নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কিছুদিন আগেও ঢাকায় ৩৪টি কিশোর গ্যাং ছিল। সম্প্রতি এ তালিকা বড় হয়েছে। এ কিশোর গ্যাং কালচারের নেপথ্যে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে যে বড় ভাই থাকুক না কেন, যেই রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, শিশুদের ভিন্নভাবে অপরাধকাজে ব্যবহার করা অপরাধ। তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের তালিকা করে প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
কিশোর অপরাধ বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে আজ শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে কিশোর অপরাধ বৃদ্ধির কারণ নিয়ে এ ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজিপি খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘অপরাধীর কোনো দল নেই, থাকার কথাও না। অপরাধীই বরং কোনো কোনো দলে আশ্রয় নেয়। অতীতে আমরা তা-ই দেখেছি। কিশোর অপরাধ নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়েছে। কিশোর অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের যেন আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। ডিএমপির পক্ষ থেকে বলতে চাই, কিশোর অপরাধের পেছনে যদি কেউ কোনো পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা আছে বলে আমি মনে করি না।’
কিশোর অপরাধের পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিশোর অপরাধী গ্যাং ছিল ৩৪টি, এটা বেড়েছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কিশোর অপরাধে যারা জড়িত বা সংশ্লিষ্ট—তাদের বিরুদ্ধে আইনের মাত্রা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এ কিশোর অপরাধে যেন কেউ পৃষ্ঠপোষকতা না করে। কার্যক্রমের জন্য কিশোরদের ব্যবহার করা না হয়। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।’
তালিকা করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পৃষ্ঠপোষকদের নাম আসছে। তাদের তালিকা করা হবে। নাম কিছু এসেছে। আরও কিছু আসলে তালিকা হালনাগাদ করা হবে।’

কিছুদিন আগেও ঢাকায় ৩৪টি কিশোর গ্যাং ছিল। সম্প্রতি এ তালিকা বড় হয়েছে। এ কিশোর গ্যাং কালচারের নেপথ্যে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে যে বড় ভাই থাকুক না কেন, যেই রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, শিশুদের ভিন্নভাবে অপরাধকাজে ব্যবহার করা অপরাধ। তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের তালিকা করে প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
কিশোর অপরাধ বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে আজ শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে কিশোর অপরাধ বৃদ্ধির কারণ নিয়ে এ ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজিপি খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘অপরাধীর কোনো দল নেই, থাকার কথাও না। অপরাধীই বরং কোনো কোনো দলে আশ্রয় নেয়। অতীতে আমরা তা-ই দেখেছি। কিশোর অপরাধ নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়েছে। কিশোর অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের যেন আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। ডিএমপির পক্ষ থেকে বলতে চাই, কিশোর অপরাধের পেছনে যদি কেউ কোনো পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা আছে বলে আমি মনে করি না।’
কিশোর অপরাধের পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিশোর অপরাধী গ্যাং ছিল ৩৪টি, এটা বেড়েছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কিশোর অপরাধে যারা জড়িত বা সংশ্লিষ্ট—তাদের বিরুদ্ধে আইনের মাত্রা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এ কিশোর অপরাধে যেন কেউ পৃষ্ঠপোষকতা না করে। কার্যক্রমের জন্য কিশোরদের ব্যবহার করা না হয়। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।’
তালিকা করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পৃষ্ঠপোষকদের নাম আসছে। তাদের তালিকা করা হবে। নাম কিছু এসেছে। আরও কিছু আসলে তালিকা হালনাগাদ করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে