গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল কালাম আযাদ বলেছেন, ‘আমি আপনাদের পাহারাদার হতে এসেছি। পুলিশ জনগণের বন্ধু, আমি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিয়ে এ কথা আপনাদের বিশ্বাস করাতে চাই।’ আজ রোববার সকালে গাজীপুরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এ সময় সাংবাদিক নেতারা আলোচনায় অংশ নিয়ে পুলিশের নানা অনিয়ম তুলে ধরে এসব বন্ধ করার আহ্বান জানান। সাংবাদিক নেতারা বলেন, ‘জেলা পুলিশের যেকোনো ভালো কাজে আমরা সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি।’ এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকেরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখার জন্য তাঁরা নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ করেন।
জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিগত সময়ে পুলিশকে নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা এবং দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। এসব ভুল-ভ্রান্তি শুধরে পুলিশকে একটি পেশাদার বাহিনীতে পরিণত করতে চাই।’ এ জন্য তিনি পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
নবাগত পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনবান্ধব পুলিশিং সেবা করতে চান তিনি। সঠিকভাবে পুলিশের দায়িত্ব পালনে তাঁর নেতৃত্বে পুলিশ বদ্ধপরিকর। পুলিশের পেশাদারি বজায় রাখতে তিনি কাজ করবেন বলে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন। এ সময় তিনি শৃঙ্খলা রক্ষায় সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা যে যেখানে আছি, যদি নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালন করি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। পুলিশের যা কাজ, তা সঠিকভাবে পালন করার জন্য যাতে পরিবেশ তৈরি হয়, সে ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) গোলাম রব্বানী শেখ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

গাজীপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল কালাম আযাদ বলেছেন, ‘আমি আপনাদের পাহারাদার হতে এসেছি। পুলিশ জনগণের বন্ধু, আমি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিয়ে এ কথা আপনাদের বিশ্বাস করাতে চাই।’ আজ রোববার সকালে গাজীপুরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এ সময় সাংবাদিক নেতারা আলোচনায় অংশ নিয়ে পুলিশের নানা অনিয়ম তুলে ধরে এসব বন্ধ করার আহ্বান জানান। সাংবাদিক নেতারা বলেন, ‘জেলা পুলিশের যেকোনো ভালো কাজে আমরা সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি।’ এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকেরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখার জন্য তাঁরা নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ করেন।
জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিগত সময়ে পুলিশকে নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা এবং দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। এসব ভুল-ভ্রান্তি শুধরে পুলিশকে একটি পেশাদার বাহিনীতে পরিণত করতে চাই।’ এ জন্য তিনি পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
নবাগত পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনবান্ধব পুলিশিং সেবা করতে চান তিনি। সঠিকভাবে পুলিশের দায়িত্ব পালনে তাঁর নেতৃত্বে পুলিশ বদ্ধপরিকর। পুলিশের পেশাদারি বজায় রাখতে তিনি কাজ করবেন বলে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন। এ সময় তিনি শৃঙ্খলা রক্ষায় সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা যে যেখানে আছি, যদি নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালন করি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। পুলিশের যা কাজ, তা সঠিকভাবে পালন করার জন্য যাতে পরিবেশ তৈরি হয়, সে ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) গোলাম রব্বানী শেখ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে