হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার প্রতিবাদ, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই কর্মসূচিকে তারা ‘হবিগঞ্জ ব্লকেড’ নামে অভিহিত করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহরের পৌর টাউন হলের সামনে প্রধান সড়ক অবরোধ করে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। সভায় বক্তারা হবিগঞ্জে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের আসামি ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দৃশ্যমান কোনো অপারেশন দেখছেন না বলে অভিযোগ করেন।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, হবিগঞ্জে ১৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ সেই হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে ঘুরছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান ভূমিকা নেই। দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে হবিগঞ্জের ছাত্রসমাজকে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
এ সময় বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাহদি হাসান, আশরাফুল ইসলাম সুজন, আরিফুল ইসলাম প্রমুখ গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আখ্যা দিয়ে মো. কাশেমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
তাঁরা বলেন, ‘আজ বিপ্লবের দ্বারা এই সরকার গঠিত হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভুলে গেছে আমাদের রক্তের ওপর পা দিয়েই সরকার গঠিত হয়েছে। তারা ঘুমিয়ে গেছে, তারা ভুলে গেছে। তারা এখন দোসরদের নিয়ে কাজ করছে। আমরা জানতে চাই, কাদের ইন্ধনে আমাদের হবিগঞ্জেও এত শহীদ হওয়া সত্ত্বেও সেই আওয়ামী লীগদের এসি ঘরে ঘুমানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা ছাত্র আন্দোলনের সময় কেউ নিরাপদে ঘরে ঘুমাতে পারিনি।’
আরেক বক্তা বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা আওয়ামী লীগকে বিদায় করতে পারলেও, তাদের দোসরেরা এখনো বাংলার মাটিতে রয়েছে। আওয়ামী লীগ আবারও পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা ছাত্রসমাজ বলে দিতে চাই, তাদের অস্তিত্ব বাংলার মাটিতে থাকবে না।’
বেলা ১টার দিকে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে আশ্বস্ত করলে রাস্তা থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার প্রতিবাদ, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই কর্মসূচিকে তারা ‘হবিগঞ্জ ব্লকেড’ নামে অভিহিত করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহরের পৌর টাউন হলের সামনে প্রধান সড়ক অবরোধ করে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। সভায় বক্তারা হবিগঞ্জে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের আসামি ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দৃশ্যমান কোনো অপারেশন দেখছেন না বলে অভিযোগ করেন।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, হবিগঞ্জে ১৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ সেই হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে ঘুরছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান ভূমিকা নেই। দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে হবিগঞ্জের ছাত্রসমাজকে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
এ সময় বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাহদি হাসান, আশরাফুল ইসলাম সুজন, আরিফুল ইসলাম প্রমুখ গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আখ্যা দিয়ে মো. কাশেমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
তাঁরা বলেন, ‘আজ বিপ্লবের দ্বারা এই সরকার গঠিত হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভুলে গেছে আমাদের রক্তের ওপর পা দিয়েই সরকার গঠিত হয়েছে। তারা ঘুমিয়ে গেছে, তারা ভুলে গেছে। তারা এখন দোসরদের নিয়ে কাজ করছে। আমরা জানতে চাই, কাদের ইন্ধনে আমাদের হবিগঞ্জেও এত শহীদ হওয়া সত্ত্বেও সেই আওয়ামী লীগদের এসি ঘরে ঘুমানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা ছাত্র আন্দোলনের সময় কেউ নিরাপদে ঘরে ঘুমাতে পারিনি।’
আরেক বক্তা বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা আওয়ামী লীগকে বিদায় করতে পারলেও, তাদের দোসরেরা এখনো বাংলার মাটিতে রয়েছে। আওয়ামী লীগ আবারও পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা ছাত্রসমাজ বলে দিতে চাই, তাদের অস্তিত্ব বাংলার মাটিতে থাকবে না।’
বেলা ১টার দিকে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে আশ্বস্ত করলে রাস্তা থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে