কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার সকালে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র স্টাফ নার্সকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে ৭ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া এলাকার ফালু মিয়ার ছেলে সৃজনশীল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক মনিরুজ্জামান মল্লিক (৩২)। অপরদিকে খাদ্যনালিতে ফোটা কারণে ১২ জানুয়ারি ভর্তি হয়েছিলেন নিকলী উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের আবদুল কাদিরের ছেলে জহিরুল (২২)।
বুধবার সকালে দুজনেরই অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিনিয়র স্টাফ নার্স নাদিরা বেগম ওয়ার্ডের সিটেই দুজনকে ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই তাঁরা কাতরাতে কাতরাতে মারা যান।
অভিযোগ রয়েছে, অপারেশন থিয়েটারে প্রয়োগের জন্য নির্ধারিত অ্যানেসথেসিয়ার ইনজেকশন ভুল করে ওয়ার্ডের বেডে পুশ করায় এ ঘটনা ঘটে।
জহিরুল ইসলামের বড় ভাই মাসুক মিয়া বলেন, ‘শুধু নার্স না, চিকিৎসকেরাও জড়িত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকেরা কী করছে? এই ওয়ার্ডে নার্সসহ যে যে চিকিৎসক দায়িত্বে আছে সবার বিচারের দাবি জানাই। আমার ভাইয়ের বয়সই কত হইছিল। ২২ বছর বয়সেই ওদের ভুল চিকিৎসায় আমার ভাই মারা গেল।’
মনিরুজ্জামান মল্লিকের চাচাতো ভাই মো. মোজাফফর বলেন, মল্লিকের অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা ছিল। অতীতে বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা করিয়েছে। তখন চিকিৎসক জানিয়েছেন অপারেশন করতে হবে। তাই ভালো চিকিৎসা এবং খরচের চিন্তা করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে এসেছিলেন।
মো. মোজাফফর বলেন, ‘যে ইনজেকশন দেওয়ার কথা অপারেশন থিয়েটারে, সেখানে না দিয়ে দেওয়া হয়েছে রোগীর বেডে। ইনজেকশন দেওয়ার কয়েক মিনিট পর মল্লিক চিৎকার করে বলতেছিল, ‘‘সিস্টার আমাকে কী ইনজেকশন দিলেন আমি তো শেষ’’, এ কথা বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে মল্লিক।’

সার্জারি ওয়ার্ডে জহিরুলের পাশের বেডে চিকিৎসা নিচ্ছেন রাব্বি। তিনি বলেন, ‘রোগীটা বাথরুমও করতে পারে নাই, নিয়ে আইসা পড়ছে। আনার পরে সিস্টারে ইনজেকশন দিছে। আমি শুধু দাঁত মাইজা কুলি করে আসার পর দেখি লোকটা আর কথা কয় না। পরে সিস্টাররে ডাইকা আনলাম। ডাক্তারকে ডাকি কোনো সারাশব্দ নাই, তিনবার ডাকার পরে ডাক্তার আইসা বলে পরীক্ষা করে বলতে হবে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কিশোরগঞ্জের অন্যতম সমন্বয়ক অভি চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহেলিত হাসপাতালের নাম শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এই হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন না। তাঁরা ব্যস্ত থাকে ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালের দালালি নিয়ে। এদের গাফিলতির কারণে সাধারণ জনগণ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়। আজকের এই ঘটনাও তাঁদের গাফিলতির কারণে ঘটেছে বলে মনে করি। এই হাসপাতালের আমূল সংস্কার প্রয়োজন।’
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হেলিশ রঞ্জন সরকার জানান, ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট নার্সকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক চিকিৎসক মো. নাসিরুজ্জামানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নার্সের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে তিনি নিজেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
এদিকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের সড়কটি ৪ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন মনিরুজ্জামান মল্লিকের ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের দাবি, এ ঘটনায় জড়িত নার্সকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া ওই বিভাগের চিকিৎসকদেরও বিচারের দাবি জানান।
সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সজিব বলেন, ‘মল্লিক স্যার আমাদের গণিত পড়াতেন। খুবই ভালো মানুষ ছিলেন তিনি। গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে উনি টাকা নিতেন না। ফ্রি পড়াতেন। স্যারের মতো একজন ভালো মানুষকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা এর কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
৪ ঘণ্টা পর তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে—হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছাড়েন।

কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার সকালে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র স্টাফ নার্সকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে ৭ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া এলাকার ফালু মিয়ার ছেলে সৃজনশীল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক মনিরুজ্জামান মল্লিক (৩২)। অপরদিকে খাদ্যনালিতে ফোটা কারণে ১২ জানুয়ারি ভর্তি হয়েছিলেন নিকলী উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের আবদুল কাদিরের ছেলে জহিরুল (২২)।
বুধবার সকালে দুজনেরই অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিনিয়র স্টাফ নার্স নাদিরা বেগম ওয়ার্ডের সিটেই দুজনকে ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই তাঁরা কাতরাতে কাতরাতে মারা যান।
অভিযোগ রয়েছে, অপারেশন থিয়েটারে প্রয়োগের জন্য নির্ধারিত অ্যানেসথেসিয়ার ইনজেকশন ভুল করে ওয়ার্ডের বেডে পুশ করায় এ ঘটনা ঘটে।
জহিরুল ইসলামের বড় ভাই মাসুক মিয়া বলেন, ‘শুধু নার্স না, চিকিৎসকেরাও জড়িত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকেরা কী করছে? এই ওয়ার্ডে নার্সসহ যে যে চিকিৎসক দায়িত্বে আছে সবার বিচারের দাবি জানাই। আমার ভাইয়ের বয়সই কত হইছিল। ২২ বছর বয়সেই ওদের ভুল চিকিৎসায় আমার ভাই মারা গেল।’
মনিরুজ্জামান মল্লিকের চাচাতো ভাই মো. মোজাফফর বলেন, মল্লিকের অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা ছিল। অতীতে বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা করিয়েছে। তখন চিকিৎসক জানিয়েছেন অপারেশন করতে হবে। তাই ভালো চিকিৎসা এবং খরচের চিন্তা করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে এসেছিলেন।
মো. মোজাফফর বলেন, ‘যে ইনজেকশন দেওয়ার কথা অপারেশন থিয়েটারে, সেখানে না দিয়ে দেওয়া হয়েছে রোগীর বেডে। ইনজেকশন দেওয়ার কয়েক মিনিট পর মল্লিক চিৎকার করে বলতেছিল, ‘‘সিস্টার আমাকে কী ইনজেকশন দিলেন আমি তো শেষ’’, এ কথা বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে মল্লিক।’

সার্জারি ওয়ার্ডে জহিরুলের পাশের বেডে চিকিৎসা নিচ্ছেন রাব্বি। তিনি বলেন, ‘রোগীটা বাথরুমও করতে পারে নাই, নিয়ে আইসা পড়ছে। আনার পরে সিস্টারে ইনজেকশন দিছে। আমি শুধু দাঁত মাইজা কুলি করে আসার পর দেখি লোকটা আর কথা কয় না। পরে সিস্টাররে ডাইকা আনলাম। ডাক্তারকে ডাকি কোনো সারাশব্দ নাই, তিনবার ডাকার পরে ডাক্তার আইসা বলে পরীক্ষা করে বলতে হবে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কিশোরগঞ্জের অন্যতম সমন্বয়ক অভি চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহেলিত হাসপাতালের নাম শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এই হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন না। তাঁরা ব্যস্ত থাকে ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালের দালালি নিয়ে। এদের গাফিলতির কারণে সাধারণ জনগণ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়। আজকের এই ঘটনাও তাঁদের গাফিলতির কারণে ঘটেছে বলে মনে করি। এই হাসপাতালের আমূল সংস্কার প্রয়োজন।’
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হেলিশ রঞ্জন সরকার জানান, ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট নার্সকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক চিকিৎসক মো. নাসিরুজ্জামানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নার্সের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে তিনি নিজেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
এদিকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের সড়কটি ৪ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন মনিরুজ্জামান মল্লিকের ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের দাবি, এ ঘটনায় জড়িত নার্সকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া ওই বিভাগের চিকিৎসকদেরও বিচারের দাবি জানান।
সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সজিব বলেন, ‘মল্লিক স্যার আমাদের গণিত পড়াতেন। খুবই ভালো মানুষ ছিলেন তিনি। গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে উনি টাকা নিতেন না। ফ্রি পড়াতেন। স্যারের মতো একজন ভালো মানুষকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা এর কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
৪ ঘণ্টা পর তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে—হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছাড়েন।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
৩০ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে