Ajker Patrika

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নিরাপত্তা রক্ষীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ঢামেক প্রতিবেদক
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নিরাপত্তা রক্ষীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
ফাইল ছবি

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ম্যাটাডোর নামে একটি কোম্পানির হোস্টেলের টয়লেট থেকে ইয়াকুব আলী (২৫) নামে এক যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। ইয়াকুব আলী ওই কোম্পানির নিরাপত্তা রক্ষী ছিলেন। তাঁর বাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মালেক।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কামরাঙ্গীরচর লেকপাড়ে ম্যাটাডোর কোম্পানির হোস্টেলের টয়লেট থেকে গলা কাটা অবস্থায় ইয়াকুব আলীকে উদ্ধার করেন তাঁর সহকর্মীরা। পরে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা রাত ৩টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

হাসপাতালে ম্যাটাডোর কোম্পানির সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান জানান, রাতে হোস্টেলের নিরাপত্তাকর্মীর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গলাকাটা অবস্থায় ইয়াকুব আলীকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্য কর্মচারীরা তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ইয়াকুব আলীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ম্যাটাডোরের কারখানার পাশে কোম্পানির হোস্টেল। হোস্টেলের একটি কক্ষে ৮ জন কর্মচারী থাকেন। রাতে সবাই ডিউটিতে ছিলেন। ইয়াকুবেরও রাতে ডিউটি ছিল। অন্য কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা গেছে, রাত ১টার দিকে ‘ভালো লাগছে না’ বলে তিনি কারখানা থেকে হোস্টেলে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর তাঁকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক জানান, রাত ১টার দিকে ম্যাটাডোরের হোস্টেলের টয়লেট থেকে গোঙানির আওয়াজ পান কোম্পানির অন্য নিরাপত্তা কর্মীরা। পরে সেখানে ইয়াকুব আলীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই টয়লেটে রক্তমাখা একটি ব্লেড পাওয়া গেছে। ইয়াকুব আলীকে কেউ হত্যা করেছে, নাকি তিনি নিজের গলা নিজেই কেটেছেন—এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত