নুরুল আমিন হাসান, উত্তরা (ঢাকা)

আসন্ন মাহে রমজান ও ঈদকে টার্গেট করে সীমান্তবর্তী জেলাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজধানীর একটি বাসায় তৈরি করা হতো দেশি-বিদেশি জাল নোট। পরে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্রি করা হতো। এই চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য দিয়েছে র্যাব।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নড়াইল সদর উপজেলার কামাল হোসেনের ছেলে, জালনোট তৈরি ও ব্যবসায়ী চক্রের মূল হোতা পারভেজ হোসেন (২৪)। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার আজিবর রহমানের ছেলে রুবেল ইসলাম ওরফে হৃদয় (১৯), ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার আব্দুল লতিফের ছেলে নুর আলম ওরফে সাগর (২৩) ও দিনাজপুরের ফুলবাড়িয়া উপজেলার মো. বেলালের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মোস্তাকিম (২২)।
এ বিষয়ে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ মোসতাক আহমদ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রূপনগরে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদিসহ এই চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মূল্যমানের জালনোট, মালয়েশিয়ার ৫০ রিঙ্গিত মূল্যমানের ৪০টি জাল নোট, ওমানের ৫০ রিয়াল মূল্যমানের ৪২টি জাল নোট, সৌদি আরব ২০ রিয়াল মূল্যমানের ২৩টি জাল নোট, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২০ দিরহাম মূল্যমানের ৪২টি জাল নোট, জাল নোট তৈরিতে ব্যবহৃত একটি কালার প্রিন্টার, একটি ল্যাপটপ, ৫০ পাতা সাদা কাগজ,৩টি জাল টাকা তৈরিতে ব্যবহারকৃত কেমিক্যালসহ প্লাস্টিকের কৌটা, টাকা কাটার কাজে ব্যবহৃত একটি কাঁচি, একটি স্টিলের স্কেল, একটি এন্টি কাটার, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপার ১৯০ গ্রাম, একটি জাল টাকা বহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রাভেল ব্যাগ,৪টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ১১২০ টাকা জব্দ করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘সম্প্রতি জাল টাকা তৈরির সঙ্গে বেশ কয়েকটি চক্র জড়িত আছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে অচল করতে এবং সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে অধিক মুনাফার লোভে জাল টাকা তৈরি ও বাজারজাত করার সংঘবদ্ধ কিছু চক্র সক্রিয় হয়ে পড়ছে। এই চক্রগুলো জাল টাকা তৈরি করে নির্দিষ্ট কয়েকজন সদস্য দিয়ে আসল টাকার ভেতর জাল টাকা মিলিয়ে দিয়ে সহজ সরল মানুষকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার পারভেজ এই জাল নোট ছাপানো চক্রের মূল হোতা। সে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে জাল টাকা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এ সকল পেজ প্রোমোট ও বুস্টিং করে অনেক পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা সংগ্রহ করে। যারা আসন্ন মাহে রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতরকে টার্গেট করে জাল নোটের ব্যবসায় লিপ্ত হয়।’
গ্রেপ্তারকৃতদের বরাতে র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা প্রতি ১ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল নোট ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করত। ঈদ উপলক্ষে জাল নোটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তারা প্রতি ১ লাখ টাকার জাল নোট ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত রুবেল দেশি-বিদেশি জাল টাকা তৈরির মূল কারিগর। সে বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা থেকে টাকা ছাপানোর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে এবং জাল টাকার ডিজাইনসহ ছাঁচ সংগ্রহ করে। অনলাইনে প্রাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী সে বিভিন্ন মূল্যমানের দেশি-বিদেশি জাল টাকা ছাপানোর কাজ করত।’
অধিনায়ক মোসতাক বলেন, ‘গ্রেপ্তার নুর আলম ওরফে সাগর এই চক্রের কাটিং মাস্টার হিসেবে পরিচিত। তৈরিকৃত দেশি-বিদেশি জাল টাকা প্রিন্টিংয়ের পর সঠিক সাইজ অনুযায়ী কাটিংয়ের কাজ করত। পাশাপাশি ফোনে এবং অনলাইনে অর্ডারকৃত জাল টাকা বিভিন্ন জনের কাছে পৌঁছে দিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবেও কাজ করত।’
তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মোস্তাকিম অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক। তার রিকশা গ্যারেজকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে মূল হোতা পারভেজের নেতৃত্বে জাল টাকার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। মাঝে মাঝে সেও ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করত।’
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।

আসন্ন মাহে রমজান ও ঈদকে টার্গেট করে সীমান্তবর্তী জেলাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজধানীর একটি বাসায় তৈরি করা হতো দেশি-বিদেশি জাল নোট। পরে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্রি করা হতো। এই চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য দিয়েছে র্যাব।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নড়াইল সদর উপজেলার কামাল হোসেনের ছেলে, জালনোট তৈরি ও ব্যবসায়ী চক্রের মূল হোতা পারভেজ হোসেন (২৪)। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার আজিবর রহমানের ছেলে রুবেল ইসলাম ওরফে হৃদয় (১৯), ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার আব্দুল লতিফের ছেলে নুর আলম ওরফে সাগর (২৩) ও দিনাজপুরের ফুলবাড়িয়া উপজেলার মো. বেলালের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মোস্তাকিম (২২)।
এ বিষয়ে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ মোসতাক আহমদ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রূপনগরে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদিসহ এই চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মূল্যমানের জালনোট, মালয়েশিয়ার ৫০ রিঙ্গিত মূল্যমানের ৪০টি জাল নোট, ওমানের ৫০ রিয়াল মূল্যমানের ৪২টি জাল নোট, সৌদি আরব ২০ রিয়াল মূল্যমানের ২৩টি জাল নোট, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২০ দিরহাম মূল্যমানের ৪২টি জাল নোট, জাল নোট তৈরিতে ব্যবহৃত একটি কালার প্রিন্টার, একটি ল্যাপটপ, ৫০ পাতা সাদা কাগজ,৩টি জাল টাকা তৈরিতে ব্যবহারকৃত কেমিক্যালসহ প্লাস্টিকের কৌটা, টাকা কাটার কাজে ব্যবহৃত একটি কাঁচি, একটি স্টিলের স্কেল, একটি এন্টি কাটার, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপার ১৯০ গ্রাম, একটি জাল টাকা বহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রাভেল ব্যাগ,৪টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ১১২০ টাকা জব্দ করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘সম্প্রতি জাল টাকা তৈরির সঙ্গে বেশ কয়েকটি চক্র জড়িত আছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে অচল করতে এবং সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে অধিক মুনাফার লোভে জাল টাকা তৈরি ও বাজারজাত করার সংঘবদ্ধ কিছু চক্র সক্রিয় হয়ে পড়ছে। এই চক্রগুলো জাল টাকা তৈরি করে নির্দিষ্ট কয়েকজন সদস্য দিয়ে আসল টাকার ভেতর জাল টাকা মিলিয়ে দিয়ে সহজ সরল মানুষকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার পারভেজ এই জাল নোট ছাপানো চক্রের মূল হোতা। সে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে জাল টাকা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এ সকল পেজ প্রোমোট ও বুস্টিং করে অনেক পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা সংগ্রহ করে। যারা আসন্ন মাহে রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতরকে টার্গেট করে জাল নোটের ব্যবসায় লিপ্ত হয়।’
গ্রেপ্তারকৃতদের বরাতে র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা প্রতি ১ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল নোট ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করত। ঈদ উপলক্ষে জাল নোটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তারা প্রতি ১ লাখ টাকার জাল নোট ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত রুবেল দেশি-বিদেশি জাল টাকা তৈরির মূল কারিগর। সে বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা থেকে টাকা ছাপানোর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে এবং জাল টাকার ডিজাইনসহ ছাঁচ সংগ্রহ করে। অনলাইনে প্রাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী সে বিভিন্ন মূল্যমানের দেশি-বিদেশি জাল টাকা ছাপানোর কাজ করত।’
অধিনায়ক মোসতাক বলেন, ‘গ্রেপ্তার নুর আলম ওরফে সাগর এই চক্রের কাটিং মাস্টার হিসেবে পরিচিত। তৈরিকৃত দেশি-বিদেশি জাল টাকা প্রিন্টিংয়ের পর সঠিক সাইজ অনুযায়ী কাটিংয়ের কাজ করত। পাশাপাশি ফোনে এবং অনলাইনে অর্ডারকৃত জাল টাকা বিভিন্ন জনের কাছে পৌঁছে দিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবেও কাজ করত।’
তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মোস্তাকিম অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক। তার রিকশা গ্যারেজকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে মূল হোতা পারভেজের নেতৃত্বে জাল টাকার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। মাঝে মাঝে সেও ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করত।’
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।

১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ উপাচার্য (প্রো-ভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১ টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তারা মুক্ত হন।
৪ মিনিট আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৬ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে