সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ৫০ থানাতেও হয়েছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পরিবর্তন। ডিএমপির ৫০ থানার সবগুলো থানার ওসিকেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল চলতি সপ্তাহে। এবার ১৪টি থানায় নতুন ওসি হিসেবে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার ১৪ জন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ জানায়, ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে তাঁদের পদায়ন করা হয়।
মোহাম্মদ তাইফুর রহমান মির্জাকে দক্ষিণখান থানায়, মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে পল্লবী থানায়, মো. তৌহিদ আহম্মেদকে গুলশান থানায়, মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামকে ভাটারা থানায়, মুহাম্মদ আজহারুল ইসলামকে খিলক্ষেত থানায়, গোলাম ফারুককে রমনা থানায়, মোল্লা মো. খালিদ হোসেনকে পল্টন থানায়, মো. সাইফুল ইসলামকে বাড্ডা থানায়, এরশাদ আহমেদকে বিমানবন্দর থানায়, মুহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে মিরপুর মডেল থানায়, মো. মোবারক হোসেনকে তেজগাঁও থানায়, মো. হাফিজুর রহমানকে উত্তরা-পশ্চিম থানায়, মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলামকে শাহবাগ থানায় এবং মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে ধানমন্ডি থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট বদলি করা হয় ডিএমপির ১৮ ওসিকে। এরপর ১৮ আগস্ট ডিএমপির ৩২ থানার ওসিকে একযোগে বদলির আদেশ জারি করা হয়। অর্থাৎ, ডিএমপির সব থানার ওসিই বদলি হয়েছিল।

কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণেই পুরো এলাকা পানিতে ডুবে যায়। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি দ্রুতই খারাপ হয়ে ওঠে। অনেক দোকানপাট ও বাসাবাড়ির নিচতলা পানিতে তলিয়ে যায়।
৪ মিনিট আগে
ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তার মধ্যে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। জেলায় চলতি বছরে এটি সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। ভারী বর্ষণে সদর হাসপাতাল মোড়, পেট্রোবাংলাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
১১ মিনিট আগে
কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার কেওলার হাওরে গিয়ে দেখা যায়, গত দুই দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত পানি বেড়ে প্রায় এক হাজার হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একইভাবে রাজনগর, কুলাউড়া ও সদর উপজেলার হাওর ও নিম্নাঞ্চলের ধানখেতও প্লাবিত হয়েছে।
১২ মিনিট আগে
এক কোরবানি গিয়ে আরেক কোরবানির সময় চলে এসেছে। অথচ বিগত বছরগুলোর মতো গেল কোরবানিতেও জবাই করা পশুর চামড়া অবমূল্যায়িত রয়ে গেছে। এ কারণে পাইকারেরাও চামড়া কেনায় আগ্রহ হারিয়েছেন। এ অবস্থায় খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা-সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোতে প্রক্রিয়াজাত করা চামড়া এখনো বাজারজাত করা সম্ভব
২২ মিনিট আগে