Ajker Patrika

সরকারের সেবা পেতে আদিবাসীদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়: টিআইবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
সরকারের সেবা পেতে আদিবাসীদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়: টিআইবি

বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণে বিরাজমান অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হন সমতল ও পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীরা। এমন তথ্য উঠে এসেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে।

আজ মঙ্গলবার ধানমন্ডিতে অবস্থিত টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষক রাজিয়া সুলতানা।

সংবাদ সম্মেলনটি পরিচালনা করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা ও অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং মুহাম্মদ বদিউজ্জামান।

গুণগত পদ্ধতিনির্ভর গবেষণাটি পরিচালিত হয় ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। দেশের আট বিভাগ থেকে নির্বাচিত ১১টি জেলার ২৯টি আদিবাসী জনগোষ্ঠী (সমতলের ২২টি ও পার্বত্য অঞ্চলের ৭টি) এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন ভাতাভিত্তিক ও পণ্যভিত্তিক কর্মসূচির সেবা গ্রহণে আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে এককালীন ৫০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। একই সঙ্গে কর্মসূচিতে বরাদ্দ হ্রাস, নীতিকাঠামোর দুর্বলতা, চাহিদা ও জনসংখ্যাভিত্তিক পরিকল্পনা না থাকা, তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতার অভাবসহ নানা ধরনের অনিয়ম বিদ্যমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে আদিবাসীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণে জড়িত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, চেয়ারম্যান, গ্রাম পুলিশ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ আরও অনেকে।

বয়স্কভাতা (আজীবন) কর্মসূচিতে সমতলের আদিবাসীদের ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং পার্বত্য এলাকার আদিবাসীদের ২ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। একইভাবে ভিডব্লিউবি ভাতার ক্ষেত্রে সমতলের আদিবাসীদের ২ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং পার্বত্য অঞ্চলে দুই থেকে ছয় হাজার টাকা দিতে হয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত বৈষম্য দূর করা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা। কিন্তু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসীদের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা যায়নি। গবেষণার সাতটি নির্দেশকের প্রতিটিতেই সুশাসনের ঘাটতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের উদ্বেগজনক চিত্র দেখা যায়।’

তিনি জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে কৌশলগত পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য আলাদা ভূমি কমিশন গঠনের সরকারি ঘোষণা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ও তারা’ এই বৈষম্যমূলক সংস্কৃতির কারণে আদিবাসীদের ন্যায্য পরিচয় ও অধিকার স্বীকৃতি পায় না। বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণের জন্য আইএলও কনভেনশন ১৬৯ অনুস্বাক্ষরসহ সাংবিধানিক স্বীকৃতি জরুরি।

গবেষণায় দেখা গেছে, আদিবাসীদের অংশগ্রহণ ছাড়া কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়; প্রাথমিক বাছাই কমিটিতে আদিবাসী প্রতিনিধি, হেডম্যান বা কারবারিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। পার্বত্য অঞ্চলে ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্ক সংকটে অনলাইন আবেদন কঠিন হয়ে পড়ে; ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েবসাইটে সুবিধাভোগীর তালিকা প্রকাশ হয় না বা হালনাগাদ থাকে না; রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে তালিকা তৈরি হয়; বিরোধী দল-সমর্থকদের বাদ দেওয়া হয়; জীবিত ভাতাভোগীকে মৃত দেখিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে অন্যকে যুক্ত করার ঘটনাও পাওয়া গেছে।

গবেষণা অনুযায়ী, পাঁচটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আওতাভুক্ত হওয়ার যোগ্য আদিবাসীদের মধ্যে আবেদনকারীর অনুপাত মাত্র ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

গবেষণা বলছে, বাংলাদেশ এখনো আইএলও কনভেনশন ১৬৯ অনুস্বাক্ষর করেনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে আংশিক ভূমি অধিকার অন্তর্ভুক্ত হলেও জাতীয় আইনে প্রথাগত ভূমি-স্বত্বের স্বীকৃতি নেই। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় পার্বত্য অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিত হলেও সমতলের আদিবাসীদের সমস্যা অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ‘ভূমি কমিশন’ না থাকায় সমতলের আদিবাসীরা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ভূমি হারাচ্ছে ও উচ্ছেদের শিকার হচ্ছে।

টিআইবির গবেষণায় উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলো হলো—আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি; আইএলও কনভেনশন ১৬৯ অনুস্বাক্ষর; সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির নির্দেশিকায় আদিবাসীদের অগ্রাধিকার উল্লেখ; সুনির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ; জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সব নথি প্রাপ্তি সহজ করা; নীতিমালা ও প্রকল্প ডিজাইনে ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিবেচনা করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আনিস আলমগীর, শাওনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় অভিযোগ

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

আজকের রাশিফল: ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঠকানোর চেষ্টা করবে, সঙ্গী ঘরের কাজ করিয়ে নেবে

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

হাদির জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়, সিঙ্গাপুরে যাত্রা দুপুরে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী নিহত

কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
ট্রাক ও ভ্যান ঘিরে স্থানীয়রা। ছবি: আজকের পত্রিকা
ট্রাক ও ভ্যান ঘিরে স্থানীয়রা। ছবি: আজকের পত্রিকা

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানের এক যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার সীমান্তবাজারের পাটাগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও তিন ভ্যানযাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম চাঁন মিয়া (৬৫)। তিনি উপজেলার গান্ধাইল উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মাদ্রাসার সরকারি পাঠ্যপুস্তক নিয়ে একটি ট্রাক সিরাজগঞ্জ-কাজীপুর আঞ্চলিক সড়ক হয়ে কাজীপুরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটি সীমান্তবাজারের উত্তরে পাটাগ্রাম সড়কের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানে থাকা এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই

মারা যান। তিনজন আহত হন। স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে কাজীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. এনায়েতুর রহমান বলেন, ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। ওসি বলেন, মরদেহটি পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আনিস আলমগীর, শাওনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় অভিযোগ

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

আজকের রাশিফল: ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঠকানোর চেষ্টা করবে, সঙ্গী ঘরের কাজ করিয়ে নেবে

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

হাদির জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়, সিঙ্গাপুরে যাত্রা দুপুরে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

ট্রাফিক পুলিশকে ২০০ মিটার টেনে নিয়ে যাওয়া অটোরিকশাচালক গ্রেপ্তার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশাচালক মো. মাঈন উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশাচালক মো. মাঈন উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে ২০০ মিটার টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশাচালক মো. মাঈন উদ্দিনকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

আজ সোমবার রাজধানীর রমনা থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, কাকরাইল মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করে সিএনজি চালিয়ে যান চালক মাঈন উদ্দিন। বাধা দিতে গেলে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে টেনে ২০০ মিটার নিয়ে যায়। এরপর ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের একটি টিম আজ রমনা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ট্রাফিক সিগন্যালে থামানোর সংকেত দেওয়ার পর এক ট্রাফিক কর্মীকে সিএনজি অটোরিকশার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় কয়েক শ মিটার টেনে নিয়ে যাওয়ার একটি ভয়াবহ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার বিষয় উল্লেখ করে ফারহান রহমান নামের এক ব্যক্তি ফেসবুক পোস্টে বলেন, কারওয়ান বাজারে সাধারণ ট্রাফিক সিগন্যালে দায়িত্বরত ট্রাফিক কর্মী সিএনজিটিকে থামার সংকেত দেন। কিন্তু চালক নির্দেশ অমান্য করে অন্য যানবাহনের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তখন ওই ট্রাফিক কর্মী সিএনজিটির পাশে দৌড়ে একপর্যায়ে গাড়িটি ধরে ফেলেন। গাড়িটি চলতে থাকায় তাঁকে প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে তিনি ভিডিওটি ও সিএনজির রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাংলামোটরের একজন পুলিশ সার্জেন্টকে সরবরাহ করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আনিস আলমগীর, শাওনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় অভিযোগ

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

আজকের রাশিফল: ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঠকানোর চেষ্টা করবে, সঙ্গী ঘরের কাজ করিয়ে নেবে

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

হাদির জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়, সিঙ্গাপুরে যাত্রা দুপুরে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি পালন

পাবনা প্রতিনিধি
ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি পালন। ছবি: আজকের পত্রিকা
ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি পালন। ছবি: আজকের পত্রিকা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপ-উপাচার্য ড. মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোভার স্কাউটসহ বিভিন্ন সংগঠন ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশগ্রহণ করে।

বেলা ১১টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় উপ-উপাচার্য ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখন থেকে প্রতি মাসে একদিন ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি পালন করা হবে। নিজেদের ক্যাম্পাস, নিজেদের কর্মস্থলকে নিজেরাই পরিষ্কার রাখি—এই অঙ্গীকার থেকে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।’

এরপর বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে সবাই পুরো ক্যাম্পাস পরিষ্কারকাজে হাত লাগান। এ সময় ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান, হল প্রভোস্ট ড. মো. শাহজাহান আলী, ড. জিন্নাত রেহানা, লায়লা আরজুমান্দ বানু, শিক্ষক একরামুল হকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া রোভার স্কাউট ও গ্রিন ভয়েসের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সবাই কর্মসূচি চলে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আনিস আলমগীর, শাওনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় অভিযোগ

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

আজকের রাশিফল: ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঠকানোর চেষ্টা করবে, সঙ্গী ঘরের কাজ করিয়ে নেবে

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

হাদির জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়, সিঙ্গাপুরে যাত্রা দুপুরে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বক্তব্য: চবি ভিসি-প্রোভিসি ৭ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ, ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা

চবি প্রতিনিধি 
আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২: ২৩
চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরাও। ছবি: আজকের পত্রিকা
চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরাও। ছবি: আজকের পত্রিকা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে সাত ঘণ্টা ধরে তালা ঝুলিয়ে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এতে দুপুর থেকে উপাচার্য (ভিসি), সহ-উপাচার্যসহ (প্রোভিসি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবরুদ্ধ রয়েছেন।

আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন চবি শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাঁদের সঙ্গে সংহতি জানায় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়নসহ কয়েকটি সংগঠন। রাত ৮টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলতে দেখা যায়।

এদিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শাখা শিবিরের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। এ সময় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে দেখা যায়। অপর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে প্রধান ফটকে স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদলের কর্মীরা অবস্থান নেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে।

গতকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান তাঁর বক্তব্যে ‘পাকিস্তানি বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করবে, এটা রীতিমতো অবান্তর’ বলে মন্তব্য করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে আয়োজিত আলোচনা সভায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে অধ্যাপক শামীম খান বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের দিন নির্ধারিত ছিল। পাকিস্তানি বাহিনী দেশ থেকে পালানোর জন্য চেষ্টা করছিল, সে সময় তারা জীবিত থাকবে না মৃত থাকবে, সে বিষয়ে কোনো ফয়সালা হয়নি, সে সময় পাকিস্তানি যোদ্ধারা বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করবে, এটি আমি মনে করি রীতিমতো অবান্তর।’ এ সময় তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর কী হয়েছিল, তা জানতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করার অনুরোধ করেন।

চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরাও। ছবি: আজকের পত্রিকা
চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরাও। ছবি: আজকের পত্রিকা

অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের এই বক্তব্যের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গতকাল রাতে বিক্ষোভ-মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। এর ধারাবাহিকতায় আজ তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া হয়।

পাল্টাপাল্টি অবস্থান, থমথমে পরিস্থিতি

দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা দেওয়ার চার ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) প্রতিনিধিরা। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম রনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যের একটি বক্তব্যকে ঘিরে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন শুনে চাকসুর প্রতিনিধিদের জানিয়েছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি সৃষ্টি করা কোনো ছাত্রসংগঠনের কাজ হতে পারে না।’

পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে এসে বিক্ষোভ-মিছিল করেন শাখা ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি বাক্যবিনিময় হলে উত্তপ্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। শিবিরের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের উভয় পাশে এসে জড়ে হয়ে বিক্ষোভ করেন।

চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় চলে সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায়, জামায়াতের টাকায় নয়। গতকাল (রোববার) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সহ-উপাচার্য শামীম উদ্দিন খান স্যার পাকিস্তানিদের যোদ্ধা বলেছেন। অথচ এই পাকিস্তানি বাহিনী এ দেশের জনগণকে হত্যা করেছে। আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তাঁর ওই বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া আমরা তালা খুলব না।’

চবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ‘ছাত্রদল পুরোনো সংস্কৃতিতে ফিরছে। তারা চবি প্রশাসনকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি করছে। ছাত্রদলের এরূপ ঘৃণ্য কাজকে আমরা মন থেকে ঘৃণা করি। তারা যদি এই সংস্কৃতি থেকে ফিরে না আসে, ছাত্রশিবির তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।’

প্রধান ফটকে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার ছাত্রদল প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরাও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে শিবিরের অবস্থানের কথা জানতে পেরে আমরা এখানে এসেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই। আমরা এখনই চলে যাচ্ছি।’

চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরাও। ছবি: আজকের পত্রিকা
চবির সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরাও। ছবি: আজকের পত্রিকা

সহ-উপাচার্যের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল প্রশাসন

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সহ-উপাচার্যের বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বক্তব্য দেওয়ার সময় সহ-উপাচার্য অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘পাকিস্তানি বাহিনী’র পরিবর্তে ‘পাকিস্তানি যোদ্ধা’ এবং ‘বিশ্বাসযোগ্য নয়’ বলতে গিয়ে ‘অবান্তর’ শব্দ ব্যবহার করেন; যা ভুল ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সহ­-উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে মুজিবনগর সরকারের ভ্রাম্যমাণ রাষ্ট্রদূত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল কাদিরের লেখা ‘দুশো ছেষট্টি দিনে স্বাধীন’ গ্রন্থ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে আসিফ মুনীরের একটি সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, ‘বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এখনো হয়নি।’ এ ছাড়া ১৯৭২ সালে নিখোঁজ চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘জহির রায়হান শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেলে এ বিষয়ে অনেক অজানা তথ্য সামনে আসতে পারত।’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় পূর্ণ আস্থাশীল। তবে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে জনমনে যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সহ-উপাচার্যের বক্তব্যটির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমরা সবার সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।’

এ বিষয়ে সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হয়, তবে তিনি সাড়া দেননি।

জানতে চাইলে চবি উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, ‘আমি একটি মিটিংয়ে আছি। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব হচ্ছে না।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আনিস আলমগীর, শাওনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় অভিযোগ

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

আজকের রাশিফল: ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঠকানোর চেষ্টা করবে, সঙ্গী ঘরের কাজ করিয়ে নেবে

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

হাদির জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়, সিঙ্গাপুরে যাত্রা দুপুরে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত