আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদে অবস্থিত শিল্পকলার একমাত্র অডিটোরিয়াম বা কমিউনিটি সেন্টারটি বর্তমানে চরম জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি এখন কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে থমকে গেছে স্থানীয় পর্যায়ের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও সরকারি বিভিন্ন আয়োজন।
গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়াম বা কমিউনিটি ভবনের চারপাশে জমেছে ধুলোবালি ও আগাছা। দেয়ালজুড়ে রয়েছে স্যাঁতসেঁতে কালো দাগ, ছাদের একাধিক জায়গা থেকে চুইয়ে পড়ছে পানি। জানালা-দরজা ভাঙাচোরা, অনেক জায়গায় কাঠ নষ্ট হয়ে গেছে। ভবনের ভেতরে গিয়ে দেখা যায় বসার চেয়ারগুলো ভাঙা, মেঝে ফাটল ধরা এবং কোনো ধরনের আলো বা বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যকর নেই। ভেতরের ওয়াশরুমসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাও সম্পূর্ণরূপে বিকল।
জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৫ অক্টোবর ভবনটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা এমপি। এটি বাস্তবায়ন করে মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ। উদ্বোধনের পর থেকে ভবনটি স্থানীয় জনসাধারণের জন্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে ভবনটি একেবারেই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছাদের ফাটল দিয়ে পানি পড়ে পুরো ভবন ভিজে একাকার। ওয়াশরুমসহ সবকিছুই নষ্ট হয়ে গেছে। কোনো কিছুই সচল নেই। আমরা মনে করি, এটি শুধু সংস্কারের নয়, পুরোপুরি পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি নতুন অডিটোরিয়াম-কাম-কমিউনিটি সেন্টার গড়ে তোলা দরকার। এতে করে উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সভা-সেমিনার ও বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে ভবনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সিরাজদীখান শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ আমিন বলেন, এই অডিটোরিয়ামটি বড় হওয়ায় আমাদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্থান ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি কার্যত পরিত্যক্ত। সংস্কৃতিচর্চার জন্য পর্যাপ্ত পরিসর না থাকায় আমাদের কর্মসূচিগুলো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সংস্কারের দাবি জানিয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, একসময় এই অডিটোরিয়ামে কৃষি বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরের বড় বড় অনুষ্ঠান হতো। কৃষক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, অবহিতকরণ সভা—সবই এখানে আয়োজন করা হতো। এ ছাড়া কৃষিমেলা, বৃক্ষমেলা ও অন্যান্য বড় আকারের মেলাও এই ভবনে অনুষ্ঠিত হতো। শুধু তাই নয়, এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশও হতো। এখন ভবনটির করুণ অবস্থা দেখে সত্যিই হতাশ হতে হয়। যদি এটি আধুনিকভাবে সংস্কার ও পুনঃচালু করা যায়, তাহলে আমরা আবারও কৃষকদের নিয়ে নানা সচেতনতামূলক ও উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারব।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার বলেন, ‘অডিটোরিয়াম ভবনটির বেহাল অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ভবনটি পুনরায় স্থানীয় জনগণের ব্যবহারের উপযোগী হয়।’

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদে অবস্থিত শিল্পকলার একমাত্র অডিটোরিয়াম বা কমিউনিটি সেন্টারটি বর্তমানে চরম জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি এখন কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে থমকে গেছে স্থানীয় পর্যায়ের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও সরকারি বিভিন্ন আয়োজন।
গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়াম বা কমিউনিটি ভবনের চারপাশে জমেছে ধুলোবালি ও আগাছা। দেয়ালজুড়ে রয়েছে স্যাঁতসেঁতে কালো দাগ, ছাদের একাধিক জায়গা থেকে চুইয়ে পড়ছে পানি। জানালা-দরজা ভাঙাচোরা, অনেক জায়গায় কাঠ নষ্ট হয়ে গেছে। ভবনের ভেতরে গিয়ে দেখা যায় বসার চেয়ারগুলো ভাঙা, মেঝে ফাটল ধরা এবং কোনো ধরনের আলো বা বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যকর নেই। ভেতরের ওয়াশরুমসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাও সম্পূর্ণরূপে বিকল।
জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৫ অক্টোবর ভবনটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা এমপি। এটি বাস্তবায়ন করে মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ। উদ্বোধনের পর থেকে ভবনটি স্থানীয় জনসাধারণের জন্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে ভবনটি একেবারেই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছাদের ফাটল দিয়ে পানি পড়ে পুরো ভবন ভিজে একাকার। ওয়াশরুমসহ সবকিছুই নষ্ট হয়ে গেছে। কোনো কিছুই সচল নেই। আমরা মনে করি, এটি শুধু সংস্কারের নয়, পুরোপুরি পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি নতুন অডিটোরিয়াম-কাম-কমিউনিটি সেন্টার গড়ে তোলা দরকার। এতে করে উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সভা-সেমিনার ও বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে ভবনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সিরাজদীখান শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ আমিন বলেন, এই অডিটোরিয়ামটি বড় হওয়ায় আমাদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্থান ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি কার্যত পরিত্যক্ত। সংস্কৃতিচর্চার জন্য পর্যাপ্ত পরিসর না থাকায় আমাদের কর্মসূচিগুলো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সংস্কারের দাবি জানিয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, একসময় এই অডিটোরিয়ামে কৃষি বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরের বড় বড় অনুষ্ঠান হতো। কৃষক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, অবহিতকরণ সভা—সবই এখানে আয়োজন করা হতো। এ ছাড়া কৃষিমেলা, বৃক্ষমেলা ও অন্যান্য বড় আকারের মেলাও এই ভবনে অনুষ্ঠিত হতো। শুধু তাই নয়, এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশও হতো। এখন ভবনটির করুণ অবস্থা দেখে সত্যিই হতাশ হতে হয়। যদি এটি আধুনিকভাবে সংস্কার ও পুনঃচালু করা যায়, তাহলে আমরা আবারও কৃষকদের নিয়ে নানা সচেতনতামূলক ও উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারব।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার বলেন, ‘অডিটোরিয়াম ভবনটির বেহাল অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ভবনটি পুনরায় স্থানীয় জনগণের ব্যবহারের উপযোগী হয়।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে