নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

ঢাকার সাভারে সিলিন্ডার থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুনে শিশুসহ সাতজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার সন্ধ্যায় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের নালিয়াসুর এলাকার নায়েব আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় দগ্ধদের উদ্ধার করে সাভারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অগ্নিদগ্ধরা হলেন গৃহকর্তা নায়েব আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম (৬০), প্রতিবেশী আব্দুর রশিদের স্ত্রী শিল্পী আক্তার (৩৫), সেলিম মিয়ার মেয়ে জিসান (২০), আব্দুর রশিদের ছেলে সজীব (৭), আমজাদ হোসেনের ছেলে সুরাজ মোল্লা (২৬), হযরত আলীর ছেলের সোলায়মান (১৪) ও কাউসার হোসেনের স্ত্রী হালিমা আক্তার (৪২) ।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীরা জানান, নায়েব আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম আজ সন্ধ্যায় ঘরে তালা দিয়ে বাইরে যান। এ সময় পাশের ভাড়াটিয়ারা তাঁর ঘরের ভেতরে সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হওয়ার আঁচ করতে পেরে মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমেনাকে জানান। তিনি দরজা ভেঙে ভেতর থেকে সিলিন্ডার বের করার পরামর্শ দেন। তাঁর কথা মতো স্বজন ও প্রতিবেশীরা হাতুড়ি দিয়ে দরজার ভাঙতে শুরু করেন। এ সময় হাতুড়ির আঘাতে সৃষ্ট স্পার্ক থেকে ঘরের ভেতরে আগুন ধরে যায়।
প্রতিবেশী মোহাম্মদ আকাশ বলেন, তালা ভাঙার সময় আমেনা বেগমসহ অগ্নিদগ্ধরা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘরের ভেতরে আগুন ধরে যায়। আগুনের লেলিহান শিখা ঘর থেকে বের হয়ে এলে আমেনা বেগম ও তাঁর প্রতিবেশীরা দগ্ধ হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী বলেন, অগ্নিদগ্ধদের হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকার সাভারে সিলিন্ডার থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুনে শিশুসহ সাতজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার সন্ধ্যায় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের নালিয়াসুর এলাকার নায়েব আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় দগ্ধদের উদ্ধার করে সাভারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অগ্নিদগ্ধরা হলেন গৃহকর্তা নায়েব আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম (৬০), প্রতিবেশী আব্দুর রশিদের স্ত্রী শিল্পী আক্তার (৩৫), সেলিম মিয়ার মেয়ে জিসান (২০), আব্দুর রশিদের ছেলে সজীব (৭), আমজাদ হোসেনের ছেলে সুরাজ মোল্লা (২৬), হযরত আলীর ছেলের সোলায়মান (১৪) ও কাউসার হোসেনের স্ত্রী হালিমা আক্তার (৪২) ।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীরা জানান, নায়েব আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম আজ সন্ধ্যায় ঘরে তালা দিয়ে বাইরে যান। এ সময় পাশের ভাড়াটিয়ারা তাঁর ঘরের ভেতরে সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হওয়ার আঁচ করতে পেরে মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমেনাকে জানান। তিনি দরজা ভেঙে ভেতর থেকে সিলিন্ডার বের করার পরামর্শ দেন। তাঁর কথা মতো স্বজন ও প্রতিবেশীরা হাতুড়ি দিয়ে দরজার ভাঙতে শুরু করেন। এ সময় হাতুড়ির আঘাতে সৃষ্ট স্পার্ক থেকে ঘরের ভেতরে আগুন ধরে যায়।
প্রতিবেশী মোহাম্মদ আকাশ বলেন, তালা ভাঙার সময় আমেনা বেগমসহ অগ্নিদগ্ধরা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘরের ভেতরে আগুন ধরে যায়। আগুনের লেলিহান শিখা ঘর থেকে বের হয়ে এলে আমেনা বেগম ও তাঁর প্রতিবেশীরা দগ্ধ হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী বলেন, অগ্নিদগ্ধদের হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে