
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানার টয়লেটে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। আজ সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তাঁর আইনজীবী নাসিম মাহমুদ।
আইনজীবী বলেন, আজ সকালে দুদকের একটি মামলায় হাজিরা দিতে কামরুল ইসলামকে কারাগার থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। সেখানে হাজতখানার টয়লেটে গেলে মাথা ঘুরে পড়ে যান কামরুল। এ সময় তাঁর মাথার পেছনে কেটে যায়।
নাসিম মাহমুদ আরও জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সাবেক মন্ত্রীর মাথায় ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হয়েছে। পরে তাঁকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। এখন তিনি কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আইনজীবী বলেন, কামরুল ইসলাম বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। পাকস্থলীর ক্যান্সারে আক্রান্ত মন্ত্রী দিনদিন দুর্বল হয়ে পড়ছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) তারেক জোবায়ের বিষয়টির সত্যতা সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৮ নভেম্বর উত্তরার একটি বাড়ি থেকে কামরুল ইসলামকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে বিভিন্ন হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

লক্ষ্মীপুরে ঝড়ে সড়কের ওপর উপড়ে পড়া গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে মনোহরি দাশ (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের চৌরাস্তা সরকারি কলেজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৭ মিনিট আগে
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যমুনা সেতুতে যানবাহন পারাপার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) এক দিনেই সেতুতে টোল আদায় হয়েছে সাড়ে ৩ কোটি টাকার বেশি। যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সেতু দিয়ে ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বমুখী ছিল ৩২ হাজার...
২৩ মিনিট আগে
চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৭ ঘণ্টা আগে