নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে। দুই দিনব্যাপী এই নির্বাচনে আগামীকালও একইভাবে ভোট গ্রহণ করা হবে।
ভোট গ্রহণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের মিলনায়তনে ৫০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৭ হাজার ৮৮৮ জন।
নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত (সাদা) প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন—সভাপতি পদে আবু সাঈদ সাগর, সম্পাদক পদে শাহ মঞ্জুরুল হক, সহসভাপতি পদে রমজান আলী শিকদার ও দেওয়ান মোহাম্মদ আবু ওবায়েদ হোসেন সেতু, কোষাধ্যক্ষ পদে মোহাম্মদ নুরুল হুদা আনসারী, সহসম্পাদক পদে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব ও হুমায়ুন কবির।
সাদা প্যানেলে সদস্য পদে সৌমিত্র সরদার রনী, মো. খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, রাশেদুল হক খোকন, মাহমুদা আফরোজ, বেলাল হোসেন শাহীন, খালেদ মোশাররফ রিপন ও রায়হান রনীকে প্রার্থী করা হয়েছে।
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য (নীল) প্যানেল থেকে মনোনীত প্রার্থীরা হলেন—সভাপতি পদে এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সম্পাদক পদে মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল), সহসভাপতি পদে মো. হুমায়ুন কবির মঞ্জু ও সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. রেজাউল করিম, সহসম্পাদক পদে মাহফুজুর রহমান মিলন ও মো. আব্দুল করিম।
নীল প্যানেলে সদস্য পদে ফাতিমা আক্তার, সৈয়দ ফজলে এলাহি অভি, মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মো. রাসেল আহমেদ, মো. আশিকুজ্জামান নজরুল, মহিউদ্দিন হানিফ ও মো. ইব্রাহিম খলিল প্রার্থী হয়েছেন।
দুই প্যানেলের বাইরে সভাপতি পদে সিনিয়র আইনজীবী এমকে রহমান ও ইউনুছ আলী আকন্দ এবং সম্পাদক পদে নাহিদ সুলতানা যুথি ও ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া প্রার্থী হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে সাদা ও নীল প্যানেলের বাইরে সাইফুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচন নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। সে সময় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের বলেন, ‘আমরা একটি স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চাই। প্রত্যাশা করছি সুন্দর নির্বাচন হবে। এ জন্য আইনজীবী ও সাংবাদিকসহ সবার সহযোগীতা প্রয়োজন।’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে। দুই দিনব্যাপী এই নির্বাচনে আগামীকালও একইভাবে ভোট গ্রহণ করা হবে।
ভোট গ্রহণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের মিলনায়তনে ৫০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৭ হাজার ৮৮৮ জন।
নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত (সাদা) প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন—সভাপতি পদে আবু সাঈদ সাগর, সম্পাদক পদে শাহ মঞ্জুরুল হক, সহসভাপতি পদে রমজান আলী শিকদার ও দেওয়ান মোহাম্মদ আবু ওবায়েদ হোসেন সেতু, কোষাধ্যক্ষ পদে মোহাম্মদ নুরুল হুদা আনসারী, সহসম্পাদক পদে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব ও হুমায়ুন কবির।
সাদা প্যানেলে সদস্য পদে সৌমিত্র সরদার রনী, মো. খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, রাশেদুল হক খোকন, মাহমুদা আফরোজ, বেলাল হোসেন শাহীন, খালেদ মোশাররফ রিপন ও রায়হান রনীকে প্রার্থী করা হয়েছে।
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য (নীল) প্যানেল থেকে মনোনীত প্রার্থীরা হলেন—সভাপতি পদে এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সম্পাদক পদে মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল), সহসভাপতি পদে মো. হুমায়ুন কবির মঞ্জু ও সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. রেজাউল করিম, সহসম্পাদক পদে মাহফুজুর রহমান মিলন ও মো. আব্দুল করিম।
নীল প্যানেলে সদস্য পদে ফাতিমা আক্তার, সৈয়দ ফজলে এলাহি অভি, মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মো. রাসেল আহমেদ, মো. আশিকুজ্জামান নজরুল, মহিউদ্দিন হানিফ ও মো. ইব্রাহিম খলিল প্রার্থী হয়েছেন।
দুই প্যানেলের বাইরে সভাপতি পদে সিনিয়র আইনজীবী এমকে রহমান ও ইউনুছ আলী আকন্দ এবং সম্পাদক পদে নাহিদ সুলতানা যুথি ও ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া প্রার্থী হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে সাদা ও নীল প্যানেলের বাইরে সাইফুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচন নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। সে সময় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের বলেন, ‘আমরা একটি স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চাই। প্রত্যাশা করছি সুন্দর নির্বাচন হবে। এ জন্য আইনজীবী ও সাংবাদিকসহ সবার সহযোগীতা প্রয়োজন।’

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৪০ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৪২ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে