসেবে। আমি শিশুটির মাকে খোঁজ করি। তাঁরা বলেন, শিশুটির মা নিচে আছে। আমি মাকে নিয়ে আসতে বললে বাচ্চাসহ ওই দম্পতি বেরিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরে শিশু ওয়ার্ডের বাইরে একটি বেডে বাচ্চাটিকে একা থাকতে দেখে অন্যরা বিষয়টি আমাদের জানান। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির মা ও স্বজনদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শিশুটির বিছানায় একটি বাজারের ব্যাগে কিছু ওষুধ, ডায়াপার ও জামাকাপড় পাওয়া গেছে।’ এ সময় চিকিৎসক গোলাম আহাদ জানান, স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের যে সময়কাল, তার আগেই নবজাতকের জন্ম। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে। তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, একটি ব্যাগে ভরে বাচ্চাটিকে হাসপাতাল পর্যন্ত এনেছেন তার স্বজনেরা। এরই মধ্যে অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নিতে হাসপাতালে যোগাযোগ করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরে শিশুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৩ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে