মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল-ফিতরকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ১৬৯টি মোটরসাইকেল নিয়ে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায় ফেরি কলমিলতা। এরপর সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কলমিলতা ও কুঞ্জলতা নামের দুটি ফেরি এই নৌপথে তিনবার যাতায়াত করে। এতে ২৬১টি মোটরসাইকেল পারাপার করা হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) এস এম আতিকুজ্জামান বলেন, ‘সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ১৬৯টি মোটরসাইকেল নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায় ফেরি কলমিলতা। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে এ নৌপথে যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপার শুরু হয়েছে। বর্তমানে কে-টাইপ ফেরি কলমিলতা ও কুঞ্জলতা দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে। ধারণা করা যায়, ঈদের ছুটিতে এই নৌপথে মোটরসাইকেলের সংখ্যা আরও বাড়বে। বর্তমানে দুটি ফেরি দুপাশ থেকে তিন ঘণ্টা পরপর ছাড়া হচ্ছে। মোটরসাইকেলের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়ানো হবে।’
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. জামাল হোসেন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দুটি ফেরি দিয়ে তিন ট্রিপে ২৬১টি মোটরসাইকেল পারাপার করা হয়েছে। সকালে ছেড়ে যাওয়া কলমিলতা ফেরিটি সোয়া এক ঘণ্টার মধ্যে নিরাপদে মাঝিকান্দি ঘাটে পৌঁছায়। সেখান থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে ফেরিটি আবারও শিমুলিয়া ঘাটে আসে। সকাল ৯টার দিকে ৮৭টি মোটরসাইকেল নিয়ে ফেরি কুঞ্জলতাও মাঝিকান্দি ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।’
মো. জামাল হোসেন আরও বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে লঞ্চ, ফেরি, স্পিডবোট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে যাত্রীশূন্য হয়ে যায় শিমুলিয়া ঘাট। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আবারও ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় ঘাটে প্রাণ ফিরে এসেছে। দক্ষিণাঞ্চলের বহু মানুষ এই নৌপথ দিয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।
ঘাট সূত্রে জানা যায়, শিমুলিয়ায় মোট চারটি ফেরিঘাট রয়েছে। এর মধ্যে ৪ নম্বর ভিআইপি ফেরিঘাট দিয়ে চলবে। ফেরিতে মোটরসাইকেল পারাপারে ১৫০ টাকা ও যাত্রীদের জন্য ৩০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ফেরিতে মোটরসাইকেল পারাপার অব্যাহত থাকবে। এর আগে গত সোমবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে ফেরি কলমিলতা মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি ঘাটের উদ্দেশ্য পরীক্ষামূলকভাবে ছেড়ে যায়। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ফেরিটি নিরাপদে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার থেকে চূড়ান্তভাবে ফেরি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে গত বছরের ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। ২৬ জুন সকাল থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় সেতুটি। ওই দিনই রাতে বেপরোয়া মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুতে দুজন নিহত হন। দুর্ঘটনা এড়াতে ২৭ জুন ভোর ৬টা থেকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্টরা। সবশেষ গত ৩০ জুন শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে ফেরিযোগে মোটরসাইকেল পারাপার করা হয়।

পবিত্র ঈদুল-ফিতরকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ১৬৯টি মোটরসাইকেল নিয়ে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায় ফেরি কলমিলতা। এরপর সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কলমিলতা ও কুঞ্জলতা নামের দুটি ফেরি এই নৌপথে তিনবার যাতায়াত করে। এতে ২৬১টি মোটরসাইকেল পারাপার করা হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) এস এম আতিকুজ্জামান বলেন, ‘সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ১৬৯টি মোটরসাইকেল নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায় ফেরি কলমিলতা। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে এ নৌপথে যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপার শুরু হয়েছে। বর্তমানে কে-টাইপ ফেরি কলমিলতা ও কুঞ্জলতা দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে। ধারণা করা যায়, ঈদের ছুটিতে এই নৌপথে মোটরসাইকেলের সংখ্যা আরও বাড়বে। বর্তমানে দুটি ফেরি দুপাশ থেকে তিন ঘণ্টা পরপর ছাড়া হচ্ছে। মোটরসাইকেলের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়ানো হবে।’
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. জামাল হোসেন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দুটি ফেরি দিয়ে তিন ট্রিপে ২৬১টি মোটরসাইকেল পারাপার করা হয়েছে। সকালে ছেড়ে যাওয়া কলমিলতা ফেরিটি সোয়া এক ঘণ্টার মধ্যে নিরাপদে মাঝিকান্দি ঘাটে পৌঁছায়। সেখান থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে ফেরিটি আবারও শিমুলিয়া ঘাটে আসে। সকাল ৯টার দিকে ৮৭টি মোটরসাইকেল নিয়ে ফেরি কুঞ্জলতাও মাঝিকান্দি ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।’
মো. জামাল হোসেন আরও বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে লঞ্চ, ফেরি, স্পিডবোট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে যাত্রীশূন্য হয়ে যায় শিমুলিয়া ঘাট। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আবারও ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় ঘাটে প্রাণ ফিরে এসেছে। দক্ষিণাঞ্চলের বহু মানুষ এই নৌপথ দিয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।
ঘাট সূত্রে জানা যায়, শিমুলিয়ায় মোট চারটি ফেরিঘাট রয়েছে। এর মধ্যে ৪ নম্বর ভিআইপি ফেরিঘাট দিয়ে চলবে। ফেরিতে মোটরসাইকেল পারাপারে ১৫০ টাকা ও যাত্রীদের জন্য ৩০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ফেরিতে মোটরসাইকেল পারাপার অব্যাহত থাকবে। এর আগে গত সোমবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে ফেরি কলমিলতা মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি ঘাটের উদ্দেশ্য পরীক্ষামূলকভাবে ছেড়ে যায়। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ফেরিটি নিরাপদে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার থেকে চূড়ান্তভাবে ফেরি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে গত বছরের ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। ২৬ জুন সকাল থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় সেতুটি। ওই দিনই রাতে বেপরোয়া মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুতে দুজন নিহত হন। দুর্ঘটনা এড়াতে ২৭ জুন ভোর ৬টা থেকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্টরা। সবশেষ গত ৩০ জুন শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে ফেরিযোগে মোটরসাইকেল পারাপার করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে