ঢাকা: দেশের সকল রেলস্টেশনে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকতে পারবে না। যারা এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিদর্শক (জিআইবিআর) অসীম কুমার তালুকদার।
আজ মঙ্গলবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে রেলস্টেশন ঘুরে দেখেন তিনি।
রেলস্টেশন পরিদর্শনের সময় অসীম কুমার তালুকদার বলেন, কমলাপুরের মতো প্রতিটি স্টেশন নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্টেশনের আঙিনায় অবৈধ দোকানপাট গড়ে উঠতে দেওয়া যাবে না। তা ছাড়া এখন বৃষ্টির মৌসুম, তাই হঠাৎ বৃষ্টি হতে পারে। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে পানি জমে রেললাইন ট্র্যাকের নিচ থেকে মাটি কমে যেতে পারে, তখন ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। ফলে রেলের ট্র্যাকগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করতে হবে।
অসীম কুমার তালুকদার বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী করোনার এই সময়ে কোনো ট্রেনে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করতে পারে সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যাত্রীদের স্টেশনে প্রবেশ করানোর বিষয়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকার বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক সাদিকুর রহমান, বিভাগীয় রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শওকত জামিল মোহসী, কমলাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ারসহ বিভাগীয় অন্যান্য কর্মকর্তারা।

লক্ষ্মীপুরে ঝড়ে সড়কের ওপর উপড়ে পড়া গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে মনোহরি দাশ (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের চৌরাস্তা সরকারি কলেজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৬ মিনিট আগে
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যমুনা সেতুতে যানবাহন পারাপার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) এক দিনেই সেতুতে টোল আদায় হয়েছে সাড়ে ৩ কোটি টাকার বেশি। যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সেতু দিয়ে ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বমুখী ছিল ৩২ হাজার...
২২ মিনিট আগে
চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৭ ঘণ্টা আগে