
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে নির্যাতনের শিকার এক শিশু (১২) গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে ১২টার পর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বারতোপা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর শিশুটি জানায়, সাত মাস ধরে ওই গ্রামের রিপন মিয়ার বাড়িতে কাজ করে আসছে সে। রিপনের স্ত্রী কাজল আক্তার বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করেছে। ওই শিশুর বাড়ি বরিশালের বরগুনা জেলায়।
উদ্ধারের পর ওই শিশু বলে, ‘মা নেই আমার, শুধু বাবা আছে। আমার এক আত্নীয়ের মাধ্যমে পরিচয় হয়ে এক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার জন্য ওদের বাড়িতে দেয়। আমি মোটামুটি সব কাজ করি। ওরা আমার বাবাকে বলছে আপনার মেয়ে সারাজীবন আমার এখানে থাকবে। বলছে এখানে থাকলে সে ভালো থাকবে। ভালো পোশাক পরবে। ভালো খাবার পাবে। কিন্তু বাবা চলে যাওয়ার পরপরই ওরা আমার ওপর শারীরিক মানসিক নির্যাতন শুরু করে।’
গৃহপরিচারিকা বলে, ‘সাত মাস যাবত আমি ২ হাজার টাকার বেতনে তাদের বাড়িতে কাজ করি। ঘরবাড়ি মুছা, বাসনকোসন দুয়া মুছাসহ অনেক কাজ করি। কিন্তু আমাকে সামান্য বিষয়ে অনেক মারধর করে। তার মেয়ে তুলফার একটি জুতা ভেঙে গেলে তার জন্য আমাকে অনেক মারে।’
সে আরও বলে, ‘ওরা আমার পিঠে চড়ে মারধর করে। আমি ভয়ে কোনো কিছু বলি না। আমাকে ঘরের ফ্লোরে শুয়ে মারধর করছে। আমাকে যখন মারে, তখন আমি বলি, আপু আমাকে আর মাইরেন না, আমি নিচে পড়ে যায়, তবুও ওরা আমাকে মারধর করে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী কাজল আক্তার বলেন, ‘আমি সামান্য চড়থাপ্পড় মারছি। কঠিন কোনো মারধর করিনি।’
অভিযুক্ত কাজল আক্তারের স্বামী রিপন মিয়ার মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি।
মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মিন্টু মোল্লা বলেন, জরুরী সেবা ৯৯৯–এ ফোনে পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। মেয়েটির বাড়ি বরিশাল জেলায়। তার বাবাকে ফোন দেওয়া হয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে নির্যাতনের শিকার এক শিশু (১২) গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে ১২টার পর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বারতোপা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর শিশুটি জানায়, সাত মাস ধরে ওই গ্রামের রিপন মিয়ার বাড়িতে কাজ করে আসছে সে। রিপনের স্ত্রী কাজল আক্তার বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করেছে। ওই শিশুর বাড়ি বরিশালের বরগুনা জেলায়।
উদ্ধারের পর ওই শিশু বলে, ‘মা নেই আমার, শুধু বাবা আছে। আমার এক আত্নীয়ের মাধ্যমে পরিচয় হয়ে এক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার জন্য ওদের বাড়িতে দেয়। আমি মোটামুটি সব কাজ করি। ওরা আমার বাবাকে বলছে আপনার মেয়ে সারাজীবন আমার এখানে থাকবে। বলছে এখানে থাকলে সে ভালো থাকবে। ভালো পোশাক পরবে। ভালো খাবার পাবে। কিন্তু বাবা চলে যাওয়ার পরপরই ওরা আমার ওপর শারীরিক মানসিক নির্যাতন শুরু করে।’
গৃহপরিচারিকা বলে, ‘সাত মাস যাবত আমি ২ হাজার টাকার বেতনে তাদের বাড়িতে কাজ করি। ঘরবাড়ি মুছা, বাসনকোসন দুয়া মুছাসহ অনেক কাজ করি। কিন্তু আমাকে সামান্য বিষয়ে অনেক মারধর করে। তার মেয়ে তুলফার একটি জুতা ভেঙে গেলে তার জন্য আমাকে অনেক মারে।’
সে আরও বলে, ‘ওরা আমার পিঠে চড়ে মারধর করে। আমি ভয়ে কোনো কিছু বলি না। আমাকে ঘরের ফ্লোরে শুয়ে মারধর করছে। আমাকে যখন মারে, তখন আমি বলি, আপু আমাকে আর মাইরেন না, আমি নিচে পড়ে যায়, তবুও ওরা আমাকে মারধর করে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী কাজল আক্তার বলেন, ‘আমি সামান্য চড়থাপ্পড় মারছি। কঠিন কোনো মারধর করিনি।’
অভিযুক্ত কাজল আক্তারের স্বামী রিপন মিয়ার মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি।
মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মিন্টু মোল্লা বলেন, জরুরী সেবা ৯৯৯–এ ফোনে পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। মেয়েটির বাড়ি বরিশাল জেলায়। তার বাবাকে ফোন দেওয়া হয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
৫ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
৭ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে