নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর পুরানা পল্টন ও বনশ্রী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো উত্তর। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিন কেজি আফিম উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নোয়াখালীর আবুল মোতালেব (৪৬) ও জামালপুরের জাহাঙ্গীর সিদ্দিক ভূঁইয়া (88)।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অধিদপ্তরের মেট্রো উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ শনিবার দুপুরে এ তথ্য জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগ কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরুল্লাহ কাজল।
জাফরুল্লাহ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর পুরানা পল্টনের ভিআইপি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবুল মোতালেবকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁকে তল্লাশি করে একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে থাকা প্লাস্টিকের বয়ামের মধ্যে পলিথিনে মোড়ানো দুই কেজি আফিম উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বনশ্রী আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোতালেবের সহযোগী আরেক মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর সিদ্দিক ভূঁইয়াকে (88) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আরও এক কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য পৌনে তিন কোটি টাকা।
দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে জাফরুল্লাহ কাজল বলেন, ‘মোতালেব পল্টন এলাকায় বিদেশে আদম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অপর আসামি জাহাঙ্গীর সিদ্দিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করত। দুজনেই পেশার আড়ালে থেকে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার হওয়া মাদক ফেনী থেকে এসেছে বলে জানিয়েছেন ওই কারবারিরা।
ঢাকা বিভাগের এই পরিচালক আরও জানান, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই নেটওয়ার্কের সকল সদস্যকেই আইনের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রাজধানীর পুরানা পল্টন ও বনশ্রী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো উত্তর। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিন কেজি আফিম উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নোয়াখালীর আবুল মোতালেব (৪৬) ও জামালপুরের জাহাঙ্গীর সিদ্দিক ভূঁইয়া (88)।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অধিদপ্তরের মেট্রো উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ শনিবার দুপুরে এ তথ্য জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগ কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরুল্লাহ কাজল।
জাফরুল্লাহ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর পুরানা পল্টনের ভিআইপি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবুল মোতালেবকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁকে তল্লাশি করে একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে থাকা প্লাস্টিকের বয়ামের মধ্যে পলিথিনে মোড়ানো দুই কেজি আফিম উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বনশ্রী আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোতালেবের সহযোগী আরেক মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর সিদ্দিক ভূঁইয়াকে (88) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আরও এক কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য পৌনে তিন কোটি টাকা।
দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে জাফরুল্লাহ কাজল বলেন, ‘মোতালেব পল্টন এলাকায় বিদেশে আদম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অপর আসামি জাহাঙ্গীর সিদ্দিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করত। দুজনেই পেশার আড়ালে থেকে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার হওয়া মাদক ফেনী থেকে এসেছে বলে জানিয়েছেন ওই কারবারিরা।
ঢাকা বিভাগের এই পরিচালক আরও জানান, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই নেটওয়ার্কের সকল সদস্যকেই আইনের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে