নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

একটি দেশের সংখ্যালঘুরা যদি ভালো থাকে, তাহলে সেই দেশ ভালো থাকে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
আজ শুক্রবার প্রেসক্লাবে হরিজন সম্প্রদায়ের আবাসন ও আউটসোর্সিং বাতিলের দাবিতে ‘হরিজন ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘সংখ্যালঘুরা যদি ভালো না থাকে, তবে দেশ ভালো থাকে না। দেশের হরিজনসহ আদিবাসীদের ওপর নানা কৌশলে নির্যাতন-নিপীড়ন হচ্ছে। তাদের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায় দেশ কোন পর্যায়ে আছে।’
এ সময় হরিজন সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের শিশুদের শিক্ষিত করে তোলার আহ্বান জানান রোবায়েত ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সহজে কোনো কিছু পাওয়া যায় না। তাই আপনাদের নিত্য নতুন কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে নীতিনির্ধারকেরা আপনাদের অধিকার, চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেয়।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটির অ্যাস্কে ডেঞ্জার্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ধীরেস চন্দ্র দাস বলেন, ‘চাকরি হারানোর ভয়ে অনেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ছয়য় থেকে সাত কিলোমিটার পর্যন্ত পরিষ্কার করতে হয়। এটা অমানবিক।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটির চেয়ে দক্ষিণ সিটিতে বৈষম্য বেশি। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। ঠুনকো অজুহাতে অনেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি চলে যাচ্ছে, এসব বন্ধ করতে হবে।’ তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নামে সুন্দর একটি নাম দেওয়া ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সংগঠনের সভাপতি কৃষ্ণলাল বলেন, ঝাড়ুদার, ক্লিনার, সুইপার পদে ৮০ শতাংশ কোটা বাস্তবায়ন, উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা চালু করতে হবে। এসব দাবি মেনে না নিলে তাঁরা যদি রাস্তায় নামেন, তাহলে সরকারেরই বদনাম হবে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ১৫ লাখের বেশি হরিজন বসবাস করে। তাদের সঠিকভাবে আদমশুমারিতে অন্তর্ভুক্ত পর্যন্ত করা হচ্ছে না। হরিজনদের থাকার জন্য যে জায়গা দেওয়া হয়েছে, তার এখনো কোনো দলিল দেওয়া হয়নি। তাই সরকারকে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁদের অনেক কিছু দিয়েছেন, বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু সরকারের ও সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তার বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে তাঁরা তা সঠিকভাবে পাচ্ছেন না। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব নির্মল চন্দ্র দাসসহ অন্যরা।

একটি দেশের সংখ্যালঘুরা যদি ভালো থাকে, তাহলে সেই দেশ ভালো থাকে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
আজ শুক্রবার প্রেসক্লাবে হরিজন সম্প্রদায়ের আবাসন ও আউটসোর্সিং বাতিলের দাবিতে ‘হরিজন ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘সংখ্যালঘুরা যদি ভালো না থাকে, তবে দেশ ভালো থাকে না। দেশের হরিজনসহ আদিবাসীদের ওপর নানা কৌশলে নির্যাতন-নিপীড়ন হচ্ছে। তাদের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায় দেশ কোন পর্যায়ে আছে।’
এ সময় হরিজন সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের শিশুদের শিক্ষিত করে তোলার আহ্বান জানান রোবায়েত ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সহজে কোনো কিছু পাওয়া যায় না। তাই আপনাদের নিত্য নতুন কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে নীতিনির্ধারকেরা আপনাদের অধিকার, চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেয়।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটির অ্যাস্কে ডেঞ্জার্স অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ধীরেস চন্দ্র দাস বলেন, ‘চাকরি হারানোর ভয়ে অনেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ছয়য় থেকে সাত কিলোমিটার পর্যন্ত পরিষ্কার করতে হয়। এটা অমানবিক।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটির চেয়ে দক্ষিণ সিটিতে বৈষম্য বেশি। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। ঠুনকো অজুহাতে অনেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি চলে যাচ্ছে, এসব বন্ধ করতে হবে।’ তবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নামে সুন্দর একটি নাম দেওয়া ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সংগঠনের সভাপতি কৃষ্ণলাল বলেন, ঝাড়ুদার, ক্লিনার, সুইপার পদে ৮০ শতাংশ কোটা বাস্তবায়ন, উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা চালু করতে হবে। এসব দাবি মেনে না নিলে তাঁরা যদি রাস্তায় নামেন, তাহলে সরকারেরই বদনাম হবে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ১৫ লাখের বেশি হরিজন বসবাস করে। তাদের সঠিকভাবে আদমশুমারিতে অন্তর্ভুক্ত পর্যন্ত করা হচ্ছে না। হরিজনদের থাকার জন্য যে জায়গা দেওয়া হয়েছে, তার এখনো কোনো দলিল দেওয়া হয়নি। তাই সরকারকে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁদের অনেক কিছু দিয়েছেন, বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু সরকারের ও সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তার বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে তাঁরা তা সঠিকভাবে পাচ্ছেন না। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব নির্মল চন্দ্র দাসসহ অন্যরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে