বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ির বালিয়াকান্দির একটি স্কুলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানে হিন্দি গান বাজানোর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের বারান্দায় সাউন্ড বক্সে হিন্দি গান বাজানোর ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সৃষ্টি হয় সমালোচনা।
আজ সোমবার সকাল ১০ টার দিকে বালিয়াকান্দির জঙ্গল ইউনিয়নের ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা। এতে আহ্বায়ক করা হয়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফরোজা জেসমিন, একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মিয়াদ হোসেন ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল মাহমুদ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে শোক দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য সাউন্ডবক্স আনা হয়। কিন্তু হুট করেই দেশের গানের পরিবর্তে হিন্দি গান বাজছে শোনা যায়। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন স্থানীয় একজন। এরপর থেকে এটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
জাতীয় শোক দিবসে বিদ্যালয়ে হিন্দি গান বাজানোর বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কুমারেশ বাছার বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি না। তবে আমার সামনে কখনো হিন্দি গান বাজেনি। আমার স্কুলে আসার পরে দেশের গান ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো হয়েছে।’
বিষয়টি সম্পর্কে জঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে ফোন দিলে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। তবে আমার ইউনিয়ন পরিষদে এসে বিস্তারিত জানাতে চেয়েছে। আমিও ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য বের হয়েছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি আমি জানার সাথে সাথেই ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছি।’

রাজবাড়ির বালিয়াকান্দির একটি স্কুলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানে হিন্দি গান বাজানোর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের বারান্দায় সাউন্ড বক্সে হিন্দি গান বাজানোর ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সৃষ্টি হয় সমালোচনা।
আজ সোমবার সকাল ১০ টার দিকে বালিয়াকান্দির জঙ্গল ইউনিয়নের ধর্মতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা। এতে আহ্বায়ক করা হয়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফরোজা জেসমিন, একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মিয়াদ হোসেন ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল মাহমুদ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে শোক দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য সাউন্ডবক্স আনা হয়। কিন্তু হুট করেই দেশের গানের পরিবর্তে হিন্দি গান বাজছে শোনা যায়। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন স্থানীয় একজন। এরপর থেকে এটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
জাতীয় শোক দিবসে বিদ্যালয়ে হিন্দি গান বাজানোর বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কুমারেশ বাছার বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি না। তবে আমার সামনে কখনো হিন্দি গান বাজেনি। আমার স্কুলে আসার পরে দেশের গান ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো হয়েছে।’
বিষয়টি সম্পর্কে জঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে ফোন দিলে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। তবে আমার ইউনিয়ন পরিষদে এসে বিস্তারিত জানাতে চেয়েছে। আমিও ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য বের হয়েছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি আমি জানার সাথে সাথেই ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে