নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঈদে ঘরমুখী মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি সড়কে নামতে দেওয়ার ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে পুলিশ। এ লক্ষ্যে রাজধানীর যেসব গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপে ফিটনেসবিহীন গাড়ি রংচং মেখে প্রস্তুত করা হয়, সেসব গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ নজরদারিতে রেখেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৪-এর ঈদযাত্রার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ট্রাফিক বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান।
মুনিবুর রহমান বলেন, শেষ মুহূর্তে শ্রমিকেরা যখন যাওয়া শুরু করেন, তখন চাপ সৃষ্টি হয়। তখন অযাচিতভাবে কিছু যানবাহন (ফিটনেসবিহীন) ঢোকার প্রয়াস চালায়। আমাদের নজরে যেগুলা আসে, আমরা পারতপক্ষে সেগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নেই। এ ক্ষেত্রে কিন্তু আমরা বাসগুলো বের হতে দেই না। এ বিষয়ে আমাদের প্রতিটি ট্রাফিক ডিভিশন সচেষ্ট আছে। এ ছাড়া সম্ভাব্য যেসব গ্যারেজে রংচং ও মেরামতের কাজগুলো চলে, প্রস্তুতির কাজ চলে, সেসব গ্যারেজ সম্পর্কে আমরা সচেতন আছি এবং আমাদের ক্রাইম ডিভিশন নিয়ে কাজ করছি। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় আমরা কাজ করেছি। সামনেও সচেষ্ট থাকব। যেন ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো বের হতে না পারে।
ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ডিএমপির অভিযান চলমান আছে উল্লেখ করে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, লক্কড়ঝক্কড় বাস মানেই যে ফিটনেসবিহীন, এটা কিন্তু বলা যাবে না। ট্রাফিক বিভাগ যখন কোনো অভিযান চালায়, তখন কিন্তু কাগজপত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অনেক ভালো গাড়ির ফিটনেস না-ও থাকতে পারে, আবার অনেক গাড়ি দেখতে আপাতত খারাপ মনে হলেও ফিটনেস থাকতে পারে। ফিটনেসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেই কিন্তু ডিএমপি কাজ করে থাকে।
ঈদে অন্তত এক থেকে সোয়া কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে। বাসের ট্রিপগুলো ঠিক সময়ে দিতে পারলে শিডিউল বিপর্যয় এড়ানো যায়। সিডিউল বিপর্যয় হলেই রাস্তায় অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে। তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এসব সমস্যা সমাধানে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ। নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে মুনিবুর রহমান বলেন, টার্মিনালের ভেতর থেকে বাসে যাত্রী ওঠা-নামার কাজ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই টার্মিনাল থেকে বের হয়ে রাস্তায় বাসে যাত্রী ওঠানামার কাজ করা যাবে না। গণপরিবহনগুলো নির্ধারিত সংখ্যার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবে না। বিশেষ করে ছাদে কোনো যাত্রী ঝুঁকি নিয়ে গমন করবেন না। দূরপাল্লার গণপরিবহনগুলো মহানগরীর মধ্যে যাত্রী ওঠানামার কাজ করবে না। এ ক্ষেত্রে গেটলক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। মোটরসাইকেলে যাঁরা দূরপাল্লার যাত্রী থাকবেন, তাঁদের অবশ্যই যাত্রাকালীন হেলমেট পরতে হবে। ঝুঁকি পরিহার করার জন্য মোটরসাইকেল যাত্রীদের অতিরিক্ত মালামাল বহন করা যাবে না।
এ ছাড়া গ্যাসচালিত যানবাহনে গ্যাস সিলিন্ডারটি যেন মেয়াদোত্তীর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ না থাকে, সে বিষয়ে যাত্রাপথের প্রাক্কালে নিশ্চিত করাসহ লঞ্চ টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক যাত্রীদের গমনাগমন সুষ্ঠু করার জন্য ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সচেষ্ট থাকবে বলেও জানান তিনি।

ঈদে ঘরমুখী মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি সড়কে নামতে দেওয়ার ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে পুলিশ। এ লক্ষ্যে রাজধানীর যেসব গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপে ফিটনেসবিহীন গাড়ি রংচং মেখে প্রস্তুত করা হয়, সেসব গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ নজরদারিতে রেখেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৪-এর ঈদযাত্রার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ট্রাফিক বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান।
মুনিবুর রহমান বলেন, শেষ মুহূর্তে শ্রমিকেরা যখন যাওয়া শুরু করেন, তখন চাপ সৃষ্টি হয়। তখন অযাচিতভাবে কিছু যানবাহন (ফিটনেসবিহীন) ঢোকার প্রয়াস চালায়। আমাদের নজরে যেগুলা আসে, আমরা পারতপক্ষে সেগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নেই। এ ক্ষেত্রে কিন্তু আমরা বাসগুলো বের হতে দেই না। এ বিষয়ে আমাদের প্রতিটি ট্রাফিক ডিভিশন সচেষ্ট আছে। এ ছাড়া সম্ভাব্য যেসব গ্যারেজে রংচং ও মেরামতের কাজগুলো চলে, প্রস্তুতির কাজ চলে, সেসব গ্যারেজ সম্পর্কে আমরা সচেতন আছি এবং আমাদের ক্রাইম ডিভিশন নিয়ে কাজ করছি। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় আমরা কাজ করেছি। সামনেও সচেষ্ট থাকব। যেন ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো বের হতে না পারে।
ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ডিএমপির অভিযান চলমান আছে উল্লেখ করে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, লক্কড়ঝক্কড় বাস মানেই যে ফিটনেসবিহীন, এটা কিন্তু বলা যাবে না। ট্রাফিক বিভাগ যখন কোনো অভিযান চালায়, তখন কিন্তু কাগজপত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অনেক ভালো গাড়ির ফিটনেস না-ও থাকতে পারে, আবার অনেক গাড়ি দেখতে আপাতত খারাপ মনে হলেও ফিটনেস থাকতে পারে। ফিটনেসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেই কিন্তু ডিএমপি কাজ করে থাকে।
ঈদে অন্তত এক থেকে সোয়া কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে। বাসের ট্রিপগুলো ঠিক সময়ে দিতে পারলে শিডিউল বিপর্যয় এড়ানো যায়। সিডিউল বিপর্যয় হলেই রাস্তায় অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে। তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এসব সমস্যা সমাধানে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ। নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে মুনিবুর রহমান বলেন, টার্মিনালের ভেতর থেকে বাসে যাত্রী ওঠা-নামার কাজ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই টার্মিনাল থেকে বের হয়ে রাস্তায় বাসে যাত্রী ওঠানামার কাজ করা যাবে না। গণপরিবহনগুলো নির্ধারিত সংখ্যার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবে না। বিশেষ করে ছাদে কোনো যাত্রী ঝুঁকি নিয়ে গমন করবেন না। দূরপাল্লার গণপরিবহনগুলো মহানগরীর মধ্যে যাত্রী ওঠানামার কাজ করবে না। এ ক্ষেত্রে গেটলক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। মোটরসাইকেলে যাঁরা দূরপাল্লার যাত্রী থাকবেন, তাঁদের অবশ্যই যাত্রাকালীন হেলমেট পরতে হবে। ঝুঁকি পরিহার করার জন্য মোটরসাইকেল যাত্রীদের অতিরিক্ত মালামাল বহন করা যাবে না।
এ ছাড়া গ্যাসচালিত যানবাহনে গ্যাস সিলিন্ডারটি যেন মেয়াদোত্তীর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ না থাকে, সে বিষয়ে যাত্রাপথের প্রাক্কালে নিশ্চিত করাসহ লঞ্চ টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক যাত্রীদের গমনাগমন সুষ্ঠু করার জন্য ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সচেষ্ট থাকবে বলেও জানান তিনি।

ইলিশ সাধারণত বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হয়। পদ্মার ইলিশের প্রতি ভারতে বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এই ইলিশ কোনো কোনো সময় কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এবার ঘটেছে উল্টো ঘটনা— ভারত থেকে ইলিশ এসেছে বাংলাদেশে। যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আনা প্রায় ৬ হাজার কেজি ইলিশ...
১১ মিনিট আগে
পৌষ মাসের শেষ দিন এলেই একসময় পুরান ঢাকার আকাশজুড়ে দেখা যেত ঘুড়ির রাজত্ব। রঙিন ঘুড়িতে ছেয়ে যেত ছাদ থেকে ছাদ, অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ত উৎসবের আমেজ। তবে এ বছর সাকরাইন এলেও সেই চিরচেনা দৃশ্য আর চোখে পড়েনি। ঘুড়ির সংখ্যা যেমন কম ছিল, তেমনি উৎসবের সামগ্রিক আবহও ছিল অনেকটাই ম্লান।
১৪ মিনিট আগে
শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দুই দফা বাধার মুখে ঢাকায় নেওয়ার পথে আবারও রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই জমশেদ আলী ঢালী (৭০) নামের ওই রোগীর মৃত্যু হয়।
১৭ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জ আদালতে যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে আসা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা নিয়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৪ মিনিট আগে