ফরিদপুর প্রতিনিধি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে ভাঙ্গা থানায় কর্মরত অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গত বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে কলেজছাত্র মো. হৃদয় হত্যা মামলার আসামি তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শৈলেন চাকমা। তিনি বলেন, ‘ওসি শফিকুল ইসলামের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা রয়েছে। এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাঁকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আমরা আজ রাতে জানতে পেরেছি।’
শফিকুল ইসলাম গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি হবিগঞ্জ ডিবির ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই মাস আগে তাঁকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়।
এদিকে ওসি শফিকুল ইসলামকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ মডেল থানায় করা একটি মামলায় ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট হবিগঞ্জ জেলা শহরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার দেড় বছর পর মামলাটি করেন হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল আউয়াল।
এ ছাড়া হবিগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম মুরাদ আলিকে প্রধান আসামি করে পুলিশের ১৮ সদস্যসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০০-১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পুলিশের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলি ছোড়েন এবং টিয়ার শেল নিক্ষেপসহ লাঠিপেটা করেন। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া দিয়ে গ্রেপ্তার করেন। আহতদের মধ্যে অনেকে পালিয়ে গেলেও কয়েকজন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছের বাসভবনে আশ্রয় নেন। সেখানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়।
বিএনপি নেতা এস এম আব্দুল আউয়াল মামলায় উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় তিনি গুরুতর আহত হন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কায় দীর্ঘদিন আইনের আশ্রয় নিতে পারেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তিনি মামলাটি করেছেন। তিনি এ ঘটনায় সুবিচার দাবি করেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে ভাঙ্গা থানায় কর্মরত অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গত বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে কলেজছাত্র মো. হৃদয় হত্যা মামলার আসামি তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শৈলেন চাকমা। তিনি বলেন, ‘ওসি শফিকুল ইসলামের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা রয়েছে। এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাঁকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আমরা আজ রাতে জানতে পেরেছি।’
শফিকুল ইসলাম গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি হবিগঞ্জ ডিবির ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই মাস আগে তাঁকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়।
এদিকে ওসি শফিকুল ইসলামকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ মডেল থানায় করা একটি মামলায় ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট হবিগঞ্জ জেলা শহরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার দেড় বছর পর মামলাটি করেন হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল আউয়াল।
এ ছাড়া হবিগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম মুরাদ আলিকে প্রধান আসামি করে পুলিশের ১৮ সদস্যসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০০-১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পুলিশের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলি ছোড়েন এবং টিয়ার শেল নিক্ষেপসহ লাঠিপেটা করেন। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া দিয়ে গ্রেপ্তার করেন। আহতদের মধ্যে অনেকে পালিয়ে গেলেও কয়েকজন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছের বাসভবনে আশ্রয় নেন। সেখানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়।
বিএনপি নেতা এস এম আব্দুল আউয়াল মামলায় উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় তিনি গুরুতর আহত হন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কায় দীর্ঘদিন আইনের আশ্রয় নিতে পারেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তিনি মামলাটি করেছেন। তিনি এ ঘটনায় সুবিচার দাবি করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে