নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যুবলীগ নেতা মো. আনোয়ারুল ইসলামকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান রিমান্ডে নেওয়ার এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে আনোয়ারুলকে আদালতে হাজির করে কলাবাগান থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার এসআই জহির রায়হান ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ৪ দিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে কলাবাগান থানা-পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কলাবাগান থানার ৩২ লেক সার্কাস (এনা কিংডম) এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর কলাবাগান থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৪ আগস্ট বিকেল সোয়া ৩ টার দিকে কলাবাগান কাঠালবাগান ঢালের পাশ দিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি মিছিল যাচ্ছিল। মিছিলটি কলাবাগানের সৈনিক ক্রসিং এ পৌঁছানোর পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলের ওপর হামলা করে।
এ সময় আসামিদের করা গুলিতে অনেকেই আহত হন। তারা রামদা চাপাতি ও লাঠি সোটা দিয়ে মিছিল কারীদের ওপর হামলা করে। মিছিলকারীদের হত্যার চেষ্টা করে। এতে সাগর মাইনুদ্দিন ও হাসনাইন নামে তিনজন গুরুতর আহত হন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, হামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য আনোয়ারুলকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে টাকা আয় করেছেন। তার দুর্নীতি এবং বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উদঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ এর প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, আনোয়ারুল আজিম যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যুবলীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যুবলীগ নেতা মো. আনোয়ারুল ইসলামকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান রিমান্ডে নেওয়ার এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে আনোয়ারুলকে আদালতে হাজির করে কলাবাগান থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার এসআই জহির রায়হান ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ৪ দিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে কলাবাগান থানা-পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কলাবাগান থানার ৩২ লেক সার্কাস (এনা কিংডম) এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর কলাবাগান থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৪ আগস্ট বিকেল সোয়া ৩ টার দিকে কলাবাগান কাঠালবাগান ঢালের পাশ দিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি মিছিল যাচ্ছিল। মিছিলটি কলাবাগানের সৈনিক ক্রসিং এ পৌঁছানোর পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলের ওপর হামলা করে।
এ সময় আসামিদের করা গুলিতে অনেকেই আহত হন। তারা রামদা চাপাতি ও লাঠি সোটা দিয়ে মিছিল কারীদের ওপর হামলা করে। মিছিলকারীদের হত্যার চেষ্টা করে। এতে সাগর মাইনুদ্দিন ও হাসনাইন নামে তিনজন গুরুতর আহত হন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, হামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য আনোয়ারুলকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে টাকা আয় করেছেন। তার দুর্নীতি এবং বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উদঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ এর প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, আনোয়ারুল আজিম যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যুবলীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য ছিলেন।

ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
৩৭ মিনিট আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে